বিপর্যয় মুক্ত উন্নয়ন ধারণাকে সামনে আনতে হবে
মানবসভ্যতা আজ এমন এক দুঃসময় অতিক্রম করছে, যখন একদিকে উন্নয়নের অভূতপূর্ব সম্ভাবনা, অন্যদিকে অস্তিত্বের নানা সংকট—দুটিই পাশাপাশি উপস্থিত। বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি আমাদের জীবনকে সহজ করেছে, উৎপাদনক্ষমতা বাড়িয়েছে এবং পৃথিবীকে অভূতপূর্বভাবে সংযুক্ত করেছে। কিন্তু একই সঙ্গে জলবায়ু পরিবর্তন, পরিবেশদূষণ, প্রাকৃতিক দুর্যোগ, দারিদ্র্য, বৈষম্য, খাদ্য ও জ্বালানি নিরাপত্তাহীনতা এবং যুদ্ধ মানবজাতির ভবিষ্যৎ নিয়ে গভীর উদ্বেগ সৃষ্টি করছে।
এই পরিস্থিতিতে আমাদের উন্নয়নের ধারণাকে নতুন করে সাজাতে হবে।
উন্নয়ন অবশ্যই চাই। কারণ ,দরিদ্র মানুষের জীবনমান উন্নত করতে হবে, কর্মসংস্থান সৃষ্টি করতে হবে, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবার সুযোগ বাড়াতে হবে, যোগাযোগব্যবস্থা ও অবকাঠামো গড়ে তুলতে হবে। কিন্তু এমন উন্নয়ন চাই না, যার জন্য ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে পরিবেশগত বিপর্যয়ের জন্য চরম মূল্য দিতে হবে।
আমাদের তাই নতুন একটি ধারণা গ্রহণ করতে হবে—কিভাবে বিপর্যয় মুক্ত উন্নয়ন করা যায়। উন্নয়ন চাই, তবে এমন উন্নয়ন, যা মানুষ ও প্রকৃতির সহাবস্থান নিশ্চিত করবে।
জলবায়ু পরিবর্তনের কঠিন বাস্তবতা
জলবায়ু পরিবর্তন এখন আর ভবিষ্যতের কোনো আশঙ্কা নয়; এটি বর্তমানের বাস্তবতা। তাপমাত্রা বৃদ্ধি, অনিয়মিত বৃষ্টিপাত, বন্যা, খরা, ঘূর্ণিঝড়, সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি, লবণাক্ততা এবং দীর্ঘস্থায়ী তাপপ্রবাহ বিশ্বের বহু অঞ্চলের জীবন ও অর্থনীতিকে প্রভাবিত করছে।
বাংলাদেশ এ সংকটের একটি গুরুত্বপূর্ণ উদাহরণ। ভৌগোলিক অবস্থান, বিস্তৃত বদ্বীপ অঞ্চল, অসংখ্য নদ-নদী এবং ঘনবসতির কারণে দেশটি বন্যা, নদীভাঙন, ঘূর্ণিঝড়, জলোচ্ছ্বাস, খরা ও লবণাক্ততার মতো বহু ঝুঁকির মুখোমুখি। সরকারি জলবায়ু-ঝুঁকি মূল্যায়নেও এসব ঝুঁকির পাশাপাশি দ্রুত নগরায়ণ, ভূগর্ভস্থ পানির ওপর চাপ এবং উপকূলীয় লবণাক্ততার বিষয়গুলো চিহ্নিত করা হয়েছে।
বিশ্বব্যাংকের হিসাব অনুযায়ী, বাংলাদেশে বন্যা ও নদীভাঙনে প্রতিবছর প্রায় এক মিলিয়ন মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়; কোনো কোনো বছরে এই সংখ্যা আরও অনেক বেশি হতে পারে।
অর্থাৎ আমাদের কাছে জলবায়ু পরিবর্তন কোনো দূরবর্তী আন্তর্জাতিক সম্মেলনের বিষয় নয়। এটি কৃষকের মাঠে, নদীর তীরে, উপকূলের গ্রামে এবং শহরের জলাবদ্ধ রাস্তায় প্রতিদিনের বাস্তবতা।
বাংলাদেশের উন্নয়ন: অর্জন আছে, ঝুঁকিও আছে
বাংলাদেশের উন্নয়নের গল্প নিঃসন্দেহে আশাব্যঞ্জক। দারিদ্র্য হ্রাস, বিদ্যুৎপ্রাপ্তি বৃদ্ধি, যোগাযোগব্যবস্থার উন্নতি, কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি, শিল্পায়ন এবং মানুষের গড় আয়ু বৃদ্ধিসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে দেশ উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জন করেছে।
দুর্যোগ মোকাবিলাতেও বাংলাদেশের অভিজ্ঞতা প্রশংসনীয়। বিশ্বব্যাংকের মূল্যায়ন অনুযায়ী, কয়েক দশকের ধারাবাহিক দুর্যোগ প্রস্তুতি ও জলবায়ু সহনশীলতায় বিনিয়োগের ফলে ১৯৭০ সালের তুলনায় ঘূর্ণিঝড়ে মৃত্যুর সংখ্যা প্রায় ১০০ গুণ কমানো সম্ভব হয়েছে।
এটি আমাদের জন্য গর্বের বিষয়।
কিন্তু সাফল্যকে ধরে রাখতে হলে এখন উন্নয়নের পরবর্তী ধাপে আরও সতর্ক হতে হবে। কারণ জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি বাড়ছে। বিশ্বব্যাংক বলছে, শক্তিশালী পদক্ষেপ না নিলে জলবায়ু পরিবর্তন বাংলাদেশের উন্নয়নের ধারাকে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে এবং সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবে দরিদ্র মানুষ।
অতএব প্রশ্ন হলো—আমরা কি শুধু দুর্যোগের পরে ত্রাণ দেব, নাকি দুর্যোগের ঝুঁকি কমিয়ে উন্নয়নের কাঠামো তৈরি করব?
ত্রাণের চেয়ে প্রতিরোধ গুরুত্বপূর্ণ
দুর্যোগের পর ত্রাণ অবশ্যই দরকার। ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়ানো রাষ্ট্র ও সমাজের নৈতিক দায়িত্ব। কিন্তু ত্রাণ কোনো স্থায়ী সমাধান নয়।
বন্যা হলে ত্রাণ দেওয়া হবে—কিন্তু কেন বারবার একই এলাকায় বন্যায় মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে, সেটিও দেখতে হবে। নদীভাঙনে মানুষ সর্বস্ব হারালে পুনর্বাসন করতে হবে—কিন্তু নদীর গতিপথ, তীর সংরক্ষণ এবং ভূমি ব্যবস্থাপনা নিয়ে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনাও থাকতে হবে।
বিশ্বব্যাংকও বাংলাদেশের ক্ষেত্রে দুর্যোগের পর প্রতিক্রিয়ার পাশাপাশি দুর্যোগের ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা ও সহনশীল অবকাঠামোর ওপর গুরুত্ব দেওয়ার কথা বলেছে।
আমাদের উন্নয়ন পরিকল্পনায় তাই একটি মৌলিক পরিবর্তন দরকার: দুর্যোগ মোকাবিলার চেয়ে দুর্যোগের ক্ষতি কমানোর ওপর বেশি গুরুত্ব দিতে হবে।
নগরায়ণ কি মানুষের জন্য, নাকি মানুষের বিরুদ্ধে?
বাংলাদেশে দ্রুত নগরায়ণ ঘটছে। মানুষ কর্মসংস্থান, শিক্ষা ও উন্নত জীবনের আশায় শহরে আসছে। এটি স্বাভাবিক এবং উন্নয়নের অংশ।
কিন্তু অপরিকল্পিত নগরায়ণ নতুন বিপদ তৈরি করতে পারে।
জলাধার ভরাট, খাল দখল, অপর্যাপ্ত ড্রেনেজ, সবুজ এলাকা কমে যাওয়া, অতিরিক্ত কংক্রিট এবং অপরিকল্পিত আবাসন শহরগুলোকে বৃষ্টির পানি ধারণ ও নিষ্কাশনের স্বাভাবিক ক্ষমতা থেকে বঞ্চিত করছে।
ঢাকার মতো দ্রুত বর্ধনশীল মহানগরে জলাবদ্ধতা তাই শুধু বৃষ্টির সমস্যা নয়; এটি পরিকল্পনার সমস্যাও।
একটি শহর যত বড় হবে, তার পরিকল্পনাও তত উন্নত হতে হবে। রাস্তা ও ভবন নির্মাণের পাশাপাশি খাল, জলাধার, খোলা জায়গা, পার্ক, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা এবং পানি নিষ্কাশনের বিষয়কে উন্নয়নের কেন্দ্রে আনতে হবে।
শুধু কংক্রিটের শহর উন্নত শহর নয়; বাসযোগ্য শহরই প্রকৃত উন্নত শহর।
নদ-নদীকে আমাদের বড় সম্পদ হিসেবে দেখতে হবে। কারণ, এর জল প্রবাহ আমাদের ভূমিকে করেছে সুজলা সুফলা শস্য শ্যামল। কখনও কখনও নদীগুলো বন্যার কারণ হলেও, আমাদের কৃষি, মৎস্য, নৌপরিবহন, ভূগর্ভস্থ পানির পুনর্ভরণ ও জীববৈচিত্র্যের জন্য নদীগুলো অপরিহার্য। তাই নদী নিয়ন্ত্রণের নামে নদীর স্বাভাবিক প্রবাহকে অস্বীকার করা যাবে না।
নদী ব্যবস্থাপনা হতে হবে বৈজ্ঞানিক, সমন্বিত ও দীর্ঘমেয়াদি। নদী, খাল, হাওর, বিল, জলাভূমি ও উপকূলকে আলাদা আলাদা বিষয় হিসেবে দেখলে চলবে না। এগুলো একই জল-প্রকৃতির অংশ।
বাংলাদেশের দীর্ঘমেয়াদি উন্নয়নের ক্ষেত্রে পানি ও ভূমি ব্যবস্থাপনার গুরুত্ব বিবেচনা করে বাংলাদেশ ডেল্টা প্লান ২১০০-এর মতো দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনাকে কার্যকরভাবে বাস্তবায়ন করা জরুরি। বিশ্বব্যাংকও বাংলাদেশের জল ও ভূমি সম্পদের টেকসই ব্যবস্থাপনার সঙ্গে দীর্ঘমেয়াদি উন্নয়ন পরিকল্পনার সমন্বয়ের ওপর গুরুত্ব দিয়েছে।
উন্নয়ন ও পরিবেশ—দুটোই চাই
কখনো কখনো এমন ধারণা তৈরি হয় যে পরিবেশ রক্ষা করতে হলে উন্নয়ন থামিয়ে দিতে হবে। এটি সঠিক নয়।
বাংলাদেশের মতো উন্নয়নশীল দেশের জন্য উন্নয়ন থামিয়ে দেওয়া কোনো সমাধান নয়। আমাদের শিল্পায়ন দরকার, বিদ্যুৎ দরকার, সড়ক দরকার, বন্দর দরকার, কর্মসংস্থান দরকার।
কিন্তু এগুলো করতে হবে পরিবেশগত দায়িত্ববোধ মাথায় রেখে।
একটি শিল্পপ্রকল্প কত কর্মসংস্থান সৃষ্টি করবে—এটি যেমন দেখতে হবে, তেমনি দেখতে হবে প্রকল্পটি নদী বা কৃষিজমির কি পরিমাণ ক্ষতি করবে। একটি নতুন সড়ক কত মানুষকে যুক্ত করবে—তার পাশাপাশি দেখতে হবে এটি পানি প্রবাহের স্বাভাবিক পথ বন্ধ করবে কি না।
অর্থাৎ প্রতিটি উন্নয়ন প্রকল্পের আগে প্রশ্ন হওয়া উচিত:
এটি আজ আমাদের কী দেবে, আর আগামী প্রজন্মের কাছ থেকে কী নিয়ে নেবে?
যুদ্ধের অর্থ উন্নয়নে ব্যয় করা যায় না?
আরেকটি প্রশ্নও আমাদের করতে হবে।
যে পৃথিবীতে কোটি কোটি মানুষ দারিদ্র্য, ক্ষুধা ও জলবায়ু ঝুঁকির সঙ্গে লড়ছে, সেখানে শক্তিশালী রাষ্ট্রগুলো কেন বিপুল অর্থ যুদ্ধের প্রস্তুতিতে ব্যয় করবে?
রাষ্ট্রের নিরাপত্তা অবশ্যই গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু নিরাপত্তাকে শুধু অস্ত্রের শক্তি দিয়ে বিচার করলে তো চলবে না।
যে দেশে মানুষ খাদ্য, বিশুদ্ধ পানি, শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও বাসস্থানের নিরাপত্তা থেকে বঞ্চিত, সে দেশও কি নিরাপত্তাহীন নয়?
একটি নদী যখন ভেঙে একটি পরিবারকে নিঃস্ব করে, সেটিও নিরাপত্তার প্রশ্ন। একটি কৃষক যখন খরা বা বন্যায় ফসল হারান,
সেটিও নিরাপত্তার প্রশ্ন। একটি শহর যখন দূষিত বায়ুতে শ্বাস নিতে বাধ্য হয়, সেটিও নিরাপত্তার প্রশ্ন।
মানবনিরাপত্তা ও জাতীয় নিরাপত্তা পরস্পর বিচ্ছিন্ন নয়।
যুদ্ধের জন্য ব্যয় করা বিপুল সম্পদের একটি অংশ যদি জলবায়ু অভিযোজন, দারিদ্র্য হ্রাস, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, নবায়নযোগ্য জ্বালানি ও দুর্যোগ-সহনশীল অবকাঠামোতে বিনিয়োগ করা যেত, তাহলে পৃথিবী হয়তো অনেক বেশি নিরাপদ হতো।
বাংলাদেশের অভিজ্ঞতা বিশ্বের জন্য শিক্ষণীয়
বাংলাদেশ শুধু জলবায়ু ঝুঁকির দেশ নয়; এটি অভিযোজনেরও একটি গুরুত্বপূর্ণ উদাহরণ।
ঘূর্ণিঝড়ের আগাম সতর্কতা, আশ্রয়কেন্দ্র, উপকূলীয় বাঁধ, স্থানীয় জনগণের অংশগ্রহণ এবং দুর্যোগ প্রস্তুতিতে কয়েক দশকের অভিজ্ঞতা বাংলাদেশকে অনেক দূর এগিয়ে দিয়েছে। একই সঙ্গে সরকার ২০২৩–২০৫০ সময়কালের জন্য National Adaptation Plan গ্রহণ করেছে।
এখন আমাদের লক্ষ্য হওয়া উচিত—এই অভিজ্ঞতাকে আরও উন্নত করা এবং উন্নয়নের প্রতিটি স্তরে জলবায়ু ঝুঁকি বিবেচনা করা।
আমাদের সামনে যে পথ
আমরা উন্নয়ন চাই। কিন্তু এমন উন্নয়ন চাই না, যার একটি অংশ অর্জন করতে গিয়ে অন্য অংশ ধ্বংস করতে হয়।
আমরা শিল্পায়ন চাই, কিন্তু নদী ধ্বংস করে নয়।
আমরা নগরায়ণ চাই, কিন্তু জলাধার ভরাট করে নয়।
আমরা অবকাঠামো চাই, কিন্তু পরিবেশকে বিপন্ন করে নয়।
আমরা অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি চাই, কিন্তু ভবিষ্যৎ প্রজন্মের অধিকার নষ্ট করে নয়।
আমাদের উন্নয়নের দর্শন হতে হবে—আজকের মানুষের জীবনমান উন্নত করা এবং একই সঙ্গে আগামী প্রজন্মের জীবনকে নিরাপদ রাখা।
এটি শুধু বাংলাদেশের জন্য নয়, সমগ্র বিশ্বের জন্য প্রযোজ্য।
পৃথিবী আমাদের সবার। জলবায়ু সবার। নদী, সমুদ্র, বাতাস ও প্রকৃতির বহু সম্পদ কোনো দেশের একক সম্পত্তি নয়। তাই সংকটও আমাদের সবার, গোটা মানব জাতির। সমাধানও করতে হবে সম্মিলিত ভাবে।
উন্নত মানবসভ্যতার দাবি করতে চাইলে শুধু উৎপাদন ও ভোগের আধিক্য কিংবা সামরিক শক্তির শ্রেষ্ঠত্ব বিচার করলে চলবে না। দেখতে হবে— সার্বিক উন্নয়ন মানুষের জীবনকে কতটা নিরাপদ করেছে এবং পৃথিবীকে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য কতটা বাসযোগ্য রেখেছে।
উন্নয়ন থামানো যাবে না। কিন্তু উন্নয়নের পথ বদলাতে হবে। দুর্যোগোত্তর ক্ষতিপূরণ দেওয়ার সংস্কৃতি থেকে বেরিয়ে এসে দুর্যোগের আগেই ঝুঁকি কমানোর সংস্কৃতির বিকাশ ঘটাতে হবে। সামরিক প্রস্তুতির পাশাপাশি শান্তির জন্য বিনিয়োগ করতে হবে। প্রকৃতিকে জয় করার পরিবর্তে প্রকৃতির সঙ্গে সহাবস্থান করতে হবে।
আমরা কত উঁচু ভবন নির্মাণ করেছি, কত বড় অর্থনীতি গড়েছি কিংবা কত শক্তিশালী অস্ত্র তৈরি করতে সক্ষম হয়েছি শেষ পর্যন্ত এসব দিয়ে সভ্যতার সাফল্য বিচার করা হবেনা। বস্তুত, আমরা আমাদের সন্তানদের জন্য কেমন পৃথিবী রেখে যাচ্ছি, তার নিরিখেই আমাদের উন্নয়নের সাফল্য বিবেচিত হবে।
আমাদের উন্নয়ন চাই, সমৃদ্ধি চাই, নিরাপত্তা চাই—কিন্তু চাই এমন উন্নয়ন, যা দুর্যোগ ডেকে আনবে না। আমরা বিপর্যয় মুক্ত বিশ্ব চাই।
লেখক: ইংরেজি দৈনিক দি নিউ নেশন -এর উপদেষ্টা সম্পাদক।
