সাম্প্রতিক
বাংলাদেশ-ভারতের সম্পর্ক নতুন করে তৈরি হবে: প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মার্কিন ভিসা নিয়ে দুঃসংবাদ, পৌনে ২ লাখ ভিসা বাতিল করল যুক্তরাষ্ট্র ইরানের ভয়ে তুরস্ক ছাড়ার সময় বিমান বদলেছিলেন ট্রাম্প একাত্তর টিভির চেয়ারম্যান-সিওওসহ ৪ জনের বিরুদ্ধে সমন সপ্তাহে একদিন শিক্ষার্থীদের জন্য ফ্রি থাকবে জুলাই জাদুঘর গাজী নজরুলের এমপি পদ নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত, নির্বাচন কমিশনে যাচ্ছে সংসদ সচিবালয়ের চিঠি সৌরভ ও ডোনাকে হত্যার হুমকি, কলকাতা পুলিশের তদন্ত শুরু বাংলাদেশি কৃষককে ধরে নিয়ে গেল বিএসএফ, পাল্টা দুই ভারতীয় কৃষককে আটক গ্রামবাসীর বেসরকারি খাতকে জ্বালানি তেল আমদানির সুযোগ দেবে সরকার
Skip to content

চট্টগ্রাম বন্দরে পড়ে থাকা বিপুলসংখ্যক কনটেইনারের পণ্য ধ্বংসের উদ্যোগ

ফাইল ছবি

নিজস্ব প্রতিবেদক:

চট্টগ্রাম বন্দরে দীর্ঘদিন পড়ে থাকা বিপুলসংখ্যক কনটেইনারের পণ্য ধ্বংসের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। ওসব পণ্য নিলামের অযোগ্য হয়ে পড়েছে। চট্টগ্রাম কাস্টমস কর্তৃপক্ষ ইতোমধ্যে পণ্য ধ্বংসের সব সব ধরনের প্রস্তুতি নিয়েছে। সেজন্য চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের ডাম্পিং স্টেশনের পাশের একটি খালি জায়গাও চিহ্নিত করা হয়েছে। চট্টগ্রাম কাস্টমস কর্তৃপক্ষ সংশ্লিষ্ট সূত্রে এসব তথ্য জানা যায়।
সংশ্লিষ্ট সূত্র মতে, প্রায় ৫ একর জায়গায় পণ্য ধ্বংস কার্যক্রম পরিচালনার জন্য ক্রেন, স্কেভেটর, ট্রেলার, ট্রাকসহ প্রয়োজনীয় যানবাহনের ব্যবস্থা করা হয়েছে। ওই জায়গা খুঁড়ে পচে যাওয়া পণ্য মাটি চাপা দেয়া হবে। ফলে কোনো প্রকার দুর্গন্ধ ছড়ানোর সুযোগ থাকবে না। আর জায়গাটি লোকালয় থেকে দূরে হওয়ায় মানুষেরও সমস্যা হবে না। বিপুল পরিমাণ পণ্য ধ্বংস করতে ইতোমধ্যে পরিবেশ অধিদপ্তরের অনুমোদনও মিলেছে।
সূত্র জানায়, ধ্বংস করার জন্য ৩৪৫টি কন্টেইনারের পণ্য খালি করতে ১৫-২০ দিন সময় লাগতে পারে। কাজটি শেষ হলে বন্দরে কমপক্ষে সাড়ে ৩শ কনটেইনার রাখার জায়গা খালি হবে। তার আগে একই এলাকার অন্য একটি জায়গায় কাস্টমস কর্তৃপক্ষ ১৯৪ কনটেইনারের ৪ হাজার ৮০৭ টন ব্যবহার অযোগ্য পণ্য ধ্বংস করেছিল।
এদিকে এ প্রসঙ্গে চট্টগ্রাম কাস্টম হাউজের নিলাম শাখার ডেপুটি কমিশনার ওমর মবিন জানান, বন্দরে পড়ে থাকা নিলাম অযোগ্য পণ্য ধ্বংসের কার্যক্রম আরো কয়েক মাস আগে থেকেই শুরু করা হয়। এ ধরনের মেয়াদোত্তীর্ণ পচা পণ্য ধ্বংসের কাজ করতে সমন্বিত চেষ্টা লাগে। যেখানে কাস্টমসসহ অনেকগুলো সরকারি দপ্তরের সহযোগিতা লাগে। নিয়ম অনুযায়ী পরিবেশ অধিদপ্তর ও সিটি করপোরেশনকে সঙ্গে নিয়ে এ কাজ করতে হয়। পণ্য ধ্বংসের জন্য চট্টগ্রাম কাস্টমসের নিজস্ব কোনো জায়গা নেই। তাই প্রতিবার পণ্য ধ্বংসের আগে জায়গা নির্বাচন করতে হয়।