সাম্প্রতিক
তিতাসের ‘সিস্টেম লস’ বছরে ১০ কার্গো এলএনজির সমপরিমাণ গ্যাস হাম ও উপসর্গে আরও ৩ মৃত্যু, প্রাণহানি ছাড়াল ১ হাজার জুলাই জাদুঘরে অশ্রুসজল রাষ্ট্রপতি, বললেন ‘মূল্য দিয়েছি অনেক বেশি’ সালমান শাহর মৃত্যু: ডনের বিরুদ্ধে ‘গুরুত্বপূর্ণ তথ্য’ গোপনের অভিযোগ ইতালীয় গণমাধ্যমে বাঁধনের ওপর হামলার খবর, তদন্তে বিশেষ পুলিশ ‘দিগোস’ মেট্রোরেলের ২৭ বিয়ারিং প্যাড ‘ক্রিটিক্যাল’, ৪৬ পিলারে ফাটল: সংসদে মন্ত্রী আশির দশকে ফিরছে সোশ্যাল মিডিয়া, এআই ছবির ট্রেন্ডে নেটিজেনরা বিএনপি ক্ষমতায় আর বিদ্যুৎ-গ্যাসের সংকট হবে না, দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ন হবে না— সেটা হতে পারে না: রুমিন ফারহানা ডিসেম্বরে হাসিনার দেশে ফেরা নিয়ে যা বললেন হর্ষবর্ধন শ্রিংলা অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের তৈরি শ্বেতপত্রের আলোকেই পদক্ষেপ গ্রহণ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী
Skip to content

অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষকদের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি করার চিন্তা সরকারের

 

স্কুল, কলেজ ও মাদরাসার অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষকদের বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ম্যানেজিং কমিটি বা গভর্নিং বডির সভাপতি করার পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। একই সঙ্গে স্কুলে ভর্তি প্রক্রিয়ায় লটারি পদ্ধতি বাতিল নিয়ে ওঠা সমালোচনার জবাবে তিনি বলেন, লটারি কখনোই মেধাবী ও অমেধাবীর প্রকৃত মূল্যায়ন করতে পারে না এবং এটি ধনী–গরিব বৈষম্য কমাতেও কার্যকর নয়।

রোববার (১২ এপ্রিল) রাজধানীর আজিমপুর সরকারি গার্লস স্কুল অ্যান্ড কলেজের অডিটোরিয়ামে আসন্ন এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা উপলক্ষে ঢাকা অঞ্চলের কেন্দ্র সচিবদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষকদের নিয়ে একটি কমিশন গঠনের বিষয়টি বিবেচনায় রয়েছে। ওই কমিশনের মাধ্যমে দেশের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি নির্বাচন করা হলে শিক্ষাব্যবস্থার মান আরও উন্নত হতে পারে। তবে এ বিষয়ে এখনো কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি; বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

তিনি আরও বলেন, শিক্ষার্থীদের কী শেখানো হবে সেটিই এখন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। অনেক ক্ষেত্রে শিক্ষকরা যথাযথভাবে পাঠদান না করায় অভিভাবকরা সন্তানদের জন্য বাড়িতে আলাদা শিক্ষক রাখেন বা কোচিং সেন্টারে পাঠাতে বাধ্য হন। এই প্রবণতা থেকে বেরিয়ে আসার ওপর তিনি গুরুত্বারোপ করেন।

স্কুলে ভর্তিতে লটারি পদ্ধতি বাতিলের সমালোচনা প্রসঙ্গে এহছানুল হক মিলন বলেন, এ বিষয়ে বিভিন্ন ধরনের মন্তব্য করা হচ্ছে। কেউ বলছেন এতে ধনী–গরিব বৈষম্য তৈরি হয়েছে। তবে তাঁর মতে, লটারি পদ্ধতি কখনোই মেধার সঠিক মানদণ্ড হতে পারে না এবং এটি বৈষম্য দূর করতেও কার্যকর নয়। তাঁর দাবি, লটারির মাধ্যমে ভর্তি হলেও বাস্তবে কতজন শিক্ষার্থী প্রকৃতভাবে সুযোগ পেয়েছে এবং কতজন তদবির বা প্রভাবের মাধ্যমে ভর্তি হয়েছে—সে বিষয়ে তাঁর কাছে তথ্য রয়েছে। তাই তিনি মনে করেন, লটারি পদ্ধতি স্বচ্ছতার নিশ্চয়তা দেয় না।

তিনি প্রশ্ন রাখেন, দেশের প্রায় সব জায়গায় ভালো স্কুল থাকা সত্ত্বেও কেন অভিভাবকরা স্থানীয় স্কুলে সন্তান ভর্তি না করিয়ে অন্য প্রতিষ্ঠানে পাঠান—এ ক্ষেত্রে শিক্ষকরা কোনোভাবে দায়ী কি না, সেই প্রশ্নও তোলেন তিনি।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. খন্দোকার এহসানুল কবির। এতে বিভিন্ন শিক্ষাবোর্ড ও শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

এনএনবাংলা/পিএইচ