সাম্প্রতিক
তিতাসের ‘সিস্টেম লস’ বছরে ১০ কার্গো এলএনজির সমপরিমাণ গ্যাস হাম ও উপসর্গে আরও ৩ মৃত্যু, প্রাণহানি ছাড়াল ১ হাজার জুলাই জাদুঘরে অশ্রুসজল রাষ্ট্রপতি, বললেন ‘মূল্য দিয়েছি অনেক বেশি’ সালমান শাহর মৃত্যু: ডনের বিরুদ্ধে ‘গুরুত্বপূর্ণ তথ্য’ গোপনের অভিযোগ ইতালীয় গণমাধ্যমে বাঁধনের ওপর হামলার খবর, তদন্তে বিশেষ পুলিশ ‘দিগোস’ মেট্রোরেলের ২৭ বিয়ারিং প্যাড ‘ক্রিটিক্যাল’, ৪৬ পিলারে ফাটল: সংসদে মন্ত্রী আশির দশকে ফিরছে সোশ্যাল মিডিয়া, এআই ছবির ট্রেন্ডে নেটিজেনরা বিএনপি ক্ষমতায় আর বিদ্যুৎ-গ্যাসের সংকট হবে না, দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ন হবে না— সেটা হতে পারে না: রুমিন ফারহানা ডিসেম্বরে হাসিনার দেশে ফেরা নিয়ে যা বললেন হর্ষবর্ধন শ্রিংলা অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের তৈরি শ্বেতপত্রের আলোকেই পদক্ষেপ গ্রহণ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী
Skip to content

হ্যাঁ ভোটের মাধ্যমে জনগণ সংস্কারের পক্ষে রায় দিয়েছে, পুরোনো ব্যবস্থায় ফিরতে চায় না: আলী রীয়াজ

 

আজ শনিবার সকালে ফরেন সার্ভিস একাডেমির মিলনায়তনে আয়োজিত এক সংবাদ ব্রিফিংয়ে প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী অধ্যাপক আলী রীয়াজ বলেছেন, গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোটের মাধ্যমে জনগণ স্পষ্টভাবে সংস্কারের পক্ষে রায় দিয়েছেন। অধ্যাপক আলী রীয়াজ বলেন, দেশের অধিকাংশ নাগরিক আর পুরোনো ব্যবস্থায় ফিরে যেতে বা স্থিতাবস্থা বজায় রাখতে চান না; তারা রাষ্ট্রব্যবস্থায় পরিবর্তন ও সংস্কার প্রত্যাশা করেন।

তিনি জানান, বাংলাদেশের নাগরিকেরা অত্যন্ত সুস্পষ্ট ও দ্বিধাহীনভাবে জুলাই জাতীয় সনদের সংবিধান সংস্কার প্রস্তাবসমূহের অনুকূলে মত দিয়েছেন। এ রায় থেকে বোঝা যায়, জনগণ পরিবর্তনের পক্ষে দৃঢ় অবস্থান নিয়েছেন।

সংবাদ ব্রিফিংয়ে উপস্থাপিত নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত গণভোটে মোট ৭ কোটি ৭৬ লাখ ৯৫ হাজার ২৩ জন ভোটার অংশ নেন, যা মোট ভোটারের প্রায় ৬০ দশমিক ৮৪ শতাংশ। কাস্ট হওয়া ভোটের মধ্যে ৪ কোটি ৮২ লাখ ৬৬০ জন ‘হ্যাঁ’ ভোট দিয়েছেন—যা মোট প্রদত্ত ভোটের ৬৮ দশমিক ০৬ শতাংশ। অন্যদিকে ‘না’ ভোট দিয়েছেন ২ কোটি ২০ লাখ ৭১ হাজার ৭২৬ জন, যা প্রায় ৩১ শতাংশ। উল্লেখযোগ্যভাবে, গণভোটে অংশগ্রহণের হার জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তুলনায় প্রায় ১ শতাংশ বেশি ছিল।

আলী রীয়াজ আরও বলেন, গণভোটের আগে জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে প্রধান উপদেষ্টা উল্লেখ করেছিলেন—জাতীয় রূপান্তর কখনো একক সিদ্ধান্ত বা একক শাসনের মাধ্যমে সম্ভব নয়। রাষ্ট্রের প্রকৃত শক্তি জনগণ, আর পরিবর্তনের চূড়ান্ত বৈধতা আসে তাদের সম্মতি থেকেই। সেই বিবেচনায় দেশের ভবিষ্যৎ দিকনির্দেশনা নির্ধারণে জনগণকে সরাসরি মত প্রকাশের সুযোগ দিতেই এই গণভোটের আয়োজন করা হয়, এবং জনগণ তাতে সাড়া দিয়েছেন।

তিনি বলেন, এ জনরায়কে শুধু সংখ্যার বিচারে দেখলে চলবে না। ২০২৪ সালের আগস্টের গণ-অভ্যুত্থানে যারা প্রাণ দিয়েছেন, আহত হয়েছেন কিংবা সাহসিকতার সঙ্গে আন্দোলনে অংশ নিয়েছেন—তাদের অর্পিত দায়িত্বের স্বীকৃতি হিসেবেও এই রায়কে দেখতে হবে।

এনএনবাংলা/পিএইচ