অনিয়ন্ত্রিত ব্যাটারি চালিত রিকশা: প্রয়োজন পরিকল্পনা ও সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা
বিশ্বের দ্রুত বর্ধনশীল শহরগুলোর মধ্যে ঢাকার অবস্থান এখন তৃতীয়। গত ২০ বছরে ঢাকা শহরের জনসংখ্যা বেড়ে দ্বিগুণ হয়েছে। প্রাপ্ত তথ্য মতে, ঢাকা শহরের বর্তমান জনসংখ্যা ৩ কোটি ৬০ লাখ। এই বিপুল জনসংখ্যার চলাচলে রিক্সা,বাস, মাইক্রোবাস, সিএনজি, প্রাইভেট কার এবং সাম্প্রতিক কালে মেট্রোরেল যাতায়াত ব্যবস্থায় বিশেষ ভূমিকা রেখে চলেছে।
শহরটি প্রাচীন হলেও এর গণপরিবহন ব্যবস্থা কখনও সুপরিকল্পিত ছিল না। বিভিন্ন আমলে কিছু কিছু উদ্যোগ নেওয়া হলেও তা বাস্তবায়ন করা হযনি। ফলে দিনের পর দিন, মাসের পর মাস এবং বছরের পর বছর ঢাকা শহরের বাসিন্দারা চলাচলের ক্ষেত্রে অবর্ননীয় ভোগান্তির শিকার হয়েছে। এখন তো রাস্তায় বেরুলেই যানজট, গন্তব্যে পৌঁছাতে ঘন্টার ঘন্টা সময়ের অপচয় হবে রাস্তায়। সময়ের অপচয়, গ্যাস ও তেলের অপচয়, মেজাজ বিগড়ে যাওয়া, গন্তব্যে পৌঁছাতে দেরি হওয়া ইত্যাদি বিষয়কে খুব স্বাভাবিক ঘটনা হিসেবে মেনে নিতে হবে। গতিশীল ঢাকা মহানগর এখন কল্পনার বিষয়।
ইদানীং ব্যাটারি চালিত রিক্সায় ঢাকার রাস্তা দখল করে নিচ্ছে। এই অনিয়ন্ত্রিত রিক্সার কারণে দুর্ঘটনার সংখ্যা বাড়ছে। প্রাপ্ত তথ্য মতে উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে নিবন্ধিত রিক্সার সংখ্যা আশি লাখ বলা হচ্ছে। কিন্তু বাস্তবে রিক্সার সংখ্যা ২ লাখের বেশি বই কম হবেনা। এদের সংখ্যা বাড়ছে কারণ প্রতিদিন এক থেকে দেড় হাজার টাকা এরা প্রত্যেকেই ইনকাম করে। ডিগ্রিধারী শিক্ষিত লোকরা এতটা ইনকাম করতে পারে না। এদের প্রতি পাবলিক সহানুভূতিশীল। কারণ,ভারি বর্ষণ হলে পানিতে অধিকাংশ সড়ক ডুবে যায়। তখন এই রিক্সা চালকরাই যাত্রীদের যাতায়াতে সহায়তা করে।
গণপরিবহন ব্যবস্থা যাত্রী বান্ধব করার উদ্যোগ উদ্যোগ নেয়া হলে অবস্থা অবশ্য বদলাতো। কিন্তু এদিকে কোন সরকার তেমন নজর দেয়নি। সম্প্রতি বর্তমান সরকার মহিলা যাত্রীদের জন্য কিছু স্বতন্ত্র বাস চালু করেছে। মহতী উদ্যোগ সন্দেহ নেই। রাজধানীর বাস সার্ভিস আরও সুন্দর আরও আরামদায়ক করার সুযোগ রয়েছে। প্রবীন লোকদের বাসে ওঠার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেই। তরুণ তরুণীদের ফুটপাত দিয়ে হাঁটার সুযোগ নেই। অথচ বিদেশে ফুটপাত দিয়ে প্রচুর লোক হেঁটে তাদের গন্তব্যে যায়। এখানে ফুটপাত ছিনতাইকারী আর অবৈধ দোকানীদের দখলে। কোথাও কোন কর্তৃপক্ষের অস্তিত্ব আছে বলে মনে হয় না।
আশির্বাদ এখন অভিশাপ হতে চলেছে
বস্তুত, অনুকূল পরিবেশ পেয়ে নগরজীবনে ব্যাটারি চালিত রিকশা এখন স্বল্প দূরত্বে যাতায়াতের ক্ষেত্রে সাধারণ মানুষের কাছে জনপ্রিয় বাহন হয়ে উঠেছে। অলিগলি থেকে আবাসিক এলাকা, বাজার থেকে বাসস্ট্যান্ড—সবখানেই এর উপস্থিতি। একই সঙ্গে বিপুলসংখ্যক বেকার মানুষের জীবিকার সঙ্গেও এই যান ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে গিয়েছে।
কিন্তু একটি প্রয়োজনীয় পরিবহন ব্যবস্থা যখন পরিকল্পনা ও নিয়ন্ত্রণের বাইরে দ্রুত বিস্তার লাভ করে, তখন সেটিই জনদুর্ভোগের কারণ হতে পারে। ব্যাটারি রিকশার ক্ষেত্রেও তাই ঘটছে। যানজট, দুর্ঘটনার ঝুঁকি, ট্রাফিক শৃঙ্খলার অবনতি, অনিরাপদ যানবাহন, প্রশিক্ষণহীন চালক, অপরিকল্পিত চার্জিং এবং প্রধান সড়কে চলাচল—সব মিলিয়ে বিষয়টি এখন আর কেবল পরিবহনের সমস্যা নয়; এটি নগর ব্যবস্থাপনার একটি বড় প্রশ্ন।
প্রশ্ন তাই ব্যাটারি রিকশা থাকবে কি থাকবে না—এটি নয়। আসল প্রশ্ন হলো, কীভাবে এই বাস্তবতাকে শৃঙ্খলার মধ্যে এনে নিরাপদ ও কার্যকর পরিবহন ব্যবস্থার অংশ করা যায়।
অনিয়ন্ত্রিত বিস্তারই মূল সমস্যা
ব্যাটারি রিকশার বিরুদ্ধে সবচেয়ে বড় অভিযোগ এর অনিয়ন্ত্রিত বিস্তার। ২০২৬ সালের জানুয়ারিতে ঢাকার একটি দায়িত্বশীল দৈনিক পত্রিকায় প্রকাশিত প্রতিবেদনে একটি গবেষণার উদ্ধৃতি দিয়ে বলা হয়, ঢাকায় বিপুলসংখ্যক ব্যাটারি ও প্যাডেলচালিত রিকশা নিবন্ধন ছাড়াই চলাচল করছে। একই গবেষণায় ব্যাটারি রিকশার যাত্রীদের একটি উল্লেখযোগ্য অংশের দুর্ঘটনার অভিজ্ঞতার কথাও উল্লেখ করা হয়।
এই বাস্তবতা আমাদের একটি বিষয় স্পষ্ট করে—সমস্যাটি শুধু রিকশার অস্তিত্বে নয়, বরং নিয়ন্ত্রণহীন ব্যবস্থায়। যে যান নিবন্ধিত নয়, চালক প্রশিক্ষিত নয়, গাড়ির কারিগরি মান যাচাই করা হয় না এবং কোন সড়কে কতটি চলবে তার নির্দিষ্ট পরিকল্পনা নেই, সেই ব্যবস্থায় দুর্ঘটনা ও বিশৃঙ্খলার ঝুঁকি থাকবেই।
প্রধান সড়ক বনাম অভ্যন্তরীণ সড়ক
ঢাকার মতো ঘনবসতিপূর্ণ মহানগরে সব যানকে একই সড়কে একইভাবে চলাচলের সুযোগ দেওয়া যায় না। দ্রুতগতির বাস, ট্রাক, প্রাইভেট কার ও মোটরসাইকেলের সঙ্গে অপেক্ষাকৃত ধীরগতির রিকশা একই সড়কে চললে স্বাভাবিকভাবেই যান চলাচলের মধ্যে সংঘাত সৃষ্টি হয়।
সরকার বর্তমানে ঢাকার প্রধান সড়ক থেকে ব্যাটারি রিকশা সরিয়ে অভ্যন্তরীণ সড়কে নিবন্ধিত রিকশা সীমিতভাবে চলাচলের একটি কাঠামোর কথা বলছে। এই ধারণার যৌক্তিকতা রয়েছে। তবে এর সফলতা নির্ভর করবে বাস্তবায়নের ওপর।
প্রধান সড়ক হবে দ্রুত ও গণপরিবহনের জন্য; অভ্যন্তরীণ সড়কে নির্ধারিত নিয়মে চলবে ছোট যান—এমন একটি সুস্পষ্ট কাঠামো প্রয়োজন।
নিবন্ধন ছাড়া কোনো রিকশা নয়
নিয়ন্ত্রণের প্রথম শর্ত হতে হবে নিবন্ধন। প্রতিটি ব্যাটারি রিকশার আলাদা পরিচিতি নম্বর, মালিকের তথ্য, গাড়ির কারিগরি বিবরণ এবং অনুমোদিত চলাচল এলাকা ডিজিটাল ডাটাবেজে সংরক্ষণ করা যেতে পারে।
নিবন্ধনের ফলে প্রকৃত রিকশার সংখ্যা জানা যাবে। একই সঙ্গে অবৈধ রিকশা শনাক্ত করা সহজ হবে। বর্তমানে কোথাও কতসংখ্যক ব্যাটারি রিকশা চলছে—তার নির্ভরযোগ্য হিসাব না থাকলে পরিকল্পনাও কার্যকর হবে না।
তবে নিবন্ধন প্রক্রিয়া এমন হতে হবে যাতে দরিদ্র মালিক ও চালক অযথা হয়রানির শিকার না হন। সহজ, স্বচ্ছ ও নির্ধারিত ফি-ভিত্তিক ব্যবস্থা প্রয়োজন।
চালকের দক্ষতা ও লাইসেন্স
ব্যাটারি রিকশা দেখতে সহজ হলেও এটি প্যাডেলচালিত রিকশার তুলনায় দ্রুতগতির। ফলে চালকের দায়িত্বও বেশি। ট্রাফিক সংকেত, পথচারী পারাপার, মোড় নেওয়া, ব্রেক প্রয়োগ, নিরাপদ দূরত্ব এবং জরুরি পরিস্থিতি সম্পর্কে চালকের ন্যূনতম জ্ঞান থাকা অপরিহার্য।
তাই চালকের জন্য প্রশিক্ষণ ও লাইসেন্স বাধ্যতামূলক করা উচিত। কিন্তু এটিকে যেন কাগজপত্র সংগ্রহের আরেকটি জটিল প্রক্রিয়ায় পরিণত করা না হয়। স্বল্পমেয়াদি ব্যবহারিক প্রশিক্ষণ, সহজ পরীক্ষা এবং সহনীয় ফিতে লাইসেন্স দেওয়ার ব্যবস্থা করা যেতে পারে।
গাড়ির মানেও শৃঙ্খলা দরকার
আরেকটি বড় সমস্যা হলো ব্যাটারি রিকশার কারিগরি মানের অভিন্নতা নেই। বিভিন্ন জায়গায় বিভিন্ন নকশা ও মানের যান তৈরি হচ্ছে। ব্রেক, আলো, রিফ্লেক্টর, টায়ার, ব্যাটারি, বৈদ্যুতিক সংযোগ ও গাড়ির কাঠামোর নিরাপত্তা নিশ্চিত না করে শুধু চালককে দায়ী করলে সমস্যার সমাধান হবে না।
সরকারের প্রস্তাবিত নীতিতে অনুমোদিত নকশা অনুযায়ী রিকশা উৎপাদন এবং উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানের নিবন্ধনের বিষয়টি এসেছে। এটি কার্যকর করা প্রয়োজন।
একই সঙ্গে নির্ধারণ করতে হবে—কোন মডেল রাস্তায় চলবে, তার সর্বোচ্চ গতি কত হবে এবং কতদিন পরপর ফিটনেস পরীক্ষা করতে হবে।
চার্জিং ব্যবস্থাও পরিকল্পনার অংশ
ব্যাটারি রিকশা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বাড়ছে চার্জিংয়ের প্রয়োজন। কিন্তু যত্রতত্র বৈদ্যুতিক সংযোগ নিয়ে চার্জ দেওয়া নিরাপত্তার জন্য ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে। অপরিকল্পিত চার্জিং কেন্দ্র রাস্তা ও ফুটপাত দখলেরও কারণ হতে পারে।
তাই অনুমোদিত চার্জিং স্টেশন গড়ে তুলতে হবে। বিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষ, সিটি করপোরেশন ও পরিবহন কর্তৃপক্ষকে সমন্বিতভাবে চার্জিং অবকাঠামোর পরিকল্পনা করতে হবে। ভবিষ্যতে সৌরবিদ্যুৎ ব্যবহার করে চার্জিংয়ের সম্ভাবনাও বিবেচনা করা যেতে পারে।
নিষেধাজ্ঞার সঙ্গে জীবিকার প্রশ্ন
এখানে একটি মানবিক ও অর্থনৈতিক বাস্তবতা উপেক্ষা করা যাবে না। হাজার হাজার মানুষ ব্যাটারি রিকশা চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করেন। আরও বহু মানুষ এর সঙ্গে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে যুক্ত।
তাই হঠাৎ করে ব্যাপক উচ্ছেদ করে সমস্যার সমাধান করা সম্ভব নয়। অবৈধ যান নিয়ন্ত্রণ করতে হবে, কিন্তু মানুষের জীবিকা ধ্বংস করে নয়।
অনিরাপদ ও পুরোনো রিকশা ধাপে ধাপে প্রত্যাহার করা যেতে পারে। চালকদের প্রশিক্ষণ দিয়ে বৈধ লাইসেন্স দেওয়া, নিরাপদ যান কেনার জন্য সহজ শর্তে ঋণের ব্যবস্থা এবং প্রয়োজন হলে বিকল্প কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করা যেতে পারে।
এক নীতিতে পুরো দেশ
ব্যাটারি রিকশার নিয়ন্ত্রণে সবচেয়ে বড় প্রয়োজন একটি সমন্বিত জাতীয় নীতিমালা। সরকার সিটি করপোরেশন, পৌরসভা, উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়ে একটি একীভূত নীতির উদ্যোগের কথা জানিয়েছে। এটি বাস্তবায়িত হলে ভালো ফল পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
তবে জাতীয় নীতির পাশাপাশি স্থানীয় বাস্তবতাও বিবেচনায় নিতে হবে। ঢাকার নিয়ম চট্টগ্রাম বা কোনো উপজেলা শহরে হুবহু প্রয়োগ করা যুক্তিযুক্ত নাও হতে পারে। সড়কের প্রস্থ, জনসংখ্যা, যানবাহনের চাপ ও স্থানীয় অর্থনীতির ভিত্তিতে রুট ও সংখ্যা নির্ধারণ করা যেতে পারে।
‘লাস্ট-মাইল’ পরিবহনে নতুন ভূমিকা
ব্যাটারি রিকশাকে শুধু সমস্যা হিসেবে দেখলে একটি গুরুত্বপূর্ণ সুযোগও হারিয়ে যাবে। উন্নত নগর পরিবহন ব্যবস্থায় ছোট যান অনেক সময় বড় গণপরিবহনের সঙ্গে সংযোগ স্থাপন করে।
ঢাকার মেট্রোরেল স্টেশন, বাস টার্মিনাল বা প্রধান সড়ক থেকে আশপাশের আবাসিক এলাকায় যাত্রী পৌঁছে দিতে নির্দিষ্ট রুটে নিবন্ধিত ব্যাটারি রিকশা ব্যবহার করা যেতে পারে। এতে এটি গণপরিবহনের প্রতিদ্বন্দ্বী না হয়ে ‘লাস্ট-মাইল’ পরিবহনের অংশ হয়ে উঠতে পারে।
এ জন্য নির্দিষ্ট স্ট্যান্ড, নির্দিষ্ট রুট ও নির্দিষ্ট ভাড়া নির্ধারণ করা যেতে পারে।
প্রয়োজন রাজনৈতিক সদিচ্ছা ও ধারাবাহিকতা
ব্যাটারি রিকশা নিয়ন্ত্রণে আইন করা যতটা গুরুত্বপূর্ণ, তার চেয়ে কম গুরুত্বপূর্ণ নয় আইন বাস্তবায়ন। আজ অভিযান, কাল বন্ধ—এভাবে চললে কোনো স্থায়ী সমাধান হবে না।
প্রয়োজন দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা, নিয়মিত নজরদারি এবং সবার জন্য একই আইন। চালক, মালিক, প্রস্তুতকারক, স্থানীয় প্রশাসন ও আইন প্রয়োগকারী সংস্থা—প্রত্যেকের দায়িত্ব নির্ধারণ করতে হবে।
ব্যাটারি রিকশা বাংলাদেশের নগর বাস্তবতার বাইরে নয়; বরং এর মধ্যেই একটি বাস্তব চাহিদা থেকে এর জন্ম হয়েছে। তাই একে রাতারাতি বিলুপ্ত করার চিন্তা যেমন বাস্তবসম্মত নয়, তেমনি নিয়ন্ত্রণহীনভাবে চলতে দেওয়াও গ্রহণযোগ্য নয়।
সমাধান নিষেধাজ্ঞার চরমতায় নয়, সুশৃঙ্খল ব্যবস্থাপনায়।
নিবন্ধন থাকবে, চালকের প্রশিক্ষণ থাকবে, নিরাপত্তা মান থাকবে, নির্দিষ্ট রুট থাকবে, অনুমোদিত চার্জিং ব্যবস্থা থাকবে এবং আইন ভাঙলে শাস্তিও থাকবে। একই সঙ্গে থাকবে চালকের জীবিকা ও সাধারণ যাত্রীর সাশ্রয়ী যাতায়াতের নিশ্চয়তা।
আমাদের লক্ষ্য হওয়া উচিত এমন একটি পরিবহন ব্যবস্থা, যেখানে ব্যাটারি রিকশা রাস্তার বিশৃঙ্খলার প্রতীক নয়, বরং পরিকল্পিত নগর পরিবহনের একটি নিরাপদ ও কার্যকর অংশ হয়ে উঠবে। এজন্য এখনই প্রয়োজন সুস্পষ্ট নীতি, সমন্বিত পরিকল্পনা এবং তার ধারাবাহিক বাস্তবায়ন।
লেখক: সাংবাদিক, কলামিস্ট ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক।
