ওষুধ নয়, জীবনযাত্রার পরিবর্তনে জোর ডব্লিউএইচওর
শিশু ও কিশোরদের স্থূলতা নিয়ন্ত্রণে ওজন কমানোর ওষুধের চেয়ে স্বাস্থ্যকর জীবনযাপনের ওপর বেশি গুরুত্ব দেওয়ার পরামর্শ দিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)। স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস, নিয়মিত শরীরচর্চা এবং প্রয়োজন অনুযায়ী কাউন্সেলিংকে স্থূলতা প্রতিরোধের প্রধান উপায় হিসেবে বিবেচনা করতে বলেছে সংস্থাটি।
বুধবার (৭ অক্টোবর) শিশু ও কিশোরদের স্থূলতা নিয়ে প্রথমবারের মতো বৈশ্বিক নির্দেশিকা প্রকাশ করেছে ডব্লিউএইচও। রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ওই নির্দেশিকায় ১০ থেকে ১৯ বছর বয়সী স্থূলতায় আক্রান্তদের চিকিৎসার ক্ষেত্রে ধাপে ধাপে ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশ করা হয়েছে।
ডব্লিউএইচও বলছে, প্রয়োজন হলে এই বয়সী শিশু-কিশোরদের ওজন কমানোর ওষুধ দেওয়া যেতে পারে। তবে তার আগে বিশেষজ্ঞদের তত্ত্বাবধানে খাদ্যাভ্যাসে পরিবর্তন, নিয়মিত শারীরিক কর্মকাণ্ড এবং কাউন্সেলিংয়ের মতো পদক্ষেপ নিতে হবে। এসব উদ্যোগে কাঙ্ক্ষিত ফল না এলে তখন ওষুধ ব্যবহারের বিষয়টি বিবেচনা করা যেতে পারে। একসময় শিশুদের পুষ্টিজনিত সমস্যার ক্ষেত্রে কম ওজনই ছিল প্রধান উদ্বেগের বিষয়। তবে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে পরিস্থিতি বদলেছে। ইউনিসেফের তথ্য অনুযায়ী, এখন কম ওজনের তুলনায় অতিরিক্ত ওজন ও স্থূলতায় আক্রান্ত শিশু-কিশোরের সংখ্যা বেড়েছে।
ডব্লিউএইচওর পুষ্টি ও খাদ্যনিরাপত্তা বিভাগের পরিচালক লুজ মারিয়া দে রেগিল বলেন, শিশু ও কিশোরদের স্থূলতার চিকিৎসায় ব্যবহৃত ওষুধগুলোর বিষয়ে এখনো পর্যাপ্ত বৈজ্ঞানিক প্রমাণ পাওয়া যায়নি। তবে এসব ওষুধ কতটা কার্যকর এবং নিরাপদ, তা নিয়ে চলমান গবেষণার ফলাফল পর্যবেক্ষণ করছে সংস্থাটি।
এনএনবাংলা/এনজেড
