সাম্প্রতিক
২৫ বছর আগে ১ অক্টোবরের নির্বাচনে যেভাবে বড় জয় পেয়েছিল বিএনপি অপারেশন ক্লিন হার্টের মতো ‘অভিযান’ চালানোর পরিকল্পনা নেই সরকারের: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বিএনপির এমপি মিষ্টির পদত্যাগপত্র গৃহীত, সংরক্ষিত নারী আসন-২৩ শূন্য ঘোষণা ক্যালিফোর্নিয়ায় বাল্যবিবাহ নিষিদ্ধ, যুক্তরাষ্ট্রের ৩২ অঙ্গরাজ্যে কেন নয়? চট্টগ্রাম বন্দরের এনসিটি ১৫ বছর চালাবে বিদেশি অপারেটর, চুক্তি অনুমোদন অক্টোবরে ডেঙ্গু পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হওয়ার শঙ্কা ৪৬ হাজার কোটি টাকায় মেট্রোরেলের ভূগর্ভস্থ-উড়ালপথ নির্মাণের অনুমোদন ৪৫৯২ জনবল নিয়ে সাইবার পুলিশ ইউনিটের যাত্রা শুরু, থাকবেন ডার্ক ওয়েব ও ক্রিপ্টো অ্যানালিস্ট অবরোধে অস্থির ফ্রান্স: শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে, বন্ধ ১৬০টির বেশি স্কুল একটি দলের ‘অপশক্তি’ অরাজকতা সৃষ্টির পাঁয়তারা করছে: প্রধানমন্ত্রী
Skip to content

গ্রিসে যাওয়ার পথে ভূমধ্যসাগরে ৯ বাংলাদেশির মৃত্যু

ছবি: সংগৃহীত

ভূমধ্যসাগর পাড়ি দিয়ে ঝুঁকিপূর্ণভাবে গ্রিসে যাওয়ার চেষ্টায় ৯ বাংলাদেশির মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় মিসরের মারসা মাতরুহ হাসপাতালে আরও ২৯ বাংলাদেশি চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

স্থানীয় সময় রোববার (১৬ আগস্ট) বাংলাদেশ দূতাবাস কায়রো এ তথ্য জা‌নি‌য়ে‌ছে।

দূতাবাসের তথ্য অনুযায়ী, মানব পাচারকারী একটি চক্রের সহায়তায় লিবিয়ার টোব্রুক থেকে গ্রিসের উদ্দেশে ভূমধ্যসাগর পাড়ি দেওয়ার সময় একটি নৌকা পথ হারিয়ে মিসরের মারসা মাতরুহ উপকূলে পৌঁছায়। পরে স্থানীয় পুলিশ নৌকাটিতে থাকা অভিবাসীদের উদ্ধার করে।

উদ্ধার হওয়া ২৯ জনের মধ্যে ১৮ জনকে গুরুতর অসুস্থ ও অচেতন অবস্থায় পাওয়া যায়। খাবার ও পানি ছাড়া প্রায় ১১ দিন সাগরে ভেসে থাকার পর মিসরের মারসা মাতরুহ উপকূলে পৌঁছায় ভাসতে থাকা নৌকাটি। পরে তাদের চিকিৎসার জন্য মারসা মাতরুহ জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

ঘটনার খবর পাওয়ার পর কায়রোয় বাংলাদেশ দূতাবাসের শ্রমবিষয়ক প্রথম সচিব স্থানীয় পুলিশ ও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। পুলিশ দূতাবাসকে জানায়, বর্তমানে ২৯ জন অভিবাসী হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন।

হাসপাতালের এক কর্মীর সহযোগিতায় দূতাবাসের কর্মকর্তারা পরে আহত এক বাংলাদেশি নাগরিক আবদুল করিমের সঙ্গে ফোনে কথা বলেন। তাঁর দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ৩৮ বাংলাদেশি ও ৪ সুদানি নাগরিকসহ মোট ৪২ জন গত ৩ আগস্ট টোব্রুক থেকে গ্রিসের উদ্দেশে যাত্রা করেন।

তারা একটি রাবারের নৌকায় করে সমুদ্রপথে রওনা দিয়েছিলেন। নৌকাটিতে একটি দ্রুতগতির নৌযানের ইঞ্জিন থাকলেও সঠিক দিকনির্দেশনা দেওয়ার কোনো ব্যবস্থা ছিল না। ফলে দীর্ঘ সমুদ্রযাত্রায় নৌকাটি পথ হারিয়ে ফেলে এবং শেষ পর্যন্ত মিসরের উপকূলে পৌঁছায়।

ঘটনাটি আবারও ভূমধ্যসাগর পাড়ি দিয়ে ইউরোপে পৌঁছানোর ঝুঁকিপূর্ণ প্রবণতার ভয়াবহ দিক সামনে এনেছে। উন্নত জীবনের আশায় অনেক বাংলাদেশি অবৈধ পথে ইউরোপে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। এই যাত্রায় মানব পাচারকারী চক্রের ওপর নির্ভর করতে গিয়ে তাদের অনেকেই অরক্ষিত নৌযানে সমুদ্র পাড়ি দিতে বাধ্য হন।

মিসরের উপকূলে উদ্ধার হওয়া বাংলাদেশিদের পরিচয়, তাঁদের শারীরিক অবস্থা এবং মৃতদের পরিচয় নিশ্চিত করার পাশাপাশি পরবর্তী সময়ে তাঁদের দেশে ফেরানোর প্রক্রিয়াও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। দূতাবাস স্থানীয় কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ রেখে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে।

এনএনবাংলা/এফএস