সাম্প্রতিক
জাফর ইকবাল-মাকসুদ কামালসহ ৫ জনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা মানবতাবিরোধী অপরাধ: ইনুর ১০ বছরের কারাদণ্ডের পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ দুই বছরে ইলিশ উৎপাদন কমেছে ১২ শতাংশের বেশি, বাড়ছে উদ্বেগ ইমরান খানের বোন আলীমা খানকে নিজ বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার ১৯ দিনে দেশে এলো ২৩ হাজার কোটি টাকার রেমিট্যান্স জাতিসংঘে বাংলাদেশের নতুন গণতান্ত্রিক যাত্রা ও রোহিঙ্গা সংকট তুলে ধরবেন প্রধানমন্ত্রী অনিয়ন্ত্রিত ব্যাটারি চালিত রিকশা: প্রয়োজন পরিকল্পনা ও সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা সরকারি নথিতে গুদামে লাখ লাখ টন, তবুও কৃষক পাচ্ছে না সার কমলাপুর রেলস্টেশনে দাঁড়িয়ে থাকা ট্রেনে আগুন, ছড়িয়ে পড়ছে পাশের বগিতেও সব ধরনের জ্বালানি তেলের দাম লিটারে বাড়ল ২০ টাকা
Skip to content

সিলেটে দারাজ রাইডারদের আন্দোলন, কর্মবিরতি

জেলা প্রতিনিধি, সিলেট :
সিলেটে ১১ দফা দাবীতে আন্দোলনে নেমেছেন অনলাইনভিত্তিক পণ্য বিক্রেতা প্রতিষ্ঠান ‘দারাজ’র রাইডাররা (ডেলিভারিম্যান)। ১২ জানুয়ারি বুধবার বেলা ২টার দিকে সিলেট নগরীর ধোপাদিঘিরপারস্থ দারাজ কার্যালয়ের সামনে বিক্ষোভ ও অবস্থান কর্মসূচি পালন করেন। ‘দারাজ’র রাইডার ইমরান আহমদের পরিচালনায় বিক্ষোভ কর্মসূচীতে বক্তব্য রাখেন, সোহেল আহমদ, রাজীব আহমদ, আনোয়ার হোসেন, আরিফ আহমদ, তারেক আহমদ, আতিকুর রহমান, তমাল দাশ, ফাহিম আহমদ, সাহিদুর রহমান, আব্দুল কাদির, রাজন আহমদ, আবির হোসেন, শাকিব আহমদ, এমরান আহমদ প্রমুখ।
সিলেটে দারাজ কার্যালয়ের সামনে শতাধিক ডেলিভারিম্যান অবস্থান নিয়ে এসব অভিযোগ তুলে ধরেন। এসময় তারা অবিলম্বে তাদের প্রাপ্য মাসিক বেতন, ওভারটাইমের পারিশ্রমিকসহ সকল সুযোগ-সুবিধা প্রদানসহ ঢাকা অফিসের কর্মকর্তাদের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেন। দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত তারা কর্মবিরতি পালন করবেন জানান।
‘দারাজ’র রাইডারদের দাবীগুলোর মধ্যে উল্লেখ্যযোগ্য হচ্ছে- মাসিক বেতনের কোনো নিয়ম-নীতি নেই। প্রতি মাসে রাইডারদের প্রাপ্য বেতনের চাইতে কম দেওয়া হয়। সকাল ৯টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত ডিউটির নিয়ম থাকলেও তাদের দিয়ে ওভারটাইম করানো হয়, কিন্তু ওভারটাইমের পারিশ্রমিক দেওয়া হয় না। ডেলিভারির সময় ফোনের খরচ ও ডেলিভারের পর্যাপ্ত খরচ দেওয়া হয় না। কোনো ধরনের নোটিশ ছাড়াই নতুন নতুন নিয়ম রাইডারদের উপর চাপিয়ে দেওয়া হয় এবং অফিসে অবস্থান করতে বাধ্য করা হয়। দুই ঈদ ছাড়া আর কোনো ছুটি তাদের দেওয়া হয় না। মহামারি করোনার সংক্রমণের সময় কোনো ধরনের সুরক্ষাসামগ্রী প্রদান করা হয়নি, এমনকি কোম্পানির পক্ষ থেকে সামান্য মাস্কও তাদের দেওয়া হয় না। অতিরিক্ত কাজ করানো এবং মানসিক চাপে রাখা হয়। ১৬টি বাইসাইকেল ক্রয়ের জন্য রাইডারদের কাছ থেকে চাকরি হারানো ভয় দেখিয়ে জোরপূর্বক ৯৩ হাজার টাকা নেওয়া হয়। প্রতিদিন দুপুরের খাবারের জন্য টাকা দেওয়ার কথা থাকলেও সেই সিদ্ধান্ত হঠাৎ বাতিল করা হয়েছে। তাছাড়া গত নভেম্বর মাসে টানা ২৪ ঘণ্টা ডিউটি করানো হলেও রাইডারদের প্রাপ্য পারিশ্রমিক দেওয়া হয়নি।