সাতক্ষীরায় গাজী নজরুলের দ্বিতীয় স্ত্রী মরিয়মের দাফন সম্পন্ন

সাতক্ষীরার শ্যামনগরে সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামের দ্বিতীয় স্ত্রী মরিয়ম খাতুনের (১৯) দাফন সম্পন্ন হয়েছে।
সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাত ১টার দিকে গাবুরা ইউনিয়নের সরদার পাড়ায় পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়।
গতকাল (সোমবার) বিকেলে ঢাকা থেকে নিহত মরিয়মের মরদেহ বহনকারী অ্যাম্বুলেন্সটি রওনা হয়ে খুলনার কয়রা কাশিরহাটখোলায় আসে। এরপর নদীপথে ট্রলারযোগে সাতক্ষীরার গাবুরায় নিজ বাড়িতে রাত সাড়ে ১১টার দিকে মরদেহ এসে পৌঁছায়।
পুলিশি নিরাপত্তা ও স্থানীদের সহয়তায় মরদেহ এসে পৌঁছালে দেরি না করে জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে দাদা-দাদির কবরের পাশেই মরিয়মের দাফন সম্পন্ন হয়।
স্থানীয় সাবেক গ্রাম পুলিশ সদস্য গোলাম রহমান জানান, ‘মেয়েটি ছোটবেলা থেকেই ঢাকায় থাকত। শুনতাম লেখাপড়া করছে, এসএসসি পরীক্ষাও দিয়েছিল। কিন্তু এত অল্প বয়সে এমন একটি দুর্ঘটনা মানতে পারছি না।’
রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের ন্যাম ভবনের একটি ফ্ল্যাট থেকে গেল রবিবার সন্ধ্যায় মরিয়মের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।
এ ঘটনায় তার বাবা মাসুম বিল্লাহ আত্মহত্যায় প্ররোচণার অভিযোগে শেরেবাংলা নগর থানায় একটি মামলা করেছেন। মামলায় মরিয়মের স্বামী সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলাম, তার প্রথম স্ত্রী মাকসুদা বেগম ও মরিয়মের মামা ওবায়দুর রহমানকে আসামি করা হয়।
মামলা রেকর্ডের পর পুলিশ গাজী নজরুল ও মাকসুদাকে গ্রেপ্তার করে আদালতে হাজির করা হলে শুনানি শেষে তাদের যথাক্রমে ৪ দিন ও ১ দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত। মামলার অন্য আসামি মামা ওবায়দুর রহমান পলাতক রয়েছেন।
এর আগে, তাদের ব্যক্তিগত ভিডিও ভাইরাল হলে মরিয়মকে দ্বিতীয় স্ত্রীর মর্যাদা দেন এমপি গাজী নজরুল ইসলাম। পরে পারিবারিক নির্যাতনের অভিযোগে সুইসাইড নোট রেখে আত্মহত্যা করেন মরিয়ম।
এনএনবাংলা/এফএস
