সাম্প্রতিক
দুর্গোৎসব শুরু হচ্ছে আগামীকাল কাশ্মীরের সব মসজিদে একই খুতবার প্রস্তাব, সরকারি হস্তক্ষেপে ক্ষোভ আইএমএফের নতুন ঋণ পেতে শর্ত পূরণ করতে হবে: অর্থমন্ত্রী ঢাকা থেকে রিয়াদ ও দাম্মাম রুটে বিমানের সব ফ্লাইট স্থগিত মালয়েশিয়ায় ১০ হাজার কর্মী নিয়োগের ঘোষণা বাংলাদেশের ভিউয়ের জন্য অন্যকে অপমান কেন? প্রশ্ন মেহজাবীনের ভারতে ‘বাংলাদেশের মত নৈরাজ্য’ সৃষ্টির চেষ্টা করছেন রাহুল গান্ধী: বিজেপি মুখপাত্র সাবেক এসবি প্রধান মনিরুল ও তার পরিবারের ৮৩ ব্যাংক হিসাব ফ্রিজ বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ‘গভর্নিং বডি ও ম্যানেজিং কমিটি’ গঠনের কার্যক্রম স্থগিত পর্যটকদের জন্য খুলে দেওয়া হলো সাজেক, ভ্রমণে বাধা নেই
Skip to content

আন্তর্জাতিক প্রবীণ দিবস আজ

ছবি: সংগৃহীত

আজ বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) ৩৬তম আন্তর্জাতিক প্রবীণ দিবস। প্রবীণদের অবদানকে সম্মান জানাতে প্রতিবছর এ দিনে বিশ্বজুড়ে পালিত হয় আন্তর্জাতিক প্রবীণ দিবস। এ দিবসের মূল লক্ষ্য হলো প্রবীণদের সমস্যা, সম্ভাবনা ও অধিকার সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি করা।

এ বছর দিবসটির প্রতিপাদ্য হচ্ছে-‘স্থানীয় ও বৈশ্বিক উদ্যোগে প্রবীণদের ভূমিকা: আমাদের আশা, আমাদের মঙ্গল, আমাদের অধিকার’। এ প্রতিপাদ্যের মূল বক্তব্য হচ্ছে– প্রবীণরা সমাজের নিষ্ক্রিয় সদস্য নন, তারা সক্রিয় অবদানকারী। তাদের আকাঙ্ক্ষা, সুস্থতা এবং অধিকারকে গুরুত্ব দিতে হবে।

জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে ১৯৯০ সালের ১৪ ডিসেম্বর প্রতিবছর বিশ্বব্যাপী ০১ অক্টোবর আন্তর্জাতিক প্রবীণ দিবস পালনের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। প্রবীণদের সুরক্ষা এবং অধিকার নিশ্চিতের পাশাপাশি বার্ধক্যের সমস্যা ও প্রতিকারের বিষয়ে বিশ্বব্যাপী গণসচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে ১৯৯১ সাল থেকে বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও ১৯৯১ সাল থেকে দিবসটি পালিত হয়ে আসছে।

দিবসটি উপলক্ষে সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অধীন সমাজসেবা অধিদপ্তর বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। এর মধ্যে রয়েছে র‌্যালি, আলোচনা সভা, জাতীয় পত্রিকায় বিশেষ ক্রোড়পত্র প্রকাশ, মোবাইল অপারেটরদের মাধ্যমে প্রবীণদের মর্যাদা বিষয়ে ক্ষুদেবার্তা পাঠানো, ইলেকট্রনিক মিডিয়ায় প্রচার এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক প্রচারণা।

দিবসটি উপলক্ষে দেওয়া বাণীতে রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশের প্রবীণ নাগরিকদের আন্তরিক শুভেচ্ছা জানিয়ে বাণী দিয়েছেন। প্রবীণ নাগরিকদের শুভেচ্ছা জানিয়ে রাষ্ট্রপতি বলেন, প্রবীণদের কল্যাণে সরকার, বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, সামাজিক ও জনহিতৈষী সংগঠন, বিত্তবান ব্যক্তি এবং পরিবারকে আরও সক্রিয় ভূমিকা পালন করতে হবে। প্রবীণদের প্রতি ভালোবাসা, তাদের হাসিমুখ ও নিরাপদ বার্ধক্য নিশ্চিত করাকে অঙ্গীকার হিসেবে নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

প্রধানমন্ত্রীও দেশের প্রবীণ নাগরিকদের প্রতি শ্রদ্ধা ও শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। তিনি বলেন, প্রবীণরা পরিবার ও সমাজের ভিত্তি। তাদের ত্যাগ, অভিজ্ঞতা ও প্রজ্ঞার ওপর দাঁড়িয়েই বর্তমান বাংলাদেশ গড়ে উঠেছে। একটি কল্যাণমূলক, ন্যায়ভিত্তিক ও মানবিক বাংলাদেশ গড়ে তুলতে প্রবীণ জনগোষ্ঠীর প্রতি যত্নশীল দৃষ্টিভঙ্গি অপরিহার্য।

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্র-তিন স্তরেই প্রবীণদের প্রতি সম্মান, সহানুভূতি ও দায়িত্বশীলতার চর্চা অব্যাহত রাখা জরুরি। তাদের স্বাস্থ্যসেবা, সামাজিক নিরাপত্তা, আর্থিক স্থিতিশীলতা এবং সমাজে সক্রিয় অংশগ্রহণের সুযোগ নিশ্চিত করতে জীবনচক্রভিত্তিক সামাজিক সুরক্ষা ব্যবস্থা আরও শক্তিশালী করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

দিবসটি উপলক্ষে দেশের সব জেলা ও উপজেলা সমাজসেবা কার্যালয়ে স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় করে সেবাগ্রহীতা ও অংশীজনদের নিয়ে যথাযথ মর্যাদায় প্রবীণ দিবস পালনের নির্দেশনা দিয়েছে সমাজসেবা অধিদপ্তর।

এনএনবাংলা/এফএস