সাম্প্রতিক
এআইইউবি’র ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান ড. হাসানুল এ. হাসান, ভাইস চেয়ারম্যান ইশতিয়াক আবেদীন ডেঙ্গুতে বাড়ছে মৃত্যু, সেপ্টেম্বরের ১৩ দিনেই ৬০ প্রাণহানি যুক্তরাজ্য ভেঙে দিতে চায় তিন দেশ, ফার্স্ট মিনিস্টারদের চুক্তি বিদ্যুতে লুটপাট: ১৭ বছরে পরিশোধ ২,৮৯,৯৪৯ কোটি টাকার ক্যাপাসিটি চার্জ! ডাকসুতে জিন্নাহ’র ছবি প্রদর্শনকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে: ঢাবি কর্তৃপক্ষ ঢাকা দক্ষিণে সাদিক কায়েম, উত্তরে সেলিম উদ্দিনকে মেয়র প্রার্থী করল জামায়াত ব্যাংকে কোটি টাকার হিসাব ছাড়াল ১ লাখ ৪১ হাজার হরমুজ বন্ধের খবরে তেলের দাম বাড়ছে হু হু করে ময়মনসিংহ মেডিকেলে আগুন, আতঙ্কে পদদলিত হয়ে শিশুসহ নিহত ৬ টানাপোড়েনের মধ্যেও বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক রাখতে চায় ভারত
Skip to content

এনডিটিভির প্রতিবেদন

টানাপোড়েনের মধ্যেও বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক রাখতে চায় ভারত

ছবি: সংগৃহীত

বাংলাদেশের ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অবস্থান নিয়ে মতপার্থক্য এবং বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সম্ভাব্য ভারত সফর স্থগিত হওয়ার মতো নানা জটিলতা থাকলেও ঢাকার সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক রাখতে আগ্রহী ভারত।

রাজনৈতিক টানাপোড়েনের বাইরে দুই দেশের সাধারণ মানুষের মধ্যে বিদ্যমান সুসম্পর্ক ও পারস্পরিক যোগাযোগ বজায় রাখাকে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে নয়াদিল্লি। এ কারণে রাজনৈতিক অস্বস্তি থাকলেও দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক এগিয়ে নেওয়ার বিষয়ে আলোচনা অব্যাহত রয়েছে।

তারেক রহমান পূর্বনির্ধারিত ভারত সফর স্থগিত রাখলেও দুই দেশের মধ্যে যোগাযোগ ও আলোচনা থেমে নেই। ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি তাকে দ্বিপক্ষীয় সফরের পাশাপাশি ব্রিকস সম্মেলনে অংশ নেওয়ার আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন। তবে পরে ওই সফর স্থগিত রাখা হয়।

এর মধ্যেই ঢাকায় নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী জানিয়েছেন, রাজনীতি নিজস্ব গতিতে চললেও দুই দেশের মানুষের আশা-আকাঙ্ক্ষাকেই অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে। সম্প্রতি তিনি ঢাকায় উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান এবং পানি সম্পদমন্ত্রী শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানির সঙ্গে বৈঠক করেছেন।

অন্যদিকে, বাংলাদেশের বর্তমান প্রশাসনও ব্যবসা-বাণিজ্য, পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও সহযোগিতার ভিত্তিতে ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক আরও এগিয়ে নেওয়ার বিষয়ে ইতিবাচক মনোভাব প্রকাশ করেছে।

বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্কের ক্ষেত্রে অভিন্ন নদীর পানি বণ্টনও একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। বিশেষ করে ১৯৯৬ সালে স্বাক্ষরিত ঐতিহাসিক গঙ্গা পানি বণ্টন চুক্তির মেয়াদ আগামী ডিসেম্বরেই শেষ হতে যাচ্ছে। চুক্তিটি নবায়নকে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের ভবিষ্যতের জন্য অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হিসেবে দেখছে বাংলাদেশ।

ঢাকার পক্ষ থেকে স্পষ্ট করা হয়েছে, গঙ্গা পানি বণ্টন চুক্তির নবায়ন দুই দেশের সম্পর্কের ভবিষ্যৎ গতিপথ নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। ফলে রাজনৈতিক টানাপোড়েনের মধ্যেও ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কের ক্ষেত্রে সাধারণ মানুষের যোগাযোগ, বাণিজ্য এবং অভিন্ন নদীর পানিবণ্টনের মতো বিষয়গুলোকে সামনে রেখে এগিয়ে যাওয়ার চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।

এনএনবাংলা/