বাগেরহাটে বস্তাবন্দি শিশুর গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার, আটক ৩

বাগেরহাটের কচুরিয়ার বরাজের পাশ থেকে বস্তাবন্দি এক শিশুর গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় স্থানীয়রা একজন কে সন্দেহ করে তার বাড়ি ও পানবরজে আগুন দিয়েছেন। এ সময় সন্দেহের তালিকায় আছে এমন তিনজনকে হেফাজতে নিয়েছে পুলিশ।
গতকাকাল রাতে উপজেলার কোদালিয়া ইউনিয়নের কচুড়িয়া মধ্যপাড়া এলাকায় একটি মাছের ঘেরের পাড় থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। নিহত মুসলিমা খাতুন কচুড়িয়া গ্রামের ইসলাম শেখের মেয়ে। স্থানীয় একটি মাদরাসার শিক্ষার্থী ছিল সে।
স্থানীয়রা জানান, মুসলিমা বাড়ির আশেপাশেই অন্য শিশুদের সঙ্গে খেলছিল , হঠাৎ তাকে আর খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না। কিছুক্ষণ পরই পরিবারের সদস্য ও স্থানীয়রা বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। একপর্যায়ে পানবরজের পাশে বস্তার মধ্যে শিশুটির মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন স্থানীয় বাসিন্দারা।খবর পেয়ে মোল্লাহাট থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে বস্তাবন্দি মরদেহটি উদ্ধার করে।
মরদেহ উদ্ধারের পর স্থানীয় বাসিন্দারা হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত আছে বলে সন্দেহ করে এক ব্যক্তির বাড়ি ও একটি পানবরজে আগুন দিয়েছেন। এ ঘটনায় সন্দেহভাজন তিনজনকে হেফাজতে নিয়েছে পুলিশ।
বাগেরহাটের পুলিশ সুপার মো. জামিরুল ইসলাম বলেন, শিশুটিকে গলা কেটে বস্তায় মুড়িয়ে পাড়ে ফেলে রাখা হয়েছে। তবে কারা এবং কী কারণে শিশুটিকে হত্যা করেছে, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
তিনি আরও জানান, ঘটনার বিষয়ে তদন্ত চলছে। এ ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়াও চলছে।
এনএনবাংলা/ইএস
