Skip to content

Upcoming
France
0-0
Senegal
Source: ESPN

খুলনায় ৮০০ কোটি টাকার তরমুজ বাণিজ্যের সম্ভাবনা

ছবি: সংগৃহীত

নোনা পানির চিংড়ি চাষের জমি কমে যাওয়া খুলনায় চাষিরা তরমুজ আবাদে ঝুঁকছেন। এখানে গ্রীষ্মের পাশাপাশি শীত মৌসুমে তরমুজের আবাদ হচ্ছে। শীত মৌসুমে ৭ হাজার ও গ্রীষ্ম মৌসুমে সাড়ে ৩শ’ হেক্টর জমিতে এই ফল আবাদ হয়। সব মিলিয়ে দুই মৌসুমে খুলনায় ৮শ’ কোটি টাকার তরমুজ বাণিজ্যের সম্ভাবনা রয়েছে।

জানা গেছে, আম্পান-ইয়াস, নদী ভাঙন, রোগবালাই, করোনা ও আন্তর্জাতিক বাজারে চিংড়ির দাম ওঠানামা করায় চাষিরা লোকসান গুনতে হয়। অনেক ক্ষেত্রে হাড়ির টাকা বাকি থাকে। লোকসান এড়াতে চিংড়ি চাষিদের একাংশ তরমুজ আবাদে নেমেছে।

খুলনা জেলার দাকোপ, পাইকগাছা, কয়রা, বটিয়াঘাটা ও ডুমুরিয়া উপজেলায় শীত মৌসুমে ৭ হাজার ৫১২ হেক্টর জমিতে আবাদ হবে। আগামী ডিসেম্বর থেকে চাষ শুরু, ফেব্রুয়ারিতে ফসল তোলা শুরু হবে। গ্রীষ্ম মৌসুমে সাদামাছের ঘেরের পাড়ে ৩১৫ হেক্টর জমিতে আবাদ হবে। গ্রীষ্ম মৌসুম এপ্রিল থেকে জুন জুড়ে।

দাকোপ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. মেহেদী হাসান খান জানান, এবারের শীত মৌসুমে ৯ ইউনিয়নে তিন হাজার চারশ হেক্টর জমিতে আবাদ হবে। বাজুয়া, কৈলাশগঞ্জ, দাকোপ ও লাউডোব ইউনিয়নের ৬ হাজার চাষি এর সাথে সংশ্লিষ্ট। ৮০ দিনের মধ্যে তরমুজ বাজারজাত হয়। বিঘা প্রতি উৎপাদন খরচ শীত মৌসুমে ২০ হাজার টাকা। বিক্রি তিন লাখ টাকা।

বটিয়াঘাটা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. রবিউল ইসলাম বলেন, এর মধ্যে সুরখালী, গঙ্গারামপুর ও ভান্ডারকোট ইউনিয়নের একাংশ জুড়ে উৎপাদন হতো। এবার বটিয়াঘাটা ইউনিয়নের ফুলতলা, হাটবাটি ও হোগলবুনিয়া গ্রামে আবাদ হবে। গেল মৌসুমে দুই হাজার দুইশ হেক্টর জমিতে আবাদ হলেও এবারের লক্ষ্যমাত্রা তিন হাজার পাঁচশ হেক্টর জমিতে।

দাকোপ উপজেলার বটবুনিয়া গ্রামের চাষি প্রদিপ রায়, দীলিপ মন্ডল, সন্তোষ মন্ডল ও হেকমত আলী মোল্লা জানান, আমন কাটার পরে সেই জমিতেই তরমুজের আবাদ হবে। বলা যেতে পারে, বছর জুড়ে তরমুজের আবাদ হচ্ছে। ফলে কৃষি ও পরিবহন শ্রমিকদের সারা বছরের কর্মসংস্থানের সুযোগ হচ্ছে।

এ ব্যাপারে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর খুলনার উপপরিচালক মো. হাফিজুর রহমান জানান, শীত মৌসুমে এর আবাদ প্রসার হচ্ছে। বিঘা প্রতি ৩ লাখ টাকার তরমুজ বিক্রি হয়। এতে ২০ হাজার মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে।

—ইউএনবি