সাম্প্রতিক
তিতাসের ‘সিস্টেম লস’ বছরে ১০ কার্গো এলএনজির সমপরিমাণ গ্যাস হাম ও উপসর্গে আরও ৩ মৃত্যু, প্রাণহানি ছাড়াল ১ হাজার জুলাই জাদুঘরে অশ্রুসজল রাষ্ট্রপতি, বললেন ‘মূল্য দিয়েছি অনেক বেশি’ সালমান শাহর মৃত্যু: ডনের বিরুদ্ধে ‘গুরুত্বপূর্ণ তথ্য’ গোপনের অভিযোগ ইতালীয় গণমাধ্যমে বাঁধনের ওপর হামলার খবর, তদন্তে বিশেষ পুলিশ ‘দিগোস’ মেট্রোরেলের ২৭ বিয়ারিং প্যাড ‘ক্রিটিক্যাল’, ৪৬ পিলারে ফাটল: সংসদে মন্ত্রী আশির দশকে ফিরছে সোশ্যাল মিডিয়া, এআই ছবির ট্রেন্ডে নেটিজেনরা বিএনপি ক্ষমতায় আর বিদ্যুৎ-গ্যাসের সংকট হবে না, দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ন হবে না— সেটা হতে পারে না: রুমিন ফারহানা ডিসেম্বরে হাসিনার দেশে ফেরা নিয়ে যা বললেন হর্ষবর্ধন শ্রিংলা অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের তৈরি শ্বেতপত্রের আলোকেই পদক্ষেপ গ্রহণ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী
Skip to content

পশ্চিমবঙ্গে ৮ ঘণ্টায় পড়েছে ৮০ শতাংশ ভোট

 

ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যে শুরু হয়েছে বিধানসভা নির্বাচন-২০২৬ এর প্রথম দফার ভোটগ্রহণ। বৃহস্পতিবার একযোগে ১৫২টি কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ হয়েছে।

প্রথম ৮ ঘণ্টায় সামগ্রিক ভোটার উপস্থিতি ছিল ৭৮.৭৭ শতাংশে, যা দেশের অন্যান্য রাজ্যের তুলনায় বেশি। টাইমস অব ইন্ডিয়া জানায়, স্থানীয় সময় বিকেল ৩টা পর্যন্ত পাওয়া তথ্য অনুযায়ী পশ্চিমবঙ্গেই সর্বোচ্চ ভোটার উপস্থিতি লক্ষ্য করা গেছে।

নির্বাচন কমিশন (ইসি) সূত্রে জানা গেছে, পশ্চিমবঙ্গের বেশ কয়েকটি জেলায় ভোটের হার ৮০ শতাংশ ছাড়িয়ে গেছে। এর মধ্যে সর্বোচ্চ ভোট পড়েছে দক্ষিণ দিনাজপুর জেলায় ৮১.৪৯ শতাংশ। এছাড়া পশ্চিম মেদিনীপুরে ৮১.০৭ শতাংশ, ঝাড়গ্রামে ৮১.০৪ শতাংশ এবং বীরভূমে ৮০.২২ শতাংশ ভোট পড়েছে। অন্যদিকে মুর্শিদাবাদে ভোট পড়েছে ৭৯.৭২ শতাংশ। তুলনামূলকভাবে কিছুটা কম ভোটার উপস্থিতি দেখা গেছে দার্জিলিং ও মালদায়, যেখানে ভোটের হার যথাক্রমে ৭৬.৫৪ শতাংশ ও ৭৬.২২ শতাংশ।

অন্যদিকে তামিলনাড়ু রাজ্যেও সন্তোষজনক ভোটগ্রহণ হয়েছে। সেখানে মোট ভোটার উপস্থিতি প্রায় ৭০ শতাংশ। নামাক্কাল জেলায় সর্বোচ্চ ৭৬.৪৩ শতাংশ ভোট পড়েছে। এছাড়া করুরে ৭৬.০৮ শতাংশ, সেলামে ৭৫.৭৯ শতাংশ, ইরোডে ৭৫.৬১ শতাংশ এবং তিরুপ্পুরে ৭৫.৩৮ শতাংশ ভোটার উপস্থিতি লক্ষ্য করা গেছে। পাশাপাশি ধর্মপুরী, দিন্দিগুল, কাঞ্চিপুরম, কোয়েম্বাটুর, কাল্লাকুরিচি ও তিরুচিরাপল্লি জেলাগুলোতেও স্থিতিশীল ভোটগ্রহণ হয়েছে।

প্রথম দফার এই নির্বাচনে প্রায় ৩ কোটি ৬০ লাখ ভোটারের অংশগ্রহণের কথা রয়েছে। সকাল ৭টায় শুরু হওয়া ভোটগ্রহণ হয়েছে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত। এ দফায় মোট ৪৪ হাজার ৩৭৮টি ভোটকেন্দ্র স্থাপন করা হয়, যার মধ্যে ৩ হাজারের বেশি সহায়ক বুথ ছিল। এর মধ্যে ৫ হাজার ৪৪৪টি কেন্দ্র নারী পরিচালিত। তবে নির্বাচনকে ঘিরে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছিল , কারণ প্রায় ৮ হাজারের বেশি স্পর্শকাতর বুথ এবং অতীতে সহিংসতার ঘটনা ঘটেছে এমন ২০০টির বেশি এলাকা চিহ্নিত করা হয়েছে।

এনএনবাংলা/