সাম্প্রতিক
সড়ক দুর্ঘটনায় ৬ বছর ১০ মাসে নিশ্চিহ্ন হয়ে গেছে ৩০০ পরিবার প্রথম ধাপে ১,০৫০ ইউনিয়ন পরিষদে ভোট রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে মিয়ানমার সরকারের পাশাপাশি আরাকান আর্মির সঙ্গেও আলোচনা চলছে: শামা ওবায়েদ বাংলাদেশি নাগরিকদের মাথাপিছু বৈদেশিক ঋণ ৬৪৬ ডলার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ৬ স্থানে একই সময়ে হাতবোমা বিস্ফোরণ, আটক ১ গুলশান-১ গোলচত্বরে তিন বিঘা জমিতে ৪০ তলা ভবনের ছক এঁকেছে শান্তা হোল্ডিংস বিনা খরচে মালয়েশিয়ায় চাকরি, লটারিতে প্রাথমিকভাবে নির্বাচিত ৩০০ জন ভাটারায় স্কুল বাসে আগুন, মালিবাগ সিআইডি কার্যালয়ের পার্কিংয়ে ককটেল বিস্ফোরণ রমজানের আগে ১০ পণ্যের এলসি খোলার শর্ত শিথিল করল বাংলাদেশ ব্যাংক এইচএসসি খাতা পুনঃনিরীক্ষণে ২ লাখ ৯১ হাজার আবেদন, ‘সবচেয়ে বেশি ইংরেজিতে’
Skip to content

জাতিসংঘে অবাঞ্চিতই থাকছে তালেবান-মিয়ানমার জান্তা

অনলাইন ডেস্ক :

আফগানিস্তানে ক্ষমতাসীন তালেবান গোষ্ঠী এবং মিয়ানমারে ক্ষমতাসীন জান্তা সরকারের প্রতিনিধিদের জাতিসংঘে যাওয়ার অনুমোদন মেলেনি। গত বুধবার এ খবর জানিয়েছে জাতিসংঘের ক্রেডেনশিয়াল কমিটি। বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়, তালেবান ও মিয়ানমারে ক্ষমতাসীন জান্তা সরকারের প্রতিনিধি থাকবে কি-না তা নিয়ে জাতিসংঘের ১৯৩ সদস্য দেশের প্রতিনিধিরা একটি বৈঠকে বসেছিলেন। সেখানে অধিকাংশ প্রতিনিধি মত দেন- জাতিসংঘের সাধারণ সভায় তারা আফগানিস্তানের তালেবান ও জান্তা সরকারের কোনো প্রতিনিধির উপস্থিতি প্রত্যাশা করেন না। জাতিসংঘের ইউএন ক্রেডেনশিয়াল কমিটিতে গত বুধবার সব সদস্য দেশের প্রতিনিধিদের সঙ্গে এ নিয়ে একটি বৈঠক করে। এরপরই ওই কমিটির পক্ষ থেকে জানানো হয়, এখনই তালেবান ও মিয়ানমারের প্রতিনিধিদের জাতিসংঘে আসার অনুমোদন দেওয়া হবে না। ইউএন ক্রেডেনশিয়াল কমিটির মোট সদস্য ৯ জন। এই কমিটির সদস্যরাষ্ট্রগুলো হলো রাশিয়া, চীন, যুক্তরাষ্ট্র, বাহামা, ভুটান, চিলি, নামিবিয়া, সিয়েরা লিওন ও সুইডেন। বৈঠকের পর সুইডেনের কূটনীতিক আনা কারিন এনেস্ট্রোম বলেন, তালেবান-মিয়ানমারের প্রতিনিধিরা জাতিসংঘে থাকছে কি-না তা নিয়ে সিদ্ধান্ত এখনো নেওয়া হয়নি। জাতিসংঘে নিযুক্ত মিয়ানমারের এবং তালেবানের রাষ্ট্রদূতেরা তাদের দেশের প্রতিনিধিত্ব করবেন কি-না সে বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি। এদিকে, জাতিসংঘে আফগানিস্তানের প্রতিনিধিত্ব করছেন গোলাম ইসাকজাই। এর আগেও তিনি তালেবান পূর্ববর্তী আফগান সরকারের সময়ে নিয়োগ পেয়েছিলেন। অন্যদিকে, মিয়ানমারের ক্ষমতাসীন জান্তা জাতিসংঘের নতুন দূত হিসেবে মনোনীত করেছে সাবেক সামরিক কর্মকর্তা অং থুরেইনকে। বর্তমানে সেখানে মিয়ানমারের প্রতিনিধিত্ব করছেন কিয়াও মোয়ে তুন। তিনি সাবেক সু চি সরকারের আমলে নিয়োগ পেয়েছিলেন। জাতিসংঘের অনুমোদন পেলেই বিশ্ব স্বীকৃতি পাওয়ার ক্ষেত্রে এক ধাপ এগিয়ে যাবে তালেবান এবং মিয়ানমারের জান্তা সরকার। মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস বলেছেন, অন্তর্ভুক্তিমূলক সরকার এবং মানবাধিকার সমুন্নত রাখার জন্য তালেবানকে বাধ্য করতে চাপ দিতে পারে বিশ্বের অন্যান্য দেশ। কারণ আন্তর্জাতিক স্বীকৃতির জন্য তালেবানের ইচ্ছে রয়েছে।