সাম্প্রতিক
দ্বিতীয় দিনেই ইনিংস ব্যবধানে টেস্ট হারল বাংলাদেশ বঙ্গভবনে দাপ্তরিক কার্যক্রম শুরু করলেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম ঢাকায় বাড়ছে লোডশেডিং, দিনে-রাতে একাধিকবার যাচ্ছে বিদ্যুৎ ভারত থেকে বিদ্যুৎ আমদানিতে দামের বাইরে নতুন চার্জ দিতে হবে বাংলাদেশকে গুদামের দরজা ভেঙে বিক্ষুব্ধ কৃষকরা নিয়ে গেল ২০২ বস্তা সার ইয়াবা সেবন দেখে ফেলা ও বাধা দেওয়ায় শিক্ষক পরিবারের চারজনকে খুন: পুলিশ ২০২৪-কে চূড়ান্ত লড়াই ভাববেন না, এটি ছিল মহড়া: জামায়াত আমির এল নিনোর প্রভাব, ২০২৭ সালে পড়তে পারে রেকর্ডভাঙা গরম সাংবাদিক দম্পতি শাকিল-রুপার সম্পদের হিসাব চেয়েছে দুদক হুমকির খবরে ঢাকার কূটনৈতিক এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার
Skip to content

‘স্কুলের চেয়ারম্যানের চাপে’ ছাত্রীর আত্মহত্যা, ব্রাইট স্কুলে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ

সহপাঠীর আত্মহত্যার ঘটনায় শিক্ষার্থীরা স্কুলের প্রবেশপথে জড়ো হয়ে বিক্ষোভ করে। ছবি: সংগৃহীত

রাজধানীর দনিয়া এলাকার ব্রাইট স্কুল অ্যান্ড কলেজে এক শিক্ষার্থীর আত্মহত্যার ঘটনায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে। স্কুল কর্তৃপক্ষের ‘চাপ ও দুর্ব্যবহারের কারণে’ দশম শ্রেণির ছাত্রী সাবিকুন নাহার আত্মহত্যা করেছে—এমন অভিযোগ তুলে বিক্ষোভে নেমেছে সহপাঠীরা।

বৃহস্পতিবার সকাল থেকে শিক্ষার্থীরা স্কুল ক্যাম্পাসে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ শুরু করে। পরে তারা স্কুলটির প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান মাসুদ হাসান লিটন এবং অধ্যক্ষ মো. মাইদুর রহমান জেমকে অবরুদ্ধ করে রাখে।

শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, বুধবার বাংলা ও অর্থনীতি বিষয়ের মডেল টেস্ট চলাকালে সাবিকুন নাহারের প্রস্তুতি ভালো ছিল না। পরীক্ষার সময় সে খাতায় কিছু আঁকছিল। বিষয়টি দেখে অর্থনীতি বিষয়ের শিক্ষিকা তার খাতা স্কুলটির প্রতিষ্ঠাতা মাসুদ হাসান লিটনের কাছে পাঠান।

এক সহপাঠীর দাবি, এরপর দীর্ঘ সময় ধরে সাবিকুনকে বকাঝকা ও দুর্ব্যবহার করা হয়। এমনকি তার অভিভাবককে ডেকে গালাগালও করা হয়েছে বলে অভিযোগ ওঠে। পরে বাসায় ফিরে ওই ছাত্রী আত্মহত্যা করে।

শিক্ষার্থীরা আরও অভিযোগ করে, এর আগেও সাবিকুনের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করা হয়েছিল। তাদের ভাষ্য, প্রতিষ্ঠাতা লিটন শিক্ষার্থীদের, বিশেষ করে মেয়েদের সঙ্গে অসদাচরণ করতেন এবং বিভিন্ন সময় টিসি দেওয়ার ভয় দেখাতেন।

বিক্ষোভরত শিক্ষার্থীদের হাতে থাকা প্ল্যাকার্ডে লেখা ছিল—“আমার বোনকে মারলি কেন?”, “হত্যার বিচার চাই, লিটনের বিচার চাই”, “এক দফা এক দাবি” ইত্যাদি স্লোগান।

ঘটনার বিষয়ে কদমতলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ মোহাম্মদ আশরাফুজ্জামান বলেন, শিক্ষার্থীরা তাদের সহপাঠীর মৃত্যুর জন্য স্কুল কর্তৃপক্ষকে দায়ী করছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ ক্যাম্পাসে অবস্থান নিয়েছে।

অন্যদিকে অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে ব্রাইট স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ মোহাম্মদ মঈদুর রহমান বলেন, সহপাঠীর আত্মহত্যায় শিক্ষার্থীরা ক্ষুব্ধ হয়ে বিক্ষোভ করছে এবং তাদের বোঝানোর চেষ্টা চলছে। তবে ছাত্রীকে গালিগালাজ ও অভিভাবককে ডাকার অভিযোগ সম্পর্কে প্রশ্ন করা হলে তিনি ফোন কেটে দেন।

এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে চেয়ারম্যান মাসুদ হাসান লিটনের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।

এনএনবাংলা/