সাম্প্রতিক
তিতাসের ‘সিস্টেম লস’ বছরে ১০ কার্গো এলএনজির সমপরিমাণ গ্যাস হাম ও উপসর্গে আরও ৩ মৃত্যু, প্রাণহানি ছাড়াল ১ হাজার জুলাই জাদুঘরে অশ্রুসজল রাষ্ট্রপতি, বললেন ‘মূল্য দিয়েছি অনেক বেশি’ সালমান শাহর মৃত্যু: ডনের বিরুদ্ধে ‘গুরুত্বপূর্ণ তথ্য’ গোপনের অভিযোগ ইতালীয় গণমাধ্যমে বাঁধনের ওপর হামলার খবর, তদন্তে বিশেষ পুলিশ ‘দিগোস’ মেট্রোরেলের ২৭ বিয়ারিং প্যাড ‘ক্রিটিক্যাল’, ৪৬ পিলারে ফাটল: সংসদে মন্ত্রী আশির দশকে ফিরছে সোশ্যাল মিডিয়া, এআই ছবির ট্রেন্ডে নেটিজেনরা বিএনপি ক্ষমতায় আর বিদ্যুৎ-গ্যাসের সংকট হবে না, দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ন হবে না— সেটা হতে পারে না: রুমিন ফারহানা ডিসেম্বরে হাসিনার দেশে ফেরা নিয়ে যা বললেন হর্ষবর্ধন শ্রিংলা অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের তৈরি শ্বেতপত্রের আলোকেই পদক্ষেপ গ্রহণ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী
Skip to content

যুদ্ধ শেষের ইঙ্গিত, এশিয়ার বাজারে জ্বালানি তেলের দামে পতন

 

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সাম্প্রতিক মন্তব্যের পর আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের দামে বড় ধরনের পতন দেখা গেছে। তিনি ইঙ্গিত দিয়েছেন যে ইরানকে ঘিরে চলমান যুদ্ধ খুব শিগগিরই শেষ হতে পারে। এই মন্তব্যের প্রভাবেই মঙ্গলবার (১০ মার্চ) সকালে এশিয়ার বাজারে তেলের দাম উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যায়। বিষয়টি জানিয়েছে আলজাজিরা ।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেল ‘ব্রেন্ট ক্রুড অয়েল’ এর দাম প্রায় ৮.৫ শতাংশ কমে ব্যারেলপ্রতি ৯২.৫০ ডলারে নেমে এসেছে। একই সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে অপরিশোধিত তেলের দামও প্রায় ৯ শতাংশ হ্রাস পেয়ে ব্যারেলপ্রতি ৮৮ ডলার ৬০ সেন্টে দাঁড়িয়েছে।

তবে সাম্প্রতিক এই পতনের পরও সংঘাত শুরুর আগের সময়ের তুলনায় তেলের দাম এখনো প্রায় ৩০ শতাংশ বেশি রয়েছে।

বিশ্লেষকদের মতে, তেলের দামে এই হ্রাসের পেছনে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের মন্তব্য বড় ভূমিকা রেখেছে। সোমবার (৯ মার্চ) তিনি জানান, চলমান যুদ্ধ খুব দ্রুত শেষ হতে পারে—এমন প্রত্যাশাই বাজারে স্বস্তি ফিরিয়ে এনেছে।

জ্বালানি তেলের দাম কমে যাওয়ার প্রভাব পড়েছে এশিয়ার শেয়ারবাজারেও। জাপানের নিক্কেই ২২৫ সূচক প্রায় ২.৮ শতাংশ বেড়েছে। একই সময়ে দক্ষিণ কোরিয়ার কোস্পি সূচক ৫ শতাংশেরও বেশি বৃদ্ধি পেয়েছে।

বিশ্লেষকদের ভাষ্য, এশিয়ার বহু দেশ উপসাগরীয় অঞ্চল থেকে তেল আমদানি করে। ফলে তেলের দাম বাড়ার সময় তাদের শেয়ারবাজারে চাপ তৈরি হয়েছিল। কিন্তু দাম কমার সঙ্গে সঙ্গে বাজারে কিছুটা স্থিতিশীলতা ফিরে এসেছে।

এদিকে ইরান, ইসরাইল ও যুক্তরাষ্ট্রকে ঘিরে উত্তেজনা বাড়ায় বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহ নিয়ে নতুন উদ্বেগ তৈরি হয়েছিল। বিশেষ করে মধ্যপ্রাচ্যের গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্রপথ হরমুজ প্রণালী দিয়ে বিশ্বের প্রায় ২০ শতাংশ তেল পরিবহন হয়। এই অঞ্চলে নিরাপত্তা ঝুঁকি বাড়ায় অনেক তেল ট্যাঙ্কার চলাচল সীমিত করে। পাশাপাশি কয়েকটি তেল উৎপাদনকারী দেশ উৎপাদন ও রফতানি কমাতে পারে—এমন আশঙ্কায় আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম দ্রুত বেড়ে যায়।

তবে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সাম্প্রতিক ইঙ্গিতের পর বাজারে স্বস্তি ফিরে আসতে শুরু করেছে এবং এরই প্রভাবে জ্বালানি তেলের দাম কমতে দেখা গেছে।

এনএনবাংলা/পিএইচ