Skip to content

Upcoming
France
0-0
Spain
Source: ESPN

খামেনি হত্যার প্রতিশোধ

ট্রাম্প-নেতানিয়াহুসহ ইরানের হিট লিস্টে ১৩ বিশ্ব নেতা

ছবি: সংগৃহীত

ইরানের একটি কট্টরপন্থী পত্রিকা দেশটির সর্বোচ্চ নেতা আলি খামেনি হত্যার প্রতিশোধের দাবির প্রেক্ষাপটে পশ্চিমা বিশ্বের ১৩ জন নেতার ছবি সংবলিত একটি তালিকা প্রকাশ করেছে। তালিকায় যুক্তরাষ্ট্র, ইসরায়েল এবং কয়েকটি ইউরোপীয় দেশের শীর্ষ নেতাদের রাখা হয়েছে। তবে তালিকাটি সরকারিভাবে অনুমোদিত কি না, সে বিষয়ে কোনো নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি।

বার্তা সংস্থা এএফপির খবরে বলা হয়েছে, ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র–ইসরায়েলের সামরিক অভিযানের প্রথম দিন, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি মার্কিন-ইসরায়েলি হামলায় আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি নিহত হন। এরপর তার ছেলে ও উত্তরসূরি মোজতবা খামেনি প্রতিশোধ নেওয়ার অঙ্গীকার করেন। গত সপ্তাহে বাবার দাফন সম্পন্ন হওয়ার পর শনিবার দেওয়া প্রথম বার্তায় তিনি বলেন, ‘প্রতিশোধ আমাদের জাতির ইচ্ছা এবং এটি অবশ্যই বাস্তবায়ন করা হবে।’

মোজতবা আরও বলেন, ‘তালিকায় যেসব অপরাধীদের নাম রয়েছে, তারা বিছানায় শান্তিতে মরার ইচ্ছা নিয়েই কবরে যাবে।’

এরপর শনিবার গভীর রাতে ইরানের রাজধানীর কর্তৃপক্ষের প্রকাশিত হামশাহরি পত্রিকা অনলাইনে একটি ইনফোগ্রাফিক প্রকাশ করে। সেখানে মোজতবা খামেনির বক্তব্যের পাশাপাশি ১৩ জন বিদেশি নেতার ছবি যুক্ত করা হয়। যদিও নিজের বক্তব্যে মোজতবা কোনো ব্যক্তির নাম উল্লেখ করেননি। এছাড়া পত্রিকার প্রকাশিত তালিকাটি সরকারিভাবে অনুমোদিত কি না—এমন কোনো ইঙ্গিতও পাওয়া যায়নি।

ইনফোগ্রাফিকটিতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প, ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু, যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার, মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও, প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ, ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল মাখোঁ, ইতালির প্রধানমন্ত্রী জর্জিয়া মেলোনি এবং জার্মানির চ্যান্সেলর ফ্রেডরিখ ম্যার্ৎজসহ আরও কয়েকজন নেতার ছবি রয়েছে। তবে রোববার প্রকাশিত হামশাহরি পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণে এই ইনফোগ্রাফিকটি প্রকাশ করা হয়নি।

যুদ্ধ চলাকালে ইরান ইউরোপীয় দেশগুলোর বিরুদ্ধে তাদের ভূখণ্ডে হামলার নিন্দা না জানানোর অভিযোগ তোলে। পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বিমানকে নিজেদের আকাশসীমা ব্যবহারের অনুমতি দিয়ে তারা ওই হামলায় পরোক্ষভাবে অংশ নিয়েছে বলেও দাবি করে তেহরান।

যুদ্ধ শুরুর আগে থেকেই মোজতবা খামেনিকে জনসমক্ষে দেখা যায়নি। যে হামলায় তার বাবা নিহত হন, সেই একই হামলায় তিনিও গুরুতর আহত হয়েছেন বলে বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে।

এনএনবাংলা/