সাম্প্রতিক
তিতাসের ‘সিস্টেম লস’ বছরে ১০ কার্গো এলএনজির সমপরিমাণ গ্যাস হাম ও উপসর্গে আরও ৩ মৃত্যু, প্রাণহানি ছাড়াল ১ হাজার জুলাই জাদুঘরে অশ্রুসজল রাষ্ট্রপতি, বললেন ‘মূল্য দিয়েছি অনেক বেশি’ সালমান শাহর মৃত্যু: ডনের বিরুদ্ধে ‘গুরুত্বপূর্ণ তথ্য’ গোপনের অভিযোগ ইতালীয় গণমাধ্যমে বাঁধনের ওপর হামলার খবর, তদন্তে বিশেষ পুলিশ ‘দিগোস’ মেট্রোরেলের ২৭ বিয়ারিং প্যাড ‘ক্রিটিক্যাল’, ৪৬ পিলারে ফাটল: সংসদে মন্ত্রী আশির দশকে ফিরছে সোশ্যাল মিডিয়া, এআই ছবির ট্রেন্ডে নেটিজেনরা বিএনপি ক্ষমতায় আর বিদ্যুৎ-গ্যাসের সংকট হবে না, দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ন হবে না— সেটা হতে পারে না: রুমিন ফারহানা ডিসেম্বরে হাসিনার দেশে ফেরা নিয়ে যা বললেন হর্ষবর্ধন শ্রিংলা অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের তৈরি শ্বেতপত্রের আলোকেই পদক্ষেপ গ্রহণ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী
Skip to content

পরিসংখ্যান ব্যুরোর তথ্য: টানা তিন মাস মূল্যস্ফীতি ঊর্ধ্বমুখী

ছবি: সংগৃহীত

 

খাদ্যপণ্যের দাম বাড়ার প্রভাবে দেশে টানা তিন মাস ধরে মূল্যস্ফীতি ঊর্ধ্বমুখী রয়েছে।

বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) প্রকাশিত হালনাগাদ তথ্য অনুযায়ী, জানুয়ারি মাসে পয়েন্ট টু পয়েন্ট ভিত্তিতে সার্বিক মূল্যস্ফীতি হয়েছে ৮ দশমিক ৫৮ শতাংশ। গত বছরের জানুয়ারিতে এই হার ছিল ৯ দশমিক ৯৪ শতাংশ। গেল ডিসেম্বরে মূল্যস্ফীতির হার ছিল ৮ দশমিক ৪৯ শতাংশ এবং নভেম্বরে ছিল ৮ দশমিক ২৯ শতাংশ।

জানুয়ারির এ হার অনুযায়ী, গত বছর জানুয়ারি মাসে যে পণ্য বা সেবা ১০০ টাকায় কেনা গেছে, চলতি বছরের জানুয়ারিতে একই পণ্য বা সেবা কিনতে খরচ করতে হয়েছে ১০৮ টাকা ৫৮ পয়সা।

জানুয়ারিতে খাদ্য খাতে মূল্যস্ফীতির হার দাঁড়িয়েছে ৮ দশমিক ২৯ শতাংশে, যা ডিসেম্বরে ছিল ৭ দশমিক ৭১ শতাংশ। অর্থাৎ খাদ্যপণ্যের দাম বৃদ্ধিই সার্বিক মূল্যস্ফীতি বাড়ার প্রধান কারণ।

অন্যদিকে খাদ্যবহির্ভূত খাতে মূল্যস্ফীতি কিছুটা কমেছে। ডিসেম্বরে এই হার ছিল ৯ দশমিক ১৩ শতাংশ, যা জানুয়ারিতে কমে দাঁড়িয়েছে ৮ দশমিক ৮১ শতাংশে।

গ্রামাঞ্চলে জানুয়ারিতে সার্বিক মূল্যস্ফীতি বেড়ে হয়েছে ৮ দশমিক ৬৩ শতাংশ, যা ডিসেম্বরে ছিল ৮ দশমিক ৪৮ শতাংশ।

এ সময় গ্রামাঞ্চলে খাদ্যখাতে মূল্যস্ফীতি বেড়ে ৮ দশমিক ১৮ শতাংশ হয়েছে (ডিসেম্বরে ছিল ৭ দশমিক ৬৭ শতাংশ)। তবে খাদ্যবহির্ভূত খাতে মূল্যস্ফীতি কমে ডিসেম্বরের ৯ দশমিক ২৬ শতাংশ থেকে ৯ দশমিক শূন্য ৪ শতাংশে নেমেছে।

শহরাঞ্চলে সার্বিক মূল্যস্ফীতি ডিসেম্বরের ৮ দশমিক ৫৫ শতাংশ থেকে বেড়ে জানুয়ারিতে ৮ দশমিক ৫৭ শতাংশ হয়েছে। শহরাঞ্চলে খাদ্যখাতে মূল্যস্ফীতি বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৮ দশমিক ৬১ শতাংশে, যা ডিসেম্বরে ছিল ৭ দশমিক ৮৭ শতাংশ। আর খাদ্যবহির্ভূত খাতে মূল্যস্ফীতি কমে ৮ দশমিক ৯৯ শতাংশ থেকে ৮ দশমিক ৫৪ শতাংশে নেমেছে।

এদিকে, মূল্যস্ফীতি বাড়ায় খেটে খাওয়া মানুষের জীবনে চাপ বাড়ছে। তবে মজুরি বৃদ্ধিতে তেমন সুখবর নেই। সার্বিক মূল্যস্ফীতি যেখানে ৮ দশমিক ৫৮ শতাংশ, সেখানে নভেম্বরে মজুরি বৃদ্ধির হার ছিল ৮ দশমিক শূন্য ৮ শতাংশ।

অর্থাৎ জীবনযাত্রার ব্যয় যে হারে বাড়ছে, মানুষের আয় সেই হারে বাড়ছে না—ফলে প্রকৃত আয় কমে যাচ্ছে।

এনএনবাংলা/