Skip to content

Upcoming
Portugal
0-0
Uzbekistan
Source: ESPN

মিয়ানমার সেনাবাহিনী ৬ মাসে ৭০০ বেসামরিক নাগরিক হত্যা করেছে: জাতিসংঘ

২০২১ সালে সামরিক অভ্যুত্থানে ক্ষমতা দখল করা জেনারেল মিন অং হ্লাইং এখন মিয়ানমারের প্রেসিডেন্ট। ছবি: এএফপি

মিয়ানমারে গত বছরের নির্বাচনকালীন ছয় মাসে অন্তত ৭০২ জন বেসামরিক নাগরিক নিহত হওয়ার ঘটনায় দেশটির সামরিক বাহিনীকে দায়ী করেছে জাতিসংঘ। সোমবার প্রকাশিত জাতিসংঘের মানবাধিকার দপ্তরের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, গত বছরের আগস্টে মিয়ানমারের সামরিক বাহিনী নির্বাচন আয়োজনের ঘোষণা দেওয়ার পর থেকে চলতি বছরের জানুয়ারির শেষ দিকে ভোটগ্রহণ পর্ব শেষ হওয়া পর্যন্ত অন্তত ৭০২ জন বেসামরিক নাগরিক নিহত হয়েছেন। জাতিসংঘ নির্ভরযোগ্য সূত্রের মাধ্যমে এসব ঘটনার তথ্য যাচাই করেছে।

নিহতদের মধ্যে ২২৪ জন নারী এবং ১৫৩ জন শিশু রয়েছে। প্রতিবেদনে বিমান হামলাকে সবচেয়ে বড় ধ্বংসযজ্ঞ ও মানবিক সংকটের কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

জাতিসংঘের তথ্যমতে, যুদ্ধবিমান, ড্রোন, প্যারামোটর ও জাইরোকপ্টার ব্যবহার করে চালানো হামলায় অন্তত ৫০৫ জন বেসামরিক নাগরিক নিহত হয়েছেন, যা মোট নিহতের প্রায় ৫৭ শতাংশ। এদের মধ্যে ১৭৫ জন নারী এবং ১১২ জন শিশু।

বেসামরিক নাগরিকদের মৃত্যুর জন্য দায়ী পক্ষ সম্পর্কে প্রশ্নের জবাবে জাতিসংঘ মানবাধিকার দপ্তরের মুখপাত্র রাভিনা শামদাসানি বার্তা সংস্থা এএফপিকে বলেন, ‘এই ৭০২ জন নিহত হওয়ার ঘটনার দায় মিয়ানমারের সামরিক বাহিনীর।’

তবে তিনি স্পষ্ট করেন, এর অর্থ এই নয় যে অন্যান্য সশস্ত্র গোষ্ঠীর হামলায় কোনো বেসামরিক হতাহতের ঘটনা ঘটেনি। প্রতিবেদনে কেবল জাতিসংঘের হাতে থাকা নির্ভরযোগ্য তথ্যের ভিত্তিতে যাচাইকৃত ঘটনাগুলো অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। ফলে এটি মোট হতাহতের পূর্ণাঙ্গ চিত্র নয়।

উল্লেখ্য, ২০২১ সালে সামরিক অভ্যুত্থানের মাধ্যমে অং সান সু চির সরকারকে ক্ষমতাচ্যুত করে মিয়ানমারের সেনাবাহিনী। এরপর থেকে দেশটিতে গৃহযুদ্ধ চলমান রয়েছে।

অভ্যুত্থানের পর টানা পাঁচ বছর মিয়ানমার সরাসরি সামরিক শাসনের অধীনে ছিল। পরে কঠোর বিধিনিষেধের মধ্যে এ বছর নির্বাচন আয়োজন করে জান্তা সরকার। জানুয়ারিতে অনুষ্ঠিত ওই নির্বাচনে জান্তা-সমর্থিত জোট কার্যত বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়লাভ করে।

এনএনবাংলা/