সাম্প্রতিক
তিতাসের ‘সিস্টেম লস’ বছরে ১০ কার্গো এলএনজির সমপরিমাণ গ্যাস হাম ও উপসর্গে আরও ৩ মৃত্যু, প্রাণহানি ছাড়াল ১ হাজার জুলাই জাদুঘরে অশ্রুসজল রাষ্ট্রপতি, বললেন ‘মূল্য দিয়েছি অনেক বেশি’ সালমান শাহর মৃত্যু: ডনের বিরুদ্ধে ‘গুরুত্বপূর্ণ তথ্য’ গোপনের অভিযোগ ইতালীয় গণমাধ্যমে বাঁধনের ওপর হামলার খবর, তদন্তে বিশেষ পুলিশ ‘দিগোস’ মেট্রোরেলের ২৭ বিয়ারিং প্যাড ‘ক্রিটিক্যাল’, ৪৬ পিলারে ফাটল: সংসদে মন্ত্রী আশির দশকে ফিরছে সোশ্যাল মিডিয়া, এআই ছবির ট্রেন্ডে নেটিজেনরা বিএনপি ক্ষমতায় আর বিদ্যুৎ-গ্যাসের সংকট হবে না, দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ন হবে না— সেটা হতে পারে না: রুমিন ফারহানা ডিসেম্বরে হাসিনার দেশে ফেরা নিয়ে যা বললেন হর্ষবর্ধন শ্রিংলা অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের তৈরি শ্বেতপত্রের আলোকেই পদক্ষেপ গ্রহণ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী
Skip to content

স্কুলে লটারি বাতিল, ভর্তি নেওয়া হবে পরীক্ষা পদ্ধতিতে

 

২০২৭ সাল থেকে স্কুলে শিক্ষার্থী ভর্তিতে লটারি পদ্ধতি চূড়ান্তভাবে বন্ধ এবং ভর্তি কার্যক্রম সাধারণ পরীক্ষার মাধ্যমে পরিচালিত হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

সোমবার (১৬ মার্চ) বিকেলে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে এক সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, “আগামী বছর থেকে ভর্তিতে লটারি পুরোপুরি তুলে দেওয়া হয়েছে। ভর্তি পরীক্ষা হবে সহজ ও সাধারণ পদ্ধতিতে। এখানে কোনো ধরনের প্রতিযোগিতা থাকবে না। লটারি কোনো শিক্ষাব্যবস্থায় থাকার উপযোগী নয়। বহু দিনের গবেষণার পর এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। অংশীজনদের সঙ্গে আলোচনা ইতোমধ্যেই করা হয়েছে এবং ভবিষ্যতেও চলবে।”

তিনি আরও বলেন, “শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ভর্তিতে লটারি অনেকটাই জুয়া খেলার মতো। ভর্তি পরীক্ষাকে কেউ যদি বাণিজ্যের মাধ্যমে ব্যবহার করতে চায়, সরকার তা সহ্য করবে না। শিক্ষার্থীদের সুবিধার জন্য সরকার ইনহাউস কোচিংয়ের ব্যবস্থা করবে।”

মন্ত্রী বলেন, “সরকার ভর্তি পরীক্ষার উপর নির্ভর করছে, এমনটি মোটেও নয়। বৃত্তি পরীক্ষা শিক্ষার্থীদের চাহিদার ওপর ভিত্তি করে অনুষ্ঠিত হবে। বৃত্তি পেলে যে অর্থ দেওয়া হয়, তা গরিব পরিবারের জন্য সহায়তা হিসেবে কাজ করে। বৃত্তি পরীক্ষা সম্পূর্ণ স্বেচ্ছামূলক; যারা দিতে চায় না, তারা অংশগ্রহণ করবে না।”

এর আগে, প্রথম শ্রেণিতে ভর্তির ক্ষেত্রে প্রথমে লটারি পদ্ধতি চালু করা হয়েছিল। ২০১১ শিক্ষাবর্ষ থেকে সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়গুলোর প্রথম শ্রেণিতে ভর্তি পরীক্ষার পরিবর্তে লটারির মাধ্যমে শিক্ষার্থী নেওয়া বাধ্যতামূলক করা হয়। পরের বছর বেসরকারি বিদ্যালয়গুলোতেও একই পদ্ধতি গ্রহণ করা হয়। যদিও তখন দ্বিতীয় থেকে নবম শ্রেণি পর্যন্ত ভর্তি পরীক্ষা পদ্ধতির মাধ্যমে হত।

করোনাভাইরাসের সংক্রমণের কারণে ২০২১ শিক্ষাবর্ষে সব শ্রেণিতেই লটারি পদ্ধতি প্রয়োগ করা হয়। এরপর থেকে ২০২৫ সাল পর্যন্ত লটারি প্রথা চালু থাকে।

এনএনবাংলা/পিএইচ