সাম্প্রতিক
তিতাসের ‘সিস্টেম লস’ বছরে ১০ কার্গো এলএনজির সমপরিমাণ গ্যাস হাম ও উপসর্গে আরও ৩ মৃত্যু, প্রাণহানি ছাড়াল ১ হাজার জুলাই জাদুঘরে অশ্রুসজল রাষ্ট্রপতি, বললেন ‘মূল্য দিয়েছি অনেক বেশি’ সালমান শাহর মৃত্যু: ডনের বিরুদ্ধে ‘গুরুত্বপূর্ণ তথ্য’ গোপনের অভিযোগ ইতালীয় গণমাধ্যমে বাঁধনের ওপর হামলার খবর, তদন্তে বিশেষ পুলিশ ‘দিগোস’ মেট্রোরেলের ২৭ বিয়ারিং প্যাড ‘ক্রিটিক্যাল’, ৪৬ পিলারে ফাটল: সংসদে মন্ত্রী আশির দশকে ফিরছে সোশ্যাল মিডিয়া, এআই ছবির ট্রেন্ডে নেটিজেনরা বিএনপি ক্ষমতায় আর বিদ্যুৎ-গ্যাসের সংকট হবে না, দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ন হবে না— সেটা হতে পারে না: রুমিন ফারহানা ডিসেম্বরে হাসিনার দেশে ফেরা নিয়ে যা বললেন হর্ষবর্ধন শ্রিংলা অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের তৈরি শ্বেতপত্রের আলোকেই পদক্ষেপ গ্রহণ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী
Skip to content

সমঝোতায় নেওয়া অর্থ চাঁদা নয়, জোর করলে তবেই চাঁদা: সড়ক পরিবহন মন্ত্রী

 

সড়ক পরিবহন ও যোগাযোগ মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম বলেছেন, সড়কে পরিবহন সংশ্লিষ্ট সংগঠনগুলো সমঝোতার ভিত্তিতে যে অর্থ সংগ্রহ করে, সেটিকে তিনি চাঁদা হিসেবে দেখেন না। তবে কাউকে বাধ্য করে টাকা নেওয়া হলে সেটিই চাঁদা হিসেবে গণ্য হবে।

বৃহস্পতিবার বিকেলে সচিবালয়ে নিজ দপ্তরে আয়োজিত এক সংবাদ ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ মন্তব্য করেন।

মন্ত্রী বলেন, সড়কে পরিবহনের ক্ষেত্রে যে অর্থ নেওয়ার বিষয়টি চাঁদা হিসেবে আলোচনা হয়, তা সবসময় চাঁদা নয়। মালিক সমিতি ও শ্রমিক সমিতিগুলো নিজেদের কল্যাণমূলক কার্যক্রম পরিচালনার জন্য নির্দিষ্ট হারে অর্থ সংগ্রহ করে থাকে। এটি অনেকটা অলিখিত নিয়মের মতো। তবে কেউ স্বেচ্ছায় না দিয়ে বাধ্য হলে সেটিকেই প্রকৃত চাঁদা বলা যায়।

তিনি আরও বলেন, মালিক সমিতিগুলো সংগৃহীত অর্থ মালিকদের কল্যাণে ব্যয় করার কথা। কতটা সঠিকভাবে সেই অর্থ ব্যবহৃত হয়—তা নিয়ে বিতর্ক থাকতে পারে। কিন্তু সমঝোতার ভিত্তিতে এ প্রক্রিয়া চললে সেটিকে চাঁদা আখ্যা দেওয়ার সুযোগ কম।

মন্ত্রী জানান, শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনসহ বিভিন্ন সংগঠন এভাবে অর্থ তোলে। ক্ষমতায় যে দল থাকে, তাদের সমর্থিত শ্রমিক সংগঠনের প্রভাব সাধারণত বেশি থাকে—এ কথাও তিনি স্বীকার করেন। তবে সমঝোতার ভিত্তিতে অর্থ সংগ্রহ হলে তা সরাসরি চাঁদা হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে না বলে জানান তিনি।

যোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন স্থাপনাগুলোতে বাইরে থেকে চাপ প্রয়োগ করে চাঁদা আদায় বা সুবিধা নেওয়ার কোনো সুযোগ নেই বলে স্পষ্ট করেন মন্ত্রী। কোথাও কেউ বঞ্চিত হচ্ছে কি না বা সংগৃহীত অর্থের অপব্যবহার হচ্ছে কি না—সে বিষয়ে প্রয়োজনে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলোচনা করা হবে বলেও জানান তিনি।

সড়কে যানজট প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, মহাসড়কের ওপর অনেক স্থানে বাজার বসে যাওয়ায় যানজটের সৃষ্টি হচ্ছে। এসব বিষয় শৃঙ্খলার মধ্যে আনা জরুরি।

ঈদযাত্রা: ছুটি গুরুত্বপূর্ণ, প্রস্তুতি চলছে

আসন্ন ঈদে ঘরমুখো মানুষের যাত্রা নিয়ে তিনি বলেন, ছুটি কম হলে চাপ সামলানো কঠিন হয়। গতবার দীর্ঘ ছুটি থাকায় কিছুটা সুবিধা পাওয়া গিয়েছিল। এবারও অনুরূপ প্রক্রিয়া অনুসরণ করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি ভোগান্তি কমাতে নতুন কী পদক্ষেপ নেওয়া যায়, তা নিয়েও কাজ চলছে।

মন্ত্রী আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, ঈদে যাত্রীদের নিরাপদে বাড়ি পৌঁছে দিতে সরকার সক্ষম হবে। তবে ছুটির সময়সীমা গুরুত্বপূর্ণ—এ বিষয়ে কয়েক দিনের মধ্যে বিস্তারিত জানানো সম্ভব হবে।

এনএনবাংলা/