সাম্প্রতিক
স্টুডেন্ট ভিসায় পরিবার নেওয়ার সুযোগ বন্ধ করছে অস্ট্রেলিয়া ভারতে পলাতকরা যাতে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি করতে না পারে: হাইকমিশনারকে মাহ্দী আমিন উপনির্বাচনে থাকবে সেনাবাহিনী, জুনের আগেই ইউপি নির্বাচন: ইসি আগস্টে সড়ক দুর্ঘটনায় ৪৮১ মৃত্যু, জুলাইয়ের তুলনায় প্রাণহানি বেড়েছে ইরানে মার্কিন হামলায় ‘যুদ্ধাপরাধের’ তথ্য পেল জাতিসংঘ, কাঠগড়ায় তেহরানও সর্বজনীন পেনশন স্কিমের মুনাফা সামান্য বাড়াল সরকার, মিলবে যেসব সুবিধা শেখ হাসিনাকে ফেরাতে কূটনৈতিক-আইনগত উদ্যোগ অব্যাহত: সংসদীয় কমিটি পশ্চিমবঙ্গে ‘আসসালামু আলাইকুম’-‘ইনশাআল্লাহ’ বলার বিতর্কের মধ্যে নারী মুসলিম পুলিশ কর্মকর্তাকে বদলি গুলশান ও ধানমন্ডিসহ রাজধানীর একাধিক লেকের দূষণ রোধে সমন্বিত উদ্যোগের নির্দেশ
Skip to content

সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের গবেষণা অনুদান পেলেন কুবির দুই শিক্ষক

সাফায়িত সিফাত, কুবি প্রতিনিধি:
গবেষণায় সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় থেকে মোট ১২ লক্ষ টাকার অনুদান পেয়েছেন কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ও সহযোগী অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ সোহরাব উদ্দিন এবং লোক প্রশাসন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. রহুল আমীন।
মন্ত্রণালয়ের ২০২১-২২ অর্থবছরের গবেষণা খাত থেকে এই অনুদান দেওয়া হয়েছে।

অনুদান পাওয়া দুই শিক্ষকের মধ্যে ড. মুহাম্মদ সোহরাব উদ্দিন বাংলায় আবিষ্কৃত টেরাকোটা ফলকের আলোকে প্রাচীন বাংলার সামাজিক-সাংস্কৃতিক অবস্থার প্রতিফলন (৪র্থ থেকে ১৩ শতক) বিষয়ে গবেষণার জন্য ৮ লক্ষ টাকা এবং ড. রুহুল আমীন কুমিল্লার বিভিন্ন প্রতœতত্ত্ব স্থানগুলোর সুযোগ এবং ব্যবহার নিয়ে কাজ করার জন্য ৪ লক্ষ টাকার অনুদান পেয়েছেন।

গবেষণা অনুদান প্রাপ্তির বিষয়ে ড. মুহাম্মদ সোহরাব উদ্দিন বলেন, কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আমি এবং আরেকজন শিক্ষক পেয়েছি। আমি এতে খুবই খুশি। এটি একটি মৌলিক মাঠ পর্যায়ের কাজ। এখানে আমার সাথে যেসব শিক্ষার্থী কাজ করবে তারা এখান থেকে অনেক কিছু শিখতে পারবে এবং তাদেরকে এই ফান্ড থেকে কিছু আর্থিক সাহায্য করা হবে।

ড. মুহাম্মদ সোহরাব উদ্দিনের সাথে সহযোগী গবেষক হিসেবে থাকবেন প্রতœতত্ত্ব বিভাগের সহকারী অধ্যাপক শারমিন রেজোয়ানা। সেই সাথে বিভাগ থেকে চারজন শিক্ষার্থীও তাদের সাথে কাজ করার সুযোগ পাবেন।

অনুদানপ্রাপ্ত আরেক শিক্ষক সহযোগী অধ্যাপক ড. রুহুল আমীন বলেন, কুমিল্লাতে যেসব প্রত্নতত্ত্ব স্থানগুলো আছে তার সবগুলোর সঠিক তদারক হচ্ছে না, যার কারণে সেসব স্থাপনাগুলো নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। এসব স্থাপনা যদি সরকার সংরক্ষণ করে প্রদর্শনের ব্যবস্থা করে তাহলে যেসব সুযোগ পাওয়া যাবে, এটাই এই গবেষণার মূল বিষয়। এতে করে যেসব দর্শনার্থী কুমিল্লায় ঘুরতে আসে তারা এগুলো দেখতে পারবেন পাশাপাশি সরকারি রেভিনিউ বৃদ্ধি পাবে।