সাম্প্রতিক
তিতাসের ‘সিস্টেম লস’ বছরে ১০ কার্গো এলএনজির সমপরিমাণ গ্যাস হাম ও উপসর্গে আরও ৩ মৃত্যু, প্রাণহানি ছাড়াল ১ হাজার জুলাই জাদুঘরে অশ্রুসজল রাষ্ট্রপতি, বললেন ‘মূল্য দিয়েছি অনেক বেশি’ সালমান শাহর মৃত্যু: ডনের বিরুদ্ধে ‘গুরুত্বপূর্ণ তথ্য’ গোপনের অভিযোগ ইতালীয় গণমাধ্যমে বাঁধনের ওপর হামলার খবর, তদন্তে বিশেষ পুলিশ ‘দিগোস’ মেট্রোরেলের ২৭ বিয়ারিং প্যাড ‘ক্রিটিক্যাল’, ৪৬ পিলারে ফাটল: সংসদে মন্ত্রী আশির দশকে ফিরছে সোশ্যাল মিডিয়া, এআই ছবির ট্রেন্ডে নেটিজেনরা বিএনপি ক্ষমতায় আর বিদ্যুৎ-গ্যাসের সংকট হবে না, দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ন হবে না— সেটা হতে পারে না: রুমিন ফারহানা ডিসেম্বরে হাসিনার দেশে ফেরা নিয়ে যা বললেন হর্ষবর্ধন শ্রিংলা অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের তৈরি শ্বেতপত্রের আলোকেই পদক্ষেপ গ্রহণ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী
Skip to content

বাংলায় বাবরি মসজিদ হতে দেব না: অমিত শাহ

 

ভারতের পশ্চিমবঙ্গে আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে রাজনৈতিক উত্তেজনা নতুন মাত্রা পেয়েছে। এবার “বাবরি মসজিদ” ইস্যুতে সরাসরি অবস্থান নিয়েছেন ভারতের কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ।

বুধবার (১৫ এপ্রিল) জলপাইগুড়িতে এক জনসভায় তিনি বলেন, “আমরা বাংলায় কাউকে বাবরি মসজিদ বানাতে দেব না।” একই সঙ্গে তিনি তীব্রভাবে সমালোচনা করেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে।

অমিত শাহ অভিযোগ করেন, নবগঠিত আম জনতা উন্নয়ন পার্টির প্রধান হুমায়ুন কবীর তৃণমূল কংগ্রেসের ইশারাতেই বিতর্কিত কর্মকাণ্ড চালাচ্ছেন।

গত বছরের ডিসেম্বরে তৃণমূল থেকে বহিষ্কৃত হওয়ার পর হুমায়ুন কবীর মুর্শিদাবাদের বেলডাঙ্গায় একটি মসজিদ নির্মাণের প্রস্তাব দেন, যা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়।

মালদহ জেলার গাজোল ও মানিকচকে পৃথক জনসভায় শাহ আরও বলেন, “এটি ভারত, এখানে কেউ বাবরি মসজিদ তৈরি করতে পারবে না। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও তার ভাইপোর বোঝা উচিত—এ ধরনের স্বপ্ন চুরমার হয়ে যাবে।”

তিনি জানান, বিজেপি সরকার ক্ষমতায় এলে এই প্রকল্প কোনোভাবেই এগোতে দেওয়া হবে না।

গত ৬ ডিসেম্বর, বাবরি মসজিদ ধ্বংসের বার্ষিকীতে প্রায় আট একর ব্যক্তিগত জমিতে ৮৬ কোটি টাকা ব্যয়ে প্রস্তাবিত মসজিদের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়েছিল।

এদিকে, বিজেপির এই বক্তব্যের কড়া প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। দলটির সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় কর্মীদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, বিজেপির ‘হুমকি ও ভয়ভীতি’র জবাব গণতান্ত্রিকভাবে দিতে হবে।

তৃণমূলের পক্ষ থেকে এ ধরনের মন্তব্যকে উস্কানিমূলক আখ্যা দেওয়া হয়েছে। মালদহ ও মুর্শিদাবাদ সংলগ্ন এলাকায় প্রস্তাবিত মসজিদ প্রকল্পকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক মেরুকরণ তীব্র হচ্ছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

বিশেষজ্ঞদের মতে, নির্বাচনের আগে ধর্মীয় সংবেদনশীল ইস্যুকে ভোটের কৌশল হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে।

উল্লেখ্য, পশ্চিমবঙ্গে আগামী ২৩ ও ২৯ এপ্রিল দুই দফায় বিধানসভা নির্বাচনের ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে এবং ফলাফল ঘোষণা করা হবে ৪ মে।

এনএনবাংলা/