সাম্প্রতিক
বাংলাদেশের সঙ্গে মুক্ত বাণিজ্য চুক্তির সম্ভাবনা খতিয়ে দেখছে ইইউ: মাইকেল মিলার আখতারুজ্জামানের জামিন মেলেনি, কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ এলপিজি ১২ কেজি সিলিন্ডারের দাম বাড়ল ২৫২ টাকা সেপ্টেম্বরে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ৪২৩, প্রতিদিন গড়ে ১৪ জন ভারত-পাকিস্তানের চেয়ে বেশি দিন বাঁচেন বাংলাদেশিরা: ডব্লিউএইচও ‘শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণে আদালতের পাশাপাশি ভারতের রাজনৈতিক সদিচ্ছাও প্রয়োজন’ এখনই বন্ধ হচ্ছে না পদ্মা ব্যাংক দেশে ৩৯৩৮ ভবন ঝুঁকিপূর্ণ, অতি ঝুঁকিতে ৬২২টি ‘৭ শর্ত মানলেই খুলবে হরমুজ’, যুক্তরাষ্ট্রকে ইরানের সাফ বার্তা এবার অটোগ্যাসের দামও বাড়াল বিইআরসি
Skip to content

দিল্লিতে মিছিল থেকে রাহুল-প্রিয়াঙ্কাসহ বিরোধীদলীয় নেতারা আটক

ছবি: সংগৃহীত

ভারতে নির্বাচন কমিশনের সদর দপ্তর অভিমুখে বিরোধী দলগুলোর ‘গণতন্ত্র বাঁচাও’ মিছিলে বাধা সৃষ্টি করেছে দিল্লি পুলিশ। মঙ্গলবার সংসদ ভবন থেকে শুরু হওয়া এই মিছিলটি পার্লামেন্ট স্ট্রিটের কাছে পৌঁছালে পুলিশ ব্যারিকেড দিয়ে পথ আটকে দেয়। এরপর পুলিশ লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী, কংগ্রেস নেত্রী প্রিয়াঙ্কা গান্ধী বঢরা, সমাজবাদী পার্টির প্রধান অখিলেশ যাদব, তৃণমূল কংগ্রেসের অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় ও ডেরেক ও’ব্রায়েনসহ শীর্ষ নেতাদের আটক করে।

​প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মিছিলটি পুলিশ আটকে দেওয়ার পর বিরোধী সাংসদরা রাস্তার ওপরই অবস্থান-বিক্ষোভে বসে পড়েন। একপর্যায়ে রাহুল গান্ধী লোহার ব্যারিকেড টপকে হাতে জাতীয় পতাকা তুলে নেন। পরিস্থিতির অবনতি হলে পুলিশ রাহুল ও প্রিয়াঙ্কাসহ একাধিক নেতাকে আটক করে, যদিও পরবর্তীতে তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়। অন্যদিকে, অখিলেশ যাদব ও তৃণমূল নেতাদের প্রিজন ভ্যানে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়। এ সময় বিরোধী নেতারা নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে তীব্র স্লোগান দেন এবং প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগ দাবি করেন।

​ইন্ডিয়া জোটের প্রধান অভিযোগ, ভোটার তালিকার ‘বিশেষ নিবিড় সংশোধন’ (এসআইআর) প্রক্রিয়ায় মারাত্মক অনিয়ম করা হচ্ছে। সাধারণ মানুষের ভোটাধিকার হরণ ও গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়াকে ক্ষতিগ্রস্ত করতেই এই পদক্ষেপ বলে দাবি বিরোধী দলগুলোর।

​তবে দিল্লি পুলিশের দাবি, এই মিছিলের জন্য কোনো পূর্ব অনুমতি নেওয়া হয়নি। আইনশৃঙ্খলা রক্ষা ও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতেই ব্যারিকেড দিয়ে মিছিল থামানো হয় এবং নেতাদের সাময়িকভাবে আটক করা হয়েছিল।

​নির্বাচন কমিশন ও ক্ষমতাসীন কেন্দ্রীয় সরকার অবশ্য বিরোধী জোটের এসব অভিযোগ শুরু থেকেই অস্বীকার করে আসছে।

এনএনবাংলা/ইএস