সাম্প্রতিক
তিতাসের ‘সিস্টেম লস’ বছরে ১০ কার্গো এলএনজির সমপরিমাণ গ্যাস হাম ও উপসর্গে আরও ৩ মৃত্যু, প্রাণহানি ছাড়াল ১ হাজার জুলাই জাদুঘরে অশ্রুসজল রাষ্ট্রপতি, বললেন ‘মূল্য দিয়েছি অনেক বেশি’ সালমান শাহর মৃত্যু: ডনের বিরুদ্ধে ‘গুরুত্বপূর্ণ তথ্য’ গোপনের অভিযোগ ইতালীয় গণমাধ্যমে বাঁধনের ওপর হামলার খবর, তদন্তে বিশেষ পুলিশ ‘দিগোস’ মেট্রোরেলের ২৭ বিয়ারিং প্যাড ‘ক্রিটিক্যাল’, ৪৬ পিলারে ফাটল: সংসদে মন্ত্রী আশির দশকে ফিরছে সোশ্যাল মিডিয়া, এআই ছবির ট্রেন্ডে নেটিজেনরা বিএনপি ক্ষমতায় আর বিদ্যুৎ-গ্যাসের সংকট হবে না, দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ন হবে না— সেটা হতে পারে না: রুমিন ফারহানা ডিসেম্বরে হাসিনার দেশে ফেরা নিয়ে যা বললেন হর্ষবর্ধন শ্রিংলা অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের তৈরি শ্বেতপত্রের আলোকেই পদক্ষেপ গ্রহণ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী
Skip to content

ইরানে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের হামলা চলবে, লক্ষ্য সরকার পতন

 

ইরানের রাজধানী তেহরানসহ দেশের একাধিক শহরে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলা শুরু হয়েছে। সিএনএনের লাইভ প্রতিবেদনে দুইটি সূত্রের বরাত দিয়ে বলা হয়েছে, মার্কিন বাহিনী ইতোমধ্যেই কয়েকদিন ধরে এই হামলার পরিকল্পনা তৈরি করেছিল।

হামলার পরই ভিডিও বার্তায় যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, “ইরানের বিরুদ্ধে মার্কিন বাহিনী ব্যাপক ও ভয়াবহ অভিযান পরিচালনা করছে।” তিনি এটিকে ইরানের সামরিক বাহিনীর লক্ষ্যবস্তু করে নেওয়া অভিযান হিসেবে উল্লেখ করেছেন।

শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) সকালে তেহরানে আকস্মিকভাবে হামলা শুরু হয়। ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা মন্ত্রী ইসরায়েল কাটজ এবং দুইজন মার্কিন কর্মকর্তাও নিশ্চিত করেছেন যে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল যৌথভাবে এই ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে।

খবরে বলা হয়, হামলার লক্ষ্য ছিল ইরানের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ক্ষেপণাস্ত্র লঞ্চার। এক মার্কিন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, এসব হামলা মূলত ইরানের সামরিক স্থাপনা ধ্বংস করার উদ্দেশ্যে চালানো হয়েছে। তবে তিনি বিস্তারিত তথ্য প্রকাশে রাজি হননি।

অন্য একজন মার্কিন কর্মকর্তা বলেন, হামলার মূল লক্ষ্য হলো ইরানের সামরিক হুমকি মোকাবেলা করা এবং মার্কিন বাহিনীকে সুরক্ষা প্রদান। ফার্স নিউজ এজেন্সি জানিয়েছে, ইরানের একাধিক শহরে এই হামলা চালানো হয়েছে।

এনএনবাংলা/পিএইচ