সাম্প্রতিক
তিতাসের ‘সিস্টেম লস’ বছরে ১০ কার্গো এলএনজির সমপরিমাণ গ্যাস হাম ও উপসর্গে আরও ৩ মৃত্যু, প্রাণহানি ছাড়াল ১ হাজার জুলাই জাদুঘরে অশ্রুসজল রাষ্ট্রপতি, বললেন ‘মূল্য দিয়েছি অনেক বেশি’ সালমান শাহর মৃত্যু: ডনের বিরুদ্ধে ‘গুরুত্বপূর্ণ তথ্য’ গোপনের অভিযোগ ইতালীয় গণমাধ্যমে বাঁধনের ওপর হামলার খবর, তদন্তে বিশেষ পুলিশ ‘দিগোস’ মেট্রোরেলের ২৭ বিয়ারিং প্যাড ‘ক্রিটিক্যাল’, ৪৬ পিলারে ফাটল: সংসদে মন্ত্রী আশির দশকে ফিরছে সোশ্যাল মিডিয়া, এআই ছবির ট্রেন্ডে নেটিজেনরা বিএনপি ক্ষমতায় আর বিদ্যুৎ-গ্যাসের সংকট হবে না, দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ন হবে না— সেটা হতে পারে না: রুমিন ফারহানা ডিসেম্বরে হাসিনার দেশে ফেরা নিয়ে যা বললেন হর্ষবর্ধন শ্রিংলা অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের তৈরি শ্বেতপত্রের আলোকেই পদক্ষেপ গ্রহণ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী
Skip to content

নেতানিয়াহুর সঙ্গে আলোচনা করেই ইরান যুদ্ধ বন্ধের সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে: ট্রাম্প

 

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, ইরানের সঙ্গে চলমান যুদ্ধ কখন শেষ হবে—সেই সিদ্ধান্ত তিনি ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমেই নেবেন।

রোববার (৮ মার্চ) এক সংক্ষিপ্ত টেলিফোন সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প এই মন্তব্য করেন বলে জানিয়েছে দ্য টাইমস অব ইসরায়েল।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট স্পষ্টভাবে বলেন, যুদ্ধের সমাপ্তি একটি ‘যৌথ’ সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করবে এবং তিনি ও নেতানিয়াহু এ বিষয়ে নিয়মিত যোগাযোগ বজায় রাখছেন। ট্রাম্পের মতে, পরিস্থিতি বিবেচনা করে সঠিক সময়েই যুদ্ধ থামানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেন, তিনি এবং নেতানিয়াহু যদি নেতৃত্বে না থাকতেন, তবে ইরান এতক্ষণে ইসরায়েলকে ধ্বংস করে দিত।

তিনি আরও বলেন, “ইরান ইসরায়েল এবং এর চারপাশের সবকিছু ধ্বংস করতে চেয়েছিল। আমরা একসঙ্গে কাজ করেছি এবং এমন একটি দেশকে ধ্বংস করেছি যারা ইসরায়েলকে মানচিত্র থেকে মুছে দিতে চেয়েছিল।”

ট্রাম্পের এই বক্তব্য থেকে স্পষ্ট, ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযানে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের কৌশলগত ঐক্য কতটা সুগভীর। তাঁর মতে, দুই দেশের যৌথ পদক্ষেপের কারণেই এখন ইরান বড় ধরনের সংকটে পড়েছে।

ইরান যুদ্ধের সমাপ্তি কি কেবল ট্রাম্পের একক সিদ্ধান্তে হবে, নাকি নেতানিয়াহুরও সেখানে সমান ভূমিকা থাকবে—এমন প্রশ্নের জবাবে ট্রাম্প বলেন, “আমি মনে করি এটি অনেকটা যৌথ সিদ্ধান্তের মতোই হবে। আমরা এ নিয়ে আলোচনা করছি। তবে সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে সব ধরনের বাস্তবতা বিবেচনায় রাখা হবে।”

যুক্তরাষ্ট্র যদি কোনো কারণে আক্রমণ বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নেয়, তাহলে ইসরায়েল এককভাবে যুদ্ধ চালিয়ে যেতে পারবে কি না—এমন সম্ভাবনা নিয়ে মন্তব্য করতে রাজি হননি ট্রাম্প। তবে তিনি আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে যোগ করেন, এ ধরনের পরিস্থিতির প্রয়োজন পড়বে বলে তিনি মনে করেন না।

বিশ্লেষকদের মতে, ট্রাম্পের এই বক্তব্য মধ্যপ্রাচ্যের সংকটে ইসরায়েলের ওপর ওয়াশিংটনের প্রভাব এবং নেতানিয়াহুর প্রতি ট্রাম্পের আস্থার প্রতিফলন। ট্রাম্প বারবার উল্লেখ করেছেন, বর্তমান সামরিক অভিযানের ফলে ইরানের সামরিক সক্ষমতা উল্লেখযোগ্যভাবে দুর্বল হয়েছে।

এখন প্রশ্ন উঠেছে—এই যুদ্ধ ঠিক কোন পর্যায়ে গিয়ে থামবে এবং এর ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক সমীকরণ কী হবে। বিশ্লেষকদের ধারণা, ট্রাম্প ও নেতানিয়াহুর মধ্যকার এই ‘যৌথ সিদ্ধান্ত’ মধ্যপ্রাচ্যের ভূরাজনীতিতে বড় ধরনের পরিবর্তন আনতে পারে।

এনএনবাংলা/