সাম্প্রতিক
তিতাসের ‘সিস্টেম লস’ বছরে ১০ কার্গো এলএনজির সমপরিমাণ গ্যাস হাম ও উপসর্গে আরও ৩ মৃত্যু, প্রাণহানি ছাড়াল ১ হাজার জুলাই জাদুঘরে অশ্রুসজল রাষ্ট্রপতি, বললেন ‘মূল্য দিয়েছি অনেক বেশি’ সালমান শাহর মৃত্যু: ডনের বিরুদ্ধে ‘গুরুত্বপূর্ণ তথ্য’ গোপনের অভিযোগ ইতালীয় গণমাধ্যমে বাঁধনের ওপর হামলার খবর, তদন্তে বিশেষ পুলিশ ‘দিগোস’ মেট্রোরেলের ২৭ বিয়ারিং প্যাড ‘ক্রিটিক্যাল’, ৪৬ পিলারে ফাটল: সংসদে মন্ত্রী আশির দশকে ফিরছে সোশ্যাল মিডিয়া, এআই ছবির ট্রেন্ডে নেটিজেনরা বিএনপি ক্ষমতায় আর বিদ্যুৎ-গ্যাসের সংকট হবে না, দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ন হবে না— সেটা হতে পারে না: রুমিন ফারহানা ডিসেম্বরে হাসিনার দেশে ফেরা নিয়ে যা বললেন হর্ষবর্ধন শ্রিংলা অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের তৈরি শ্বেতপত্রের আলোকেই পদক্ষেপ গ্রহণ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী
Skip to content

বিক্ষোভের পর চীনের গুয়াংঝোউ শহরে কোভিড বিধিনিষেধ শিথিল

অনলাইন ডেস্ক :

করোনা অতিমারি নিয়ন্ত্রণে বেইজিংয়ের কঠোর নীতি ও তৎপরতার বিরুদ্ধে বেশ কিছু প্রতিবাদ বিক্ষোভ এবং দক্ষিণাঞ্চলীয় শহর গুয়াংঝোউতে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষের পর কর্তৃপক্ষ সেখানে কোভিড বিধিনিষেধ শিথিল করেছে। চীন তার ‘শূন্য কোভিড নীতি’র আওতায় ব্যাপকহারে লকডাউন, ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা জারিসহ গণহারে করোনা পরীক্ষা করে আসছে যার বিরুদ্ধে ক্রমশ প্রতিবাদে সোচ্চার হয়ে ওঠছে দেশের জনগণ। তবে বিশ্বের অধিকাংশ দেশ ইতোমধ্যে কোভিড কড়াকড়ি অনেকটাই শিথিল করে নিয়েছে। এ সপ্তাহে কোভিড কড়াকড়ির বিরুদ্ধে বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে চীনের সাংহাই, বেইজিং ও অন্যান্য শহরগুলোয় যা ২০১২ সালে প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং ক্ষমতায় আসার পর একটি অবিস্মরণীয় ঘটনা। গত বুধবার দক্ষিণপশ্চিমাঞ্চলীয় শহর চংকিংয়ের একজন কর্মকর্তা জানান শহরটিতে লোকজনের চলাফেরায় বিধিনিষেধ তুলে নেওয়া হয়েছে এবং কোভিড আক্রান্তদের বাড়িতে কোয়ারেন্টিনে থাকতে বলা হয়েছে। কিন্তু দেশজুড়ে কোভিড বিধিনিষেধ শিথিল করার পর বিষয়টিকে জীবন রক্ষায় প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের শূন্য কোভিড নীতির বিষয়ে একটি বড় ধরনের ইউটার্ন হিসেবেই দেখা হচ্ছে। আলজাজিরার এক প্রতিবেদনে হংকং ভিত্তিক প্রতিবেদকের বরাত দিয়ে জানানো হয় গুয়াংঝোউতে বিক্ষোভ সহিংস রূপ নেয়। শহরটিতে করোনা সংক্রমণ সাম্প্রতিক সময়ে মারাত্মক আকার ধারণ করেছে। ওই প্রতিবেদনে বলা হয় বিক্ষোভ দেশটির অন্যান্য বড় শহরগুলোতেও ছড়িয়ে পড়ে। এদিকে সহিংসতা এড়াতে চীনের শীর্ষ নিরাপত্তা সংস্থা ‘শত্রুতাপূর্ণ শক্তি’র বিরুদ্ধে অভিযানের ডাক দিয়েছে। তবে সরকার কী করবে তা এখনও পরিষ্কার নয় আর এসব বিক্ষোভে বাইরের শক্তির হস্তক্ষেপের কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি।