সাম্প্রতিক
জাফর ইকবাল-মাকসুদ কামালসহ ৫ জনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা মানবতাবিরোধী অপরাধ: ইনুর ১০ বছরের কারাদণ্ডের পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ দুই বছরে ইলিশ উৎপাদন কমেছে ১২ শতাংশের বেশি, বাড়ছে উদ্বেগ ইমরান খানের বোন আলীমা খানকে নিজ বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার ১৯ দিনে দেশে এলো ২৩ হাজার কোটি টাকার রেমিট্যান্স জাতিসংঘে বাংলাদেশের নতুন গণতান্ত্রিক যাত্রা ও রোহিঙ্গা সংকট তুলে ধরবেন প্রধানমন্ত্রী অনিয়ন্ত্রিত ব্যাটারি চালিত রিকশা: প্রয়োজন পরিকল্পনা ও সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা সরকারি নথিতে গুদামে লাখ লাখ টন, তবুও কৃষক পাচ্ছে না সার কমলাপুর রেলস্টেশনে দাঁড়িয়ে থাকা ট্রেনে আগুন, ছড়িয়ে পড়ছে পাশের বগিতেও সব ধরনের জ্বালানি তেলের দাম লিটারে বাড়ল ২০ টাকা
Skip to content

ধূমপান ছেড়ে দিলেন শ্রীলেখা মিত্র

অনলাইন ডেস্ক :

নবম কি দশম শ্রেণির ছাত্রী তখন। বাবার ঘর থেকে চুরি করে প্রথম ধূমপান করেন। অভিনেত্রীর ভাষায়, ‘সেই প্রথম সুখটান। মনে হয়েছিল যেন স্বর্গ সুখ!’ তবে সেই সুখ আপাতত অ-সুখের কারণ হয়ে দেখা দিয়েছে। কথা বলতে কষ্ট হচ্ছে। গলায় ব্যথা। তাই ধূমপান ছেড়ে দেয়ার ঘোষণা দিলেন জনপ্রিয় অভিনেত্রী শ্রীলেখা মিত্র। আনন্দবাজার অনলাইনকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে এই ঘোষণা দেন তিনি। শ্রীলেখা বলেন, ‘গলায় সারাক্ষণ অস্বস্তি। দম নিতেও কষ্ট হচ্ছে। সারাক্ষণ বুকে যেন চাপ ধরা ভাব। ফুসফুসে যেন বাতাসের অভাব!’ শ্রীলেখা জানান, তিনি চিকিৎসকের কাছে গেলেই সবার আগে তাকে ধূমপান ছাড়ার নির্দেশ দেওয়া হবে। তাই নিজেই সেই রাস্তায় হাঁটবেন বলে ঠিক করেছেন। ফেসবুকেও জানিয়েছেন সেই কথা। এবার সত্যি সত্যিই ধূমপান ছাড়বেন তিনি। ধূমপান নিয়ে শ্রীলেখার ঝুলিতে অনেক মজার স্মৃতি। কথায় কথায় জানিয়েছেন, বেশ ছোট বয়স থেকে ধূমপান শুরু। বাবার অজান্তে। ঘরের ফুলদানিতে ছাই ফেলতেন। তারপর নিজের গায়ে, ঘরে ছড়িয়ে দিতাম সুগন্ধি। বাবা যাতে কিছুতেই টের না পায়। এমনই দস্যিপনা ছিলো তার। বড় হয়ে একদিন ধরা পড়লেন বাবার হাতে। বাবা কথা শুনিয়ে বলে গেলেন, ‘এক হাট লোকের মাঝে দাঁড়িয়ে আমার মেয়ে ফুক ফুক করে ধোঁয়া ছাড়ছেন! দেখে মনে হচ্ছিল মেট্রো রেললাইনে ঝাঁপ দিয়ে আত্মহত্যা করি।’ ধূমপানের কারণে বাবার হাতে মারও খেয়েছেন শ্রীলেখা। তবু ধূমপান ছাড়তে পারেননি। এই নেশা তাকে শ্বশুরমশাইয়ের ঘর থেকেও সিগারেট চুরি করতে বাধ্য করেছিল! ধূমপান নিয়ে বলতে বলতে বাবার স্মৃতিচারণ করে আবেগে আক্রান্তও হলেন শ্রীলেখা। তিনি বলেন, ‘যে বাবার থেকে নেশা করতে শিখেছিলাম, তিনি শেষের দিকে আমার সিগারেট চুরি করে খেতেন।’ বাবার শেষ যাত্রায় তাই তার বুক পকেটে দামি সিগারেটের একটি প্যাকেট দিয়ে দিয়েছিলেন শ্রীলেখা এবং তার ভাইয়ের বৌ।