Skip to content

‘কিসের হাসিনা? কোথায় বক্তব্য দিয়েছে? চেহারা কি দেখা গেছে?’

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। ছবি: সংগৃহীত

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, ‘কিসের হাসিনা? কোথায় বক্তব্য দিয়েছে? তার চেহারা কি দেখা গেছে? মাঝেমধ্যে শুধু আওয়াজ-টাওয়াজ শোনা যায়। তারা চেষ্টা করছে, বাংলাদেশে কোনো অস্থিরতা সৃষ্টি করা যায় কি না। কিন্তু বাংলাদেশের মানুষ কখনোই তাদের এসব রাজনীতি গ্রহণ করবে না।’

শুক্রবার ৫০০ শয্যাবিশিষ্ট কক্সবাজার মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নতুন ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, যারা গণহত্যা ও মানবতাবিরোধী অপরাধের জন্য দায়ী, তাদের কোনো অনুশোচনা নেই। তারা বাংলাদেশের মানুষের কাছে ক্ষমাও চায়নি। তাই এ দেশে তাদের কোনো রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের সুযোগ বাংলাদেশের মানুষ কখনো দেবে না। জনগণও তাদের রাজনীতি করার অনুমতি কোনোদিনই দেবে না।

তিনি আরও বলেন, তারা বিদেশ থেকে মাঝেমধ্যে উঁকিঝুঁকি দিতে পারে, চিৎকার-চেঁচামেচি করতে পারে। তবে সরকার এসবকে আর গুরুত্ব দিচ্ছে না।

এর আগে বেলা ১১টার দিকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (কউক) ফ্ল্যাট উন্নয়ন প্রকল্প-০১ উদ্বোধন করেন।

এ সময় তিনি সংশ্লিষ্টদের উদ্দেশে বলেন, কেবল ইট-পাথরের অবকাঠামো নির্মাণের দিকে মনোযোগ না দিয়ে প্রকৃতি সংরক্ষণকে গুরুত্ব দিতে হবে। পর্যটনের উন্নয়নে পরিবেশবান্ধব পরিকল্পনা গ্রহণের আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, শুধু উঁচু ইমারত নির্মাণ করলেই পর্যটনের বিকাশ হয় না।

সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতের পুরো একশ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে পর্যটনবান্ধব কার্যক্রম পরিচালনা করা উচিত। বিশ্বের কাছে কক্সবাজারের সৌন্দর্য আরও বেশি তুলে ধরে বিদেশি ও দেশীয় পর্যটকদের আকৃষ্ট করতে হবে।

তিনি আরও বলেন, অতীতে ফ্যাসিবাদী সরকারের সময়ে বিভিন্ন এলাকাকে ইচ্ছামতো প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা (ইসিএ) ঘোষণা করা হয়েছিল। জরিপ পরিচালনার মাধ্যমে পর্যটন বিকাশের স্বার্থে এসব এলাকা পুনর্বিবেচনার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

কক্সবাজারের টেকনাফসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় অপহরণের ঘটনা প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, অপহরণ দমনে প্রয়োজনীয় স্থানে সেনাবাহিনীর ক্যাম্প স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হবে। এ বিষয়ে জিওসি পরিস্থিতি পর্যালোচনা করবেন। সরকারও প্রয়োজনীয় এলাকায় সেনাবাহিনীর ক্যাম্প স্থাপনের অনুরোধ জানাবে। এতে অপহরণের মতো ঘৃণ্য অপরাধ কার্যকরভাবে দমন করা বা উল্লেখযোগ্যভাবে কমিয়ে আনা সম্ভব হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

এনএনবাংলা/