সাম্প্রতিক
নিত্যপণ্যের বাড়তি দামে অস্বস্তিতে ক্রেতারা ঢাকায় অটোরিকশা নিয়ন্ত্রণে নতুন পরিকল্পনা, কতটা কার্যকর হবে? রাবিতে সাংবাদিকদের ওপর হামলা: ৪ শিক্ষার্থীকে বহিষ্কারের সুপারিশ, তদন্তে আরও ৪ জন হামের উপসর্গে আরও ৩ শিশুর মৃত্যু, ডেঙ্গুতে একজনের প্রাণহানি তিন ফিফটিতে বাংলাদেশের ৩১৭, প্রথম দিনেই নাটকীয় উত্থান-পতন শেখ হাসিনার আমলে দুই বিচার নিয়ে কী বলেছিলেন নাভি পিল্লাই? কংগ্রেসের বিরুদ্ধে বাংলাদেশ-নেপালের মতো ‘নৈরাজ্য’ সৃষ্টির চেষ্টার অভিযোগ বিজেপির মোটরসাইকেলে এসে বিকাশকর্মীদের গাড়িতে গুলি, দুই বস্তায় থাকা তিন কোটি টাকা লুট নাভি পিল্লাইয়ের নোবেল জয়ের পরই আইসিসির ওপর মার্কিন নিষেধাজ্ঞা বাংলাদেশে দরিদ্র হওয়ার ঝুঁকিতে ছয় কোটি ২০ লাখ নিম্ন মধ্যবিত্ত
Skip to content

অবরুদ্ধ দিল্লি

জ্ঞানেশের পদত্যাগ চেয়ে আবার যন্তর মন্তর-পথে সিজেপি, রাষ্ট্রপতি-সাক্ষাতে সন্তুষ্ট ‘ইন্ডিয়া’

প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের ইস্তফার দাবিতে বাড়ছে আন্দোলনের তেজ। এ বার দিল্লির রাজপথে নামছে ‘ককরোচ জনতা পার্টি’ (সিজেপি)। ‘যন্তর মন্তর ২.০’— কর্মসূচি রয়েছে তাদের। সাধারণ মানুষকে দলে দলে সেই কর্মসূচিতে যোগ দেওয়ার ডাক দিয়েছে সিজেপি।

শনিবারের সেই কর্মসূচি নিয়ে যেমন সিজেপি প্রস্তুত, তেমনই তা আটকাতে তৈরি হয়েছে দিল্লি পুলিশও। যন্তর মন্তরে যাতে ‘আরশোলারা’ পৌঁছোতে না পারে, সেই জন্য আঁটোসাঁটো নিরাপত্তা বেষ্টনীতে বেঁধে ফেলা হয়েছে রাজধানী। বাড়তি পুলিশ নামছে। শুধু তা-ই নয়, জমায়েতের উপর নজরদারি চালাতে ৩০০-র বেশি সিসি ক্যামেরা বসানো হয়েছে। আন্দোলনস্থল যন্তর মন্তরের চার পাশে চার কিলোমিটার পর্যন্ত ইতিমধ্যেই ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধ করে দিয়েছে দিল্লি পুলিশ। দিকে দিকে বসানো হয়েছে ব্যারিকেড।

তেলাপোকা’দের ঠেকাতে ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লিকে খোদ কেন্দ্রীয় সরকারই অবরুদ্ধ করে ফেলেছে। ট্রেন, মেট্রোসহ দিল্লিতে বিভিন্ন পরিবহন চলাচলে কড়া বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে। বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে ব্যারিকেড দেওয়া হয়েছে। বাড়ি বাড়ি গিয়ে শিক্ষার্থী ও তাঁদের পরিবারকে সতর্ক করা হচ্ছে। দিল্লি পুলিশ আগেই জানিয়েছে, যন্তর মন্তরে ককরোচদের শনিবারের কর্মসূচির অনুমতি নেই। শুক্রবার রাতে সেই একই বিষয় উল্লেখ করে বিবৃতি দিয়েছে দিল্লি পুলিশ। কেন অনুমতি দেওয়া হয়নি, তা ব্যাখ্যা করতে গিয়ে সিজেপি-র নিট আন্দোলনের প্রসঙ্গে টেনেছে তারা। তাদের দাবি, ওই প্রতিবাদ কর্মসূচির জন্য এক দিনের অনুমতি দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু তারা সেখানে এক মাস জমায়েত করেছিল। ওই বিক্ষোভ কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে অশান্তির ঘটনা ঘটে। অনেক পুলিশকর্মী আহত হন। পরিস্থিতি অবনতি হওয়ায় সংঘর্ষের ঘটনাও ঘটেছিল। সেই সময় বেশ কয়েক জন নিরীহ শিক্ষার্থী জখম হয়েছিলেন। সেই অভিজ্ঞতার কথা মাথায় রেখে সিজেপি-কে অনুমতি দেওয়া হয়নি বলে জানিয়েছে দিল্লি পুলিশ।

দিল্লি পুলিশ সূত্রে খবর, শনিবার ২০ হাজারের বেশি নিরাপত্তাকর্মী থাকবে যন্তর মন্তর এবং তার আশপাশে। গোটা বিষয়ের উপর নজর রাখতে বসানো হয়েছে সিসি ক্যামেরা। এ ছাড়াও, ১২টি ‘ডিটেনশন সেন্টার’ তৈরি করেছে দিল্লি পুলিশ। পাশাপাশি, ইন্টারনেট পরিষেবাও বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। শুক্রবার রাত ১০টা থেকে শনিবার রাত ১০টা পর্যন্ত বন্ধ থাকবে সেই পরিষেবা। তাতে সম্মতি দিয়েছে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক। শনিবার দিল্লি জুড়ে থাকবে কড়া নিরাপত্তা।

এনএনবাংলা/এনজেড