সাম্প্রতিক
তিতাসের ‘সিস্টেম লস’ বছরে ১০ কার্গো এলএনজির সমপরিমাণ গ্যাস হাম ও উপসর্গে আরও ৩ মৃত্যু, প্রাণহানি ছাড়াল ১ হাজার জুলাই জাদুঘরে অশ্রুসজল রাষ্ট্রপতি, বললেন ‘মূল্য দিয়েছি অনেক বেশি’ সালমান শাহর মৃত্যু: ডনের বিরুদ্ধে ‘গুরুত্বপূর্ণ তথ্য’ গোপনের অভিযোগ ইতালীয় গণমাধ্যমে বাঁধনের ওপর হামলার খবর, তদন্তে বিশেষ পুলিশ ‘দিগোস’ মেট্রোরেলের ২৭ বিয়ারিং প্যাড ‘ক্রিটিক্যাল’, ৪৬ পিলারে ফাটল: সংসদে মন্ত্রী আশির দশকে ফিরছে সোশ্যাল মিডিয়া, এআই ছবির ট্রেন্ডে নেটিজেনরা বিএনপি ক্ষমতায় আর বিদ্যুৎ-গ্যাসের সংকট হবে না, দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ন হবে না— সেটা হতে পারে না: রুমিন ফারহানা ডিসেম্বরে হাসিনার দেশে ফেরা নিয়ে যা বললেন হর্ষবর্ধন শ্রিংলা অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের তৈরি শ্বেতপত্রের আলোকেই পদক্ষেপ গ্রহণ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী
Skip to content

রাষ্ট্রপতিকে না জানিয়েই যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চুক্তি করেছে অন্তর্বর্তী সরকার!

 

রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন অভিযোগ করেছেন, তাকে না জানিয়ে অন্তর্বর্তী সরকার যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে একটি চুক্তি করেছে। দৈনিক কালের কণ্ঠকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ণ চুক্তির বিষয়ে রাষ্ট্রপতিকে অবহিত করা সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা হলেও এ ক্ষেত্রে তা অনুসরণ করা হয়নি।

রাষ্ট্রপতি বলেন, “না, আমি এ চুক্তি সম্পর্কে কিছুই জানি না। এমন একটি রাষ্ট্রীয় চুক্তি অবশ্যই আমাকে জানানো দরকার ছিল। এটি ছোট বা বড় যেকোনো ধরনের হোক, পূর্ববর্তী সরকার প্রধানরা সবসময় রাষ্ট্রপতিকে তথ্য দিয়েছেন। এটি তাদের সাংবিধানিক দায়িত্ব। কিন্তু এ ক্ষেত্রে তা করা হয়নি।”

সাক্ষাৎকারে তিনি আরও উল্লেখ করেন, অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে তাকে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তগুলো থেকে দূরে রাখা হয়েছে। প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে যথাযথ সমন্বয়ও হয়নি বলে অভিযোগ করেন রাষ্ট্রপতি।

তিনি বলেন, “যিনি প্রধান উপদেষ্টা হয়েছেন, তার নিয়োগ প্রক্রিয়ার উৎস আমি ছিলাম। কিন্তু পরে তিনি আমার সঙ্গে সেভাবে সমন্বয় করেননি। একবারও আমার কাছে আসেননি।”

রাষ্ট্রপতি আরও অভিযোগ করেছেন, তার দুইবারের বিদেশ সফর স্থগিত রাখা হয়েছে। শুধু বিদেশ সফর নয়, দেশের বিভিন্ন অনুষ্ঠানে তার অংশগ্রহণও বাধা দেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাবর্তন অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতির উপস্থিতি যে রেওয়াজ, সেটিও বন্ধ রাখা হয়েছিল।

তিনি বলেন, এক রাতে দেশের সব হাইকমিশন থেকে তার ছবি সরিয়ে ফেলা হয়। বিষয়টি গণমাধ্যমে প্রকাশিত হওয়ার পর তিনি এই তথ্য জানতে পারেন। এছাড়া রাষ্ট্রপতির প্রেস উইং প্রত্যাহার এবং জাতীয় দিবসের ক্রোড়পত্রে রাষ্ট্রপতির ছবি ও বাণী প্রকাশও বন্ধ করা হয়েছিল।

এনএনবাংলা/পিএইচ