সাম্প্রতিক
নিত্যপণ্যের বাড়তি দামে অস্বস্তিতে ক্রেতারা ঢাকায় অটোরিকশা নিয়ন্ত্রণে নতুন পরিকল্পনা, কতটা কার্যকর হবে? রাবিতে সাংবাদিকদের ওপর হামলা: ৪ শিক্ষার্থীকে বহিষ্কারের সুপারিশ, তদন্তে আরও ৪ জন হামের উপসর্গে আরও ৩ শিশুর মৃত্যু, ডেঙ্গুতে একজনের প্রাণহানি তিন ফিফটিতে বাংলাদেশের ৩১৭, প্রথম দিনেই নাটকীয় উত্থান-পতন শেখ হাসিনার আমলে দুই বিচার নিয়ে কী বলেছিলেন নাভি পিল্লাই? কংগ্রেসের বিরুদ্ধে বাংলাদেশ-নেপালের মতো ‘নৈরাজ্য’ সৃষ্টির চেষ্টার অভিযোগ বিজেপির মোটরসাইকেলে এসে বিকাশকর্মীদের গাড়িতে গুলি, দুই বস্তায় থাকা তিন কোটি টাকা লুট নাভি পিল্লাইয়ের নোবেল জয়ের পরই আইসিসির ওপর মার্কিন নিষেধাজ্ঞা বাংলাদেশে দরিদ্র হওয়ার ঝুঁকিতে ছয় কোটি ২০ লাখ নিম্ন মধ্যবিত্ত
Skip to content

অ্যামাজনের শীর্ষ বই বিক্রির তালিকায় রুশদির ‘দ্য স্যাটানিক ভার্সেস’

অনলাইন ডেস্ক :

যুক্তরাষ্ট্রের নিউ ইয়র্কে গত শুক্রবার একটি অনুষ্ঠানের মঞ্চে ভারতীয় বংশোদ্ভূত ব্রিটিশ ঔপন্যাসিক সালমান রুশদি ছুরিকাঘাতের শিকার হন। ধারণা করা হচ্ছে তার বিতর্কিত বই ‘দ্য স্যাটানিক ভার্সেস’ এর কারণে হামলার মুখে পড়েছেন তিনি। এই ঘটনার পর তার এই বই অ্যামাজনের বেস্টসেলারের তালিকায় উঠে এসেছে বলে জানা গেছে।মার্কিন গণমাধ্যম সিএনবিসির একটি প্রতিবেদন অনুসারে, রুশদির ওপর ছুরিকাঘাতের পর সপ্তাহান্তে ‘দ্য স্যাটানিক ভার্সেস’ গত সোম ও মঙ্গলবার অ্যামাজনের সর্বোচ্চ বিক্রিত বইয়ের তালিকার শীর্ষে উঠেছিল।বইটি আমাজনের সাহিত্য স্যাটায়ার ফিকশন তালিকায় এবং সমসাময়িক ব্রিটিশ ও আইরিশ সাহিত্যের তালিকায় ১ নাম্বার বেস্টসেলার হিসাবে দেখাচ্ছিল। অথচ এর আগের সপ্তাহগুলোতে শীর্ষ বিক্রিত বইয়ের তালিকায় ১০০ এর মধ্যেও ছিলো সালমানের বই। নিউ ইয়র্কে হামলার শিকার স্যার সালমান রুশদী গত পাঁচ দশক ধরে তার সাহিত্য কর্মের জন্যই বারবার হত্যার হুমকি পেয়েছেন। তার অনেক উপন্যাসই ব্যাপক সাফল্য অর্জন করেছিলো যার মধ্যে আছে ১৯৮১ সালে বুকার পুরষ্কার জেতা তার দ্বিতীয় উপন্যাস মিডনাইট চিলড্রেন।তবে ১৯৮৮ সালে প্রকাশিত হওয়া তার চতুর্থ বই স্যাটানিক ভার্সেস হলো তার সবচেয়ে বিতর্কিত কাজ যা তাকে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে নজিরবিহীন বিপদে ফেলে দেয়। বইটি প্রকাশের পর তাকে হত্যার হুমকি আসে যা তাকে আত্মগোপনে যেতে বাধ্য করে। ব্রিটিশ সরকার তখন তাকে পুলিশী নিরাপত্তার আওতায় নিয়ে আসে। ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি ১৯৮৯ সালে রুশদির মৃত্যুদ-ের ডাক দিয়ে ফতোয়া জারি করেন।