সাম্প্রতিক
তেল-চিনি ও ডিমের বাড়তি দামে নাজেহাল ক্রেতা শাহজালালের বিমানবন্দরের ইডিকে হুমকি: জামায়াতের আখতারুজ্জামান গ্রেপ্তার ভারতে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগের দাবিতে বিক্ষোভ, আটক ৭০০ ১০ কোটি ব্যারেল তেল-ডিজেল ছাড়ার সিদ্ধান্ত জি-৭ দেশগুলোর অনলাইন ও ডিজিটাল সাংবাদিকতার ‘পথিকৃৎ’ হারালাম, তৌফিক ইমরোজ খালিদীর মৃত্যুতে রাষ্ট্রপতি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সম্পদের উৎস কী, ফেসবুক পোস্টে প্রশ্ন হাসনাতের অর্থবছরের প্রথম প্রান্তিকে রপ্তানি বেড়েছে ৬ শতাংশের বেশি ডেঙ্গুতে ৯ মাসে প্রাণ গেল ২৫০ জনের মধ্যপ্রাচ্যের পথে নতুন রণতরী, ১০ হাজার মার্কিন সেনা: ইরান যুদ্ধ কি আরও তীব্র হচ্ছে? অক্টোবরে বৃষ্টি কমবে, কমবে তাপমাত্রাও; তবে ঘূর্ণিঝড়ের সম্ভাবনা
Skip to content

ব্রাজিলে হাড্ডাহাড্ডি নির্বাচনী লড়াই, নজর রাখছেন ট্রাম্প

ছবি:সংগৃহীত

ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে রোববার ভোট দেবেন দেশটির নাগরিকরা। এবারের নির্বাচনে প্রেসিডেন্ট লুইজ ইনাসিও লুলা দা সিলভা ও ডানপন্থী সিনেটর ফ্লাভিও বলসোনারোর মধ্যে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হচ্ছে।

এই নির্বাচন শুধু ব্রাজিলের ভবিষ্যৎই নির্ধারণ করবে না, বরং যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নেতৃত্বে লাতিন আমেরিকায় ডানপন্থী রাজনীতির যে প্রবণতা জোরালো হয়েছে, ব্রাজিলও সেই পথে যাবে কি না—তারও ইঙ্গিত দেবে।

খবর বার্তা সংস্থা এএফপি’র।

আমাজন রেইনফরেস্টের প্রত্যন্ত গ্রাম থেকে শুরু করে দক্ষিণের কৃষিপ্রধান অঞ্চল এবং বিশাল শহরগুলোর বস্তি—সবখানেই ভোটারদের সামনে পরিচিত দুই মুখ। অনেক ভোটারকেই এমন একজনকে বেছে নিতে হচ্ছে, যাকে তারা অন্যজনের তুলনায় কম অপছন্দ করেন।

৮০ বছর বয়সী প্রবীণ বামপন্থী নেতা লুলা চতুর্থ ও শেষ মেয়াদের জন্য প্রেসিডেন্ট হতে চাইছেন। তিনি ভোটারদের সতর্ক করে বলেছেন, ডোনাল্ড ট্রাম্পের চাপের কারণে ব্রাজিলের সার্বভৌমত্ব এখন হুমকির মুখে।তার প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী ৪৫ বছর বয়সী ডানপন্থী সিনেটর ফ্লাভিও বলসোনারো। তিনি সাবেক প্রেসিডেন্ট জাইর বলসোনারোর ছেলে। ২০২২ সালের নির্বাচনে পুনর্নির্বাচিত হতে ব্যর্থ হওয়ার পর অভ্যুত্থানের চেষ্টা করার দায়ে জাইর বলসোনারোকে ২৭ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

জনমত জরিপগুলো বলছে, রোববারের প্রথম দফার ভোটে কোনো প্রার্থীই প্রয়োজনীয় ৫০ শতাংশের বেশি ভোট পাওয়ার সম্ভাবনা কম। ফলে দুই প্রার্থীর মধ্যে ২৫ অক্টোবর দ্বিতীয় দফার ভোটে মুখোমুখি লড়াই হওয়ার সম্ভাবনাই বেশি।ব্রাজিলের দরিদ্র উত্তর-পূর্বাঞ্চল এবং নিম্নআয়ের ভোটারদের মধ্যে লুলার সমর্থন বেশি। ক্যাথলিক ও নারী ভোটারদের মধ্যেও তিনি এগিয়ে রয়েছেন। অন্যদিকে দক্ষিণাঞ্চল, উচ্চআয়ের ভোটার এবং ইভানজেলিক্যাল খ্রিস্টানদের মধ্যে বলসোনারোর সমর্থন বেশি।

তীব্রভাবে বিভক্ত ব্রাজিলে দুই প্রার্থীর বিরুদ্ধেই ভোটারদের বড় একটি অংশের নেতিবাচক মনোভাব রয়েছে। তীব্র নির্বাচনী প্রচারে নীতি ও প্রতিশ্রুতির চেয়ে কেলেঙ্কারি এবং পরস্পরের বিরুদ্ধে কাদা ছোড়াছুড়িই বেশি গুরুত্ব পেয়েছে।লুলা বলসোনারোকে ‘কেউই নয়’ বলে আক্রমণ করেছেন এবং বলেছেন, তিনি ‘একটি ভবনের ব্যবস্থাপক হওয়ারও যোগ্য নন।’

অন্যদিকে নিজের উত্তেজনাপূর্ণ বক্তব্যের জন্য পরিচিত বাবার তুলনায় নিজেকে আরও ‘মধ্যপন্থী’ হিসেবে তুলে ধরছেন ফ্লাভিও বলসোনারো। তিনি লুলাকে ‘অযোগ্য’ আখ্যা দিয়ে বলেছেন, ‘ব্রাজিল আর আপনাকে সহ্য করতে পারছে না।’ভোটার উপস্থিতি এবং শেষ মুহূর্তে ভোটারদের সিদ্ধান্ত এবারের নির্বাচনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে মনে করা হচ্ছে।

ব্রাসিলিয়ার ৫২ বছর বয়সী মোটরসাইকেল চালক জোয়েলিও কামার্গো বলেন, ‘আমি আগে লুলাকে ভোট দিয়েছি। কিন্তু তিনি বয়স্ক হয়ে যাচ্ছেন এবং এবার আমি ভিন্ন কিছু চেয়েছিলাম। তবে বলসোনারোকেও ভোট দেব না। তাই আমি কিছুটা দ্বিধায় আছি।’

এনএনবাংলা/ইএস