সাম্প্রতিক
বাংলাদেশের সঙ্গে মুক্ত বাণিজ্য চুক্তির সম্ভাবনা খতিয়ে দেখছে ইইউ: মাইকেল মিলার আখতারুজ্জামানের জামিন মেলেনি, কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ এলপিজি ১২ কেজি সিলিন্ডারের দাম বাড়ল ২৫২ টাকা সেপ্টেম্বরে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ৪২৩, প্রতিদিন গড়ে ১৪ জন ভারত-পাকিস্তানের চেয়ে বেশি দিন বাঁচেন বাংলাদেশিরা: ডব্লিউএইচও ‘শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণে আদালতের পাশাপাশি ভারতের রাজনৈতিক সদিচ্ছাও প্রয়োজন’ এখনই বন্ধ হচ্ছে না পদ্মা ব্যাংক দেশে ৩৯৩৮ ভবন ঝুঁকিপূর্ণ, অতি ঝুঁকিতে ৬২২টি ‘৭ শর্ত মানলেই খুলবে হরমুজ’, যুক্তরাষ্ট্রকে ইরানের সাফ বার্তা এবার অটোগ্যাসের দামও বাড়াল বিইআরসি
Skip to content

জরুরি ৬ লাখ টন সার আমদানিতে ৩০ কোটি ডলার ঋণ দিচ্ছে বিশ্বব্যাংক

ছবি: নিউ নেশন অনলাইন

জরুরি সার আমদানিতে বাংলাদেশকে ৩০ কোটি ডলার ঋণ দিচ্ছে বিশ্বব্যাংক। দেশীয় মুদ্রায় এর পরিমাণ প্রায় ৩ হাজার ৭০০ কোটি টাকা। এই অর্থ দিয়ে মোট ৬ লাখ টন সার আমদানি করা হবে। বিশেষ করে ক্ষুদ্র কৃষকদের জন্য সারের সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং কৃষি উৎপাদন নির্বিঘ্ন রাখাই এ উদ্যোগের মূল লক্ষ্য।

এ লক্ষ্যে সোমবার অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ (ইআরডি) ও বিশ্বব্যাংকের মধ্যে একটি চুক্তি সই হয়েছে। রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে পরিকল্পনা কমিশনে ইআরডির কার্যালয়ে আয়োজিত অনুষ্ঠানে সরকারের পক্ষে চুক্তিতে সই করেন ইআরডি সচিব মো. শাহরিয়ার কাদের ছিদ্দিকী। বিশ্বব্যাংকের পক্ষে সই করেন সংস্থাটির বাংলাদেশ ও ভুটানবিষয়ক পরিচালক জ্যঁ পেম।

‘ইমার্জেন্সি সাপোর্ট ফর ফুড সিকিউরিটি’ প্রকল্পের আওতায় বিশ্বব্যাংক গ্রুপের অঙ্গপ্রতিষ্ঠান আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থা (আইডিএ) এ ঋণ দিচ্ছে। অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগের অধীনে বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন করপোরেশন (বিএডিসি) ও বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ করপোরেশনের (বিসিআইসি) সমন্বয়ে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করা হবে।

প্রকল্পটির আওতায় রোপণ মৌসুমে ক্ষুদ্র কৃষকদের জন্য প্রয়োজনীয় সারের সরবরাহ নিশ্চিত করা হবে। এর মাধ্যমে দেশের কৃষি উৎপাদন স্বাভাবিক রাখা এবং জাতীয় খাদ্যনিরাপত্তা নিশ্চিত করাই মূল উদ্দেশ্য। প্রকল্পের মেয়াদ চলতি বছরের ১ জুলাই থেকে আগামী বছরের ৩০ জুন পর্যন্ত।

মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতের কারণে বৈশ্বিক সার ও জ্বালানি বাজারে দাম ও সরবরাহে অস্থিরতা তৈরি হয়েছে। এ পরিস্থিতি মোকাবিলায় গত জুনে বাংলাদেশকে মোট ১১০ কোটি ডলারের জরুরি সহায়তার কথা জানিয়েছিল বিশ্বব্যাংক। এর মধ্যে খাদ্য নিরাপত্তা প্রকল্পে ৩০ কোটি ডলার দেওয়া হচ্ছে। বাকি ৭১ কোটি ৩০ লাখ ডলার ‘কনটিনজেন্ট ইমার্জেন্সি রেসপন্স’ প্রকল্পে দেওয়ার কথা রয়েছে।

আইডিএর দেওয়া এই ঋণে বার্ষিক সুদের হার ১ দশমিক ৫ শতাংশ। অনুত্তোলিত অর্থের ওপর সর্বোচ্চ শূন্য দশমিক ৫০ শতাংশ কমিটমেন্ট ফি প্রযোজ্য হওয়ার বিধান থাকলেও অন্যান্য বছরের মতো এবারও বাংলাদেশের জন্য এ ফি মওকুফ করেছে বিশ্বব্যাংক। পাঁচ বছরের রেয়াতকালসহ ২৫ বছরের মধ্যে ঋণটি পরিশোধ করতে হবে।

জানা গেছে, আমদানি করা ৬ লাখ টন সারের মধ্যে ৫ লাখ টনই হবে ইউরিয়া। চলতি বছরের আমন এবং ২০২৬ সালের অক্টোবর থেকে ২০২৭ সালের এপ্রিল পর্যন্ত বোরো মৌসুমে এসব সার ব্যবহার করা হবে।

বিশ্বব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশের মোট চাল উৎপাদনের প্রায় ৯০ শতাংশ আসে আমন ও বোরো মৌসুম থেকে। ফলে এ দুই মৌসুমে সারের নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ দেশের খাদ্য নিরাপত্তার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

এনএনবাংলা/