



সামাজিক যোগাযোগ বা ডিজিটাল মাধ্যমে মিথ্যা অপপ্রচারের অভিযোগে ৮ জনের বিরুদ্ধে চট্টগ্রাম সাইবার ট্রাইবুনাল আদালতে ৩টি মামলা দায়ের করেছেন কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলা আকুবপুর ইউনিয়ন বলীঘর, রাজাবাড়ী গ্রামের ব্যাবসায়ী মোঃ সুজন মিয়া, সিভিল ইঞ্জিনিয়ার মোহাম্মদ ওবায়দুল হক ও সাংবাদিক মোঃ আক্কাস আলী হিরা।
গত বৃহস্পতিবার (১১-০৬-২০২৬) সকালে দায়ের করা মামলাটি ২০২৫ সালের সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ ২৫ ধারার অপরাধে আমলে নিয়ে আদালতের দায়িত্বপ্রাপ্ত বিচারক পিবিআইকে তদন্তের নিদের্শ দিয়েছেন বলে জানিয়েছেন মামলার বাদি পক্ষের আইনজীবী এডভোকেট সৈয়দ জহির হোসেন ।
মামলায় অভিযুক্তরা হলেন, মোঃ সোহেল সামাদ, সোহান আহমেদ খান, মোহাম্মদ সজিব খন্দকার, মোঃ আবদুল কাইয়ুম মোল্লা, মোঃ বোরহান উদ্দিন, মোশাররফ সরকার, শাহাদাত হোসেন সাগর, জাকির হোসেন।
অভিযুক্তদের মধ্যে সোহেল সামাদ পীরকাশিমপুর গ্রামের মোঃ আব্দুল আওয়াল মাতা মোসাম্মদ সাফিয়া বেগম ছেলে ও মুরাদনগর উপজেলা যুবদল আহবায়ক বলে স্থানীয়ভাবে নিশ্চিত হওয়া গেছে।
এডভোকেট সৈয়দ জহির হোসেন জানিয়েছেন, মুরাদনগর উপজেলা বলীঘর,গাজীরহাট ও পীরকাশিমপুর গ্রামের ডিস ও ওয়াইফাই ব্যাবসা যৌথ মালিকানা সাইফুর রহমান ফয়সাল কাছ থেকে দাবি করে আসছিল অভিযোক্তরা। দাবিকৃত ডিশ ও ওয়াইফাই সংযোগ দখল নিতে না পেরে সাইফুর রহমান ফয়সালসহ ওই ব্যাবসা মালিকানাদের বিরুদ্ধে ৫টি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ফেইসবুক পেইজ টাইমলাইনে গত ৮-৫-২০২৬ থেকে মামলার বাদী ব্যাবসায়ী মোঃ সুজন মিয়া, সিভিল ইঞ্জিনিয়ার মোহাম্মদ ওবায়দুল হক ও সাংবাদিক মোঃ আক্কাস আলী হিরা ছবি দিয়ে ৫টি ভূয়া ফেইসবুক আইডি খোলে একটি মিথ্যা মানহানিকর সংবাদ প্রকাশ করে।
এই আইনজীবী আরও জানান, ফেইসবুক ভূয়া আইডিতে যাদের ছবি দিয়ে সংবাদ প্রচার হয়েছে তাদের সাথে বাদিরা কোন ব্যক্তিগত সম্পর্ক নেই। মূলত বাদিরার সম্মানহানি করতেই এমন একটি মিথ্যা সংবাদ প্রচার করেছে। বিচারক মামলাটি আমলে নিয়ে তদন্তে করে দ্রুত সময়ের মধ্যে প্রতিবেদন দাখিল করতি পিবিআইকে দায়িত্ব প্রদান করছে।
এবিষয়ে উপজেলা যুবদল আহবায়ক সোহেল সামাদ বলেন, কোন এক থার্ডপার্টি মামলাগুলো করাচ্ছেন। যারা মামলাগুলো করেছেন, তারাও যানে না কারা এসব মামলা করছে। এসব মামলা ভূয়া। আমাকে অপমান ও হেরেসমানি করার জন্য এসব মামলা হয়েছে। এসবের সাথে আমি জড়িত নই।
এ সম্পর্কিত আরও পড়ুন