সাম্প্রতিক
আদালতের রায় বা আদেশের বিরুদ্ধে হরতাল-ধর্মঘট অবৈধ: হাইকোর্ট স্থানীয় সরকার নির্বাচনে শিক্ষাগত যোগ্যতা লাগবে না: প্রতিমন্ত্রী শাহে আলম গুলশানে আওয়ামী লীগের মিছিল, গ্রেপ্তার আরও ৪০ জোর করে শিক্ষকের পদত্যাগের বৈধতা নেই, পুনর্বহালের নির্দেশ হাইকোর্টের ৫০০ টাকার ভারত-মিয়ানমারের ইলিশ ‘পদ্মার’ নামে বিক্রি ১৪০০-১৮০০ টাকায় খালি ‘ইন্ডিয়া ইন্ডিয়া’ না করে নিজের দেশের চিন্তা করেন: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ফারইস্টের নজরুলের ৫৭ কোটি ৬১ লাখ টাকার সম্পদ ক্রোক, যুক্তরাষ্ট্রে বাড়ির খোঁজে দুদক চাঁদের ছবিতে মার্কিন পতাকা, ট্রাম্প লিখলেন ‘চাঁদ আমাদের’ ঢাকা সিটিতে এনসিপির প্রার্থী ঘোষণা, উত্তরে আসিফ মাহমুদ-দক্ষিণে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী ভারতকে টপকে বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম বাণিজ্য অংশীদার এখন যুক্তরাষ্ট্র
Skip to content

বিদ্যুতে লুটপাট: ১৭ বছরে পরিশোধ ২,৮৯,৯৪৯ কোটি টাকার ক্যাপাসিটি চার্জ!

ছবি: নিউ নেশন অনলাইন

২০০৯ সাল থেকে ২০২৬ সাল পর্যন্ত বিদ্যুৎ খাতে অনিয়ম ও অস্বাভাবিক চুক্তির কারণে শুধু ‘ক্যাপাসিটি চার্জ’ বাবদ রাষ্ট্রীয় কোষাগার থেকে ২ লাখ ৮৯ হাজার ৯৪৯ কোটি টাকা পরিশোধ করতে হয়েছে বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত। তিনি এই অর্থের পরিমাণকে অত্যন্ত অস্বাভাবিক ও অন্যায্য হিসেবে উল্লেখ করেছেন।

সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের উপস্থিতিতে ব্যবসায়ী ও মিডিয়া ব্যক্তিত্বদের নিয়ে আয়োজিত এক ব্রিফিংয়ে তিনি এ তথ্য জানান। বৈঠক সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

ব্রিফিংয়ে দেশের জ্বালানি খাতের বিদ্যমান কাঠামোগত দুর্বলতা ও ভঙ্গুরতার জন্য সরাসরি বিগত আওয়ামী লীগ সরকার ও শেখ হাসিনার নীতিকে দায়ী করেন বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী। তিনি বলেন, বিগত সরকারের ভুল নীতি, সিদ্ধান্তহীনতা এবং দূরদর্শিতার চরম অভাবের কারণেই বর্তমান সংকটজনক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে।

বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী আরও অভিযোগ করেন, ‘বিদ্যুৎ ও জ্বালানির দ্রুত সরবরাহ বৃদ্ধি (বিশেষ বিধান) আইন, ২০১০’ ব্যবহার করে তৎকালীন সরকার কতিপয় স্বার্থান্বেষী গোষ্ঠীকে অনৈতিক ও অহেতুক বিশেষ সুবিধা দিয়েছিল।

তিনি জানান, ইতোমধ্যে বিদ্যুৎ বিক্রয় চুক্তি (পিএএ) পুনর্মূল্যায়নের মাধ্যমে ১৯টি বিদ্যুৎকেন্দ্রের ট্যারিফ বা বিদ্যুতের মূল্য উল্লেখযোগ্য হারে কমানো হয়েছে। একই বিষয়ে আরও ৫১টি বিদ্যুৎকেন্দ্রের সঙ্গে চূড়ান্ত দরকষাকষি চলছে।

এ ছাড়া যেসব বিদ্যুৎকেন্দ্রের চুক্তির মেয়াদ শেষ পর্যায়ে রয়েছে, সেগুলোর ক্ষেত্রে ‘নো ইলেকট্রিসিটি, নো পেমেন্ট’ নীতি কঠোরভাবে বাস্তবায়নের সিদ্ধান্তের কথা জানান বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী। অর্থাৎ কোনো বিদ্যুৎকেন্দ্র অলস বা বিদ্যুৎ উৎপাদন না করে বসে থাকলে সেই কেন্দ্রকে কোনো ক্যাপাসিটি চার্জ দেওয়া হবে না।

এনএনবাংলা/