সাম্প্রতিক
তিতাসের ‘সিস্টেম লস’ বছরে ১০ কার্গো এলএনজির সমপরিমাণ গ্যাস হাম ও উপসর্গে আরও ৩ মৃত্যু, প্রাণহানি ছাড়াল ১ হাজার জুলাই জাদুঘরে অশ্রুসজল রাষ্ট্রপতি, বললেন ‘মূল্য দিয়েছি অনেক বেশি’ সালমান শাহর মৃত্যু: ডনের বিরুদ্ধে ‘গুরুত্বপূর্ণ তথ্য’ গোপনের অভিযোগ ইতালীয় গণমাধ্যমে বাঁধনের ওপর হামলার খবর, তদন্তে বিশেষ পুলিশ ‘দিগোস’ মেট্রোরেলের ২৭ বিয়ারিং প্যাড ‘ক্রিটিক্যাল’, ৪৬ পিলারে ফাটল: সংসদে মন্ত্রী আশির দশকে ফিরছে সোশ্যাল মিডিয়া, এআই ছবির ট্রেন্ডে নেটিজেনরা বিএনপি ক্ষমতায় আর বিদ্যুৎ-গ্যাসের সংকট হবে না, দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ন হবে না— সেটা হতে পারে না: রুমিন ফারহানা ডিসেম্বরে হাসিনার দেশে ফেরা নিয়ে যা বললেন হর্ষবর্ধন শ্রিংলা অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের তৈরি শ্বেতপত্রের আলোকেই পদক্ষেপ গ্রহণ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী
Skip to content

লিবিয়ায় মুয়াম্মার গাদ্দাফির ছেলে সাইফকে গুলি করে হত্যা

ছবি: রয়টার্স

 

লিবিয়ার প্রয়াত শাসক মুয়াম্মার গাদ্দাফির ছেলে সাইফ আল-ইসলাম গাদ্দাফিকে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে। মঙ্গলবার দেশটির পশ্চিমাঞ্চলীয় শহর জিনতানে তিনি গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা যান বলে খবর পাওয়া গেছে।

লিবিয়ায় কর্মরত আল-জাজিরার প্রতিনিধি আহমেদ খলিফা জানিয়েছেন, গত প্রায় এক দশক ধরে সাইফ আল-ইসলাম জিনতান শহরেই অবস্থান করছিলেন। ধারণা করা হচ্ছে, সেখানেই তাঁকে লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়।

৫৩ বছর বয়সী সাইফ আল-ইসলামের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন তাঁর রাজনৈতিক উপদেষ্টা আবদুল্লাহ ওসমান। তবে কারা এই হামলার সঙ্গে জড়িত বা কী পরিস্থিতিতে এই হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে, সে বিষয়ে এখনো স্পষ্ট কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। লিবিয়া সরকারের পক্ষ থেকেও এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য দেওয়া হয়নি।

পাশ্চাত্যে শিক্ষিত ও সুবক্তা হিসেবে পরিচিত সাইফ আল-ইসলাম গাদ্দাফি তাঁর বাবার শাসনামলে নিজেকে তুলনামূলক প্রগতিশীল মুখ হিসেবে তুলে ধরেছিলেন। ২০০০ সালের শুরুর দিকে পশ্চিমা বিশ্বের সঙ্গে লিবিয়ার কূটনৈতিক সম্পর্ক পুনঃস্থাপনে তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।

২০০৮ সালে তিনি লন্ডন স্কুল অব ইকোনমিকস (এলএসই) থেকে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন। তাঁর গবেষণার বিষয় ছিল বিশ্ব শাসনব্যবস্থার সংস্কারে নাগরিক সমাজের ভূমিকা।

২০১১ সালে মুয়াম্মার গাদ্দাফির পতনের আগে সাইফ আল-ইসলামকে লিবিয়ার দ্বিতীয় ক্ষমতাধর ব্যক্তি হিসেবে বিবেচনা করা হতো। একই বছরে বিদ্রোহীদের হাতে গাদ্দাফি নিহত হওয়ার পর সাইফকে জিনতানে বন্দী করা হয়। পরে ২০১৭ সালে সাধারণ ক্ষমার আওতায় তিনি মুক্তি পান। মুক্তি পেলেও এরপর থেকে তিনি জিনতান এলাকাতেই অবস্থান করছিলেন।

এনএনবাংলা/পিএইচ