সাম্প্রতিক
বাংলাদেশ-ভারতের সম্পর্ক নতুন করে তৈরি হবে: প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মার্কিন ভিসা নিয়ে দুঃসংবাদ, পৌনে ২ লাখ ভিসা বাতিল করল যুক্তরাষ্ট্র ইরানের ভয়ে তুরস্ক ছাড়ার সময় বিমান বদলেছিলেন ট্রাম্প একাত্তর টিভির চেয়ারম্যান-সিওওসহ ৪ জনের বিরুদ্ধে সমন সপ্তাহে একদিন শিক্ষার্থীদের জন্য ফ্রি থাকবে জুলাই জাদুঘর গাজী নজরুলের এমপি পদ নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত, নির্বাচন কমিশনে যাচ্ছে সংসদ সচিবালয়ের চিঠি সৌরভ ও ডোনাকে হত্যার হুমকি, কলকাতা পুলিশের তদন্ত শুরু বাংলাদেশি কৃষককে ধরে নিয়ে গেল বিএসএফ, পাল্টা দুই ভারতীয় কৃষককে আটক গ্রামবাসীর বেসরকারি খাতকে জ্বালানি তেল আমদানির সুযোগ দেবে সরকার
Skip to content

ম্যারাডোনার ‘হ্যান্ড অব গড’ গোল ফিফার আইন মেনেই হয়েছিল

অনলাইন ডেস্ক :

একটি গোল, কিন্তু যা নিয়ে বিতর্কের শেষ নেই। পৃথিবীর মায়া ছেড়ে গেছেন ডিয়েগো ম্যারাডোনা, কিন্তু তাঁর ‘হ্যান্ড অব গড’ গোলটি এখনো আলোচনার তুঙ্গে। ১৯৮৬ বিশ্বকাপে কোয়ার্টার ফাইনালে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ২-১ গোলে জেতে আর্জেন্টিনা। ম্যাচে আর্জেন্টিনার দুটি গোলই করেছিলেন ‘ফুটবলের ঈশ্বর’ ম্যারাডোনা। এর মধ্যে প্রথম গোলটি নিয়েই যত বিতর্ক। ইংল্যান্ডের বক্সে সতীর্থের দেওয়া বল হেড করার জন্য লাফিয়েছিলেন ম্যারাডোনা। কিন্তু মাথা দিয়ে নয়, হাত দিয়ে বল জালে পাঠান তিনি। ইংল্যান্ডের খেলোয়াড়রা গোল বাতিলের আবেদন জানালেও তাতে সাড়া দেননি রেফারি আলী বিন নাসের। কেন সেদিন সেই আবেদনে সাড়া দেননি তার ব্যাখ্যা দিয়ে ৭৮ বছর বয়সী এই রেফারি বলেছেন, ‘তখন আমি বক্সের কোনায় ছিলাম। ইংল্যান্ডের কয়েকজন ফুটবলার আমার সামনে থাকায় ঠিকমতো দেখতে পাচ্ছিলাম না। সহকারী রেফারি ডোটচেভ খুব ভালোভাবে দেখতে পারছিল। গোল হওয়ার পর তার দিকে তাকিয়েছিলাম, কিন্তু গোল বাতিলের জন্য সে আমাকে কোনো নির্দেশনা দেয়নি। ফিফার নির্দেশনা মেনেই গোলের বাঁশি বাজিয়েছিলেন বলে জানান আলী বিন নাসের, ‘আমার কাছে সন্দেহ লাগছিল, কিন্তু সহকারী রেফারি যেহেতু আরো ভালো অবস্থানে ছিল তাই তার সিদ্ধান্তের ওপর বিশ্বাস রাখতে হয়েছে। ফিফার আইনে বলা আছে, যদি সহকারী রেফারি ভালো অবস্থানে থাকে তখন তার সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করতে হবে। তাই আমি গোলটি বাতিল করিনি। ’