সাম্প্রতিক
Skip to content

সাইবার হামলার শঙ্কা

জনতা ও বেঙ্গল কমার্শিয়াল ব্যাংকের ওয়েবসাইট বন্ধ

ছবি: সংগৃহীত

সাইবার হামলার ঝুঁকি নিয়ে উদ্বেগের মধ্যে এবার বন্ধ রয়েছে জনতা ব্যাংক ও বেঙ্গল কমার্শিয়াল ব্যাংকের ওয়েবসাইট। রোববার (২৫ অক্টোবর) দুপুরেও ব্যাংক দুটির ওয়েবসাইটে প্রবেশ করা যাচ্ছিল না। ওয়েবসাইটে রক্ষণাবেক্ষণের কাজ চলার কথা জানিয়ে নোটিশ দিয়েছে উভয় ব্যাংক।

রোববার দুপুর সোয়া ২টার দিকে জনতা ব্যাংকের ওয়েবসাইটে প্রবেশ করলে ‘System Maintenance’ শীর্ষক একটি নোটিশ দেখা যায়। এতে বলা হয়, ওয়েবসাইটের সিস্টেম রক্ষণাবেক্ষণের কাজ চলছে। শিগগিরই এটি আবার চালু করা হবে। সাময়িক অসুবিধার জন্য গ্রাহকদের কাছে দুঃখ প্রকাশ করেছে ব্যাংকটি।

একইভাবে বেঙ্গল কমার্শিয়াল ব্যাংকের ওয়েবসাইটেও সেবা সাময়িকভাবে বন্ধ থাকার বিজ্ঞপ্তি দেখা গেছে। নোটিশে বলা হয়েছে, রক্ষণাবেক্ষণ কাজের কারণে ওয়েবসাইটটি সাময়িকভাবে বন্ধ রয়েছে। যত দ্রুত সম্ভব সেবা পুনরায় চালুর জন্য কাজ চলছে। এ জন্য গ্রাহকদের কাছে দুঃখ প্রকাশের পাশাপাশি তাদের ধৈর্য ও সহযোগিতা কামনা করেছে ব্যাংকটি।

সেবা-সংক্রান্ত সহায়তার জন্য বেঙ্গল কমার্শিয়াল ব্যাংক ১৬৭৯৬ অথবা +৮৮০৯৬৬৬৬১৬৭৯৬ নম্বরে ফোন করতে এবং info@bgcb.com.bd ঠিকানায় ই-মেইল করতে বলেছে।

তবে ব্যাংক দুটি তাদের নোটিশে ওয়েবসাইট বন্ধ থাকার কারণ হিসেবে রক্ষণাবেক্ষণের কথা উল্লেখ করলেও সাইবার হামলার আশঙ্কা সম্পর্কে নির্দিষ্ট করে কিছু জানায়নি।

তিন দিন বন্ধ ছিল বাংলাদেশ ব্যাংকের ওয়েবসাইট
এর আগে সম্ভাব্য সাইবার হামলার ঝুঁকি বিবেচনায় তিন দিন বন্ধ রাখা হয়েছিল বাংলাদেশ ব্যাংকের ওয়েবসাইট। রোববার সকাল ৮টা থেকে ওয়েবসাইটটি আবার ব্যবহার করা যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান।

গত বৃহস্পতিবার সম্ভাব্য সাইবার হামলার ঝুঁকির কথা বিবেচনা করে ওয়েবসাইটটি বন্ধ করে দেওয়া হয়। তবে এ সময়ে ইন্টারনেট ব্যাংকিং ও মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে লেনদেন স্বাভাবিক ছিল। ফলে গ্রাহকদের আর্থিক লেনদেনে কোনো সমস্যা হয়নি।

পিএইচপির নিরাপত্তাত্রুটি নিয়ে উদ্বেগ
বিশ্বজুড়ে সাইবার নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগের মধ্যেই ব্যাংকগুলোর ওয়েবসাইট বন্ধ থাকার বিষয়টি সামনে এসেছে। ওয়েবসাইট তৈরি ও পরিচালনায় বহুল ব্যবহৃত প্রোগ্রামিং ভাষা পিএইচপিতে সম্প্রতি দুটি গুরুতর নিরাপত্তাত্রুটি শনাক্ত হওয়ার পর বিভিন্ন দেশে সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়।

আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, নিরাপত্তাত্রুটি শনাক্ত হওয়ার পর বিভিন্ন দেশের সরকারি ও বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান নিজেদের ওয়েবসাইটের নিরাপত্তা যাচাই এবং সম্ভাব্য ঝুঁকি মোকাবিলায় জরুরি পদক্ষেপ নেয়। এ পরিস্থিতিতে সম্ভাব্য হ্যাকিং ঠেকাতে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান সাইবার নিরাপত্তা জোরদার করে।

এনএনবাংলা/