সাম্প্রতিক
নিত্যপণ্যের বাজারে মিশ্র চিত্র, পাইকারি-খুচরায় দামের বড় ফারাক ইসরায়েলে ভোটের পর রাজনৈতিক অচলাবস্থা, সরকার গঠনের করবে কারা? জাপান-বাংলাদেশ আলোচনায় তৃতীয় দেশ বা বঙ্গোপসাগর নিয়ে আলোচনা হয়নি: হুমায়ুন কবির রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে পরীক্ষামূলক বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু পাবনায় বিলে মাছ ধরতে গিয়ে বজ্রপাতে ৬ জনের মৃত্যু, আহত ৩ সাইবার হামলার ঝুঁকিতে বুয়েট-বিএমইউ-ঢাবিসহ শীর্ষ ১৫ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ওয়েবসাইট ‘আমার ছেলে সাঁতার জানতো, সনদও ছিল; ঘটনা ভিন্ন খাতে নেওয়ার চেষ্টা হচ্ছে’ দেশে নতুন স্বৈরাচারের উত্থান হচ্ছে: নাহিদ ইসলাম মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ দীর্ঘ হলে কমতে পারে রেমিট্যান্স, বাড়বে মূল্যস্ফীতি রাত পোহালেই এইচএসসির ফল, অপেক্ষায় পৌনে ১৩ লাখ পরীক্ষার্থী
Skip to content

মমতার গাড়ি দেখে মারমুখী বিজেপি কর্মীরা, ‘চোর-চোর’ স্লোগান

পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনের ফল ঘোষণা ঘিরে রাজ্যজুড়ে উত্তেজনা ক্রমেই বাড়ছে। প্রাথমিক ফলাফল বিজেপির পক্ষে যেতে থাকায় দলটির কিছু নেতা-কর্মীর আক্রমণাত্মক আচরণের অভিযোগ পাওয়া গেছে।

রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী ও তৃণমূল কংগ্রেস প্রধান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়-এর গাড়ি লক্ষ্য করেও ‘চোর-চোর’ স্লোগান দেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।

সোমবার (৪ মে) বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে ভবানীপুরের সাখাওয়াত মেমোরিয়াল স্কুলের গণনাকেন্দ্রে পৌঁছানোর পরপরই এই ঘটনা ঘটে। আনন্দবাজার পত্রিকা-এর প্রতিবেদনে বলা হয়, মমতা পৌঁছানোর আগেই সেখানে বিজেপি কর্মীদের জটলা ছিল এবং এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।

মমতার গাড়ি গণনাকেন্দ্রে ঢুকতেই বিজেপি সমর্থকেরা ‘চোর চোর’ স্লোগান দিতে শুরু করেন। এর আগে গণনাকেন্দ্রের কাছেই একটি পেট্রল পাম্পে তৃণমূল কংগ্রেসের কর্মী-সমর্থকেরা অবস্থান নিয়েছিলেন। সেখানে দলের রাজ্য সভাপতি সুব্রত বক্সী উপস্থিত ছিলেন বলে জানা গেলেও বিষয়টি নিশ্চিত নয়। পরে পুলিশ তাদের সেখান থেকে সরে যেতে নির্দেশ দেয়।

এর কিছু সময় পর এজেসি বোস রোড ধরে আসা বিজেপি সমর্থকদের সঙ্গে পুলিশের বাগ্‌বিতণ্ডা শুরু হয়। পরে তারা তৃণমূলের অবস্থানস্থলে পৌঁছে যায় এবং সেখানে রাখা চেয়ার ভাঙচুরের অভিযোগ ওঠে।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে যেতে থাকলে সাখাওয়াত মেমোরিয়াল স্কুল এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার করা হয় এবং কেন্দ্রীয় বাহিনীর সদস্যসংখ্যা বাড়ানো হয়। এরপরও বিজেপি সমর্থকেরা ‘চোর চোর’ ও ‘গো ব্যাক’ স্লোগান দিতে থাকে। শেষ পর্যন্ত পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনী পরিস্থিতি সামাল দিয়ে তাদের সেখান থেকে সরিয়ে দেয়।

অন্যদিকে, ভবানীপুর আসনে মোট ২০ দফায় ভোট গণনা চলছে। প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত ১২ দফার ফল প্রকাশিত হয়েছে। শুরু থেকেই সেখানে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই দেখা যাচ্ছে—কখনো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এগিয়ে, আবার কখনো তার প্রতিদ্বন্দ্বী শুভেন্দু অধিকারী এগিয়ে ছিলেন। পরে কয়েক দফায় মমতা এগোলেও ব্যবধান কমানোর চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন শুভেন্দু।

এখনও চূড়ান্ত ফলাফল ঘোষণা হয়নি। তবে প্রাপ্ত তথ্যানুযায়ী, রাজ্যের প্রায় দুই-তৃতীয়াংশ আসনে বিজেপি এগিয়ে রয়েছে। তা সত্ত্বেও এই ফল মেনে নিতে এখনই রাজি নন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

এনএনবাংলা/পিএইচ