সাম্প্রতিক
রূপপুরের ইউরেনিয়ামবাহী বিমানকে আটকে দেওয়ার কারণ জানাল পাকিস্তান হাসিনাকে ফেরানোর বিষয়টি বাংলাদেশ-ভারতের, তৃতীয় দেশের প্রয়োজন নেই: তথ্য উপদেষ্টা ডেঙ্গুর হটস্পট ঢাকার ৩৫ এলাকা, অক্টোবরে বাড়তে পারে ভয়াবহতা শেখ হাসিনার সাবেক সামরিক উপদেষ্টা তারিক সিদ্দিককে দুদকে তলব মধ্যপ্রাচ্য ছাড়তে হবে যুক্তরাষ্ট্রকে, হুঁশিয়ারি মোজতবা খামেনির আদালত থেকে বেরিয়ে তানজিন তিশা— ‘দরকার হলে আরও পাঁচবার আসব, ন্যায়বিচার নিয়ে বের হব’ আদাবরে চাপাতি নিয়ে বাড়িতে হামলা: পুলিশের অভিযানে গুলিবিদ্ধ ২, গ্রেপ্তার ১০ দলাদলি বন্ধ করুন, নইলে শিক্ষকতা ছেড়ে দিন: জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি ২২ অক্টোবর নির্বাহী আদেশে ছুটি ঘোষণা তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠনের প্রক্রিয়া এখনো চূড়ান্ত হয়নি: সংবিধান কমিটির সভাপতি
Skip to content

লিটনের প্রশংসায় পঞ্চমুখ সুজন

অনলাইন ডেস্ক :

প্রথমবার আনুষ্ঠানিকভাবে জাতীয় ওয়ানডে দলের নেতৃত্বভার পেয়েছেন লিটন কুমার দাস। প্রথম সুযোগেই তিনি ছক্কা হাঁকালেন! মানে ভারতের মতো দলের বিপক্ষে সিরিজ জয়। তামিম ইকবাল চোট পাওয়ায় সিরিজ শুরুর ৪৮ ঘণ্টারও কম সময় আগে তাকে অধিনায়ক করা হয়। কোনো প্রস্তুতি ছাড়াই মাঠে যে আগ্রাসী নেতৃত্ব দেখিয়েছেন লিটন, তা প্রশংসার যোগ্য। সেইসঙ্গে মাঠে তার নিয়ন্ত্রণ, কর্তৃত্ব, বোলিং পরিবর্তন ছিল চোখে পড়ার মতো। খালেদ মাহমুদ সুজনও তার প্রশংসায় পঞ্চমুখ। ভারত সিরিজে ‘ছুটি’তে থাকা টিম ডিরেক্টের খালেদ মাহমুদ সুজন (৮ ডিসেম্বর) বৃহস্পতিবার মিরপুর শেরে বাংলায় সাংবাদিকদের কাছে লিটনের নেতৃত্বের মূল্যায়ন করেন এভাবে, ‘আই অ্যাম ভেরি মাচ ফন্ড অব লিটন দাস। আমি মনে করি, সে খুবই সেন্সিবল একজন ক্রিকেটার। নলেজেবল একটা ছেলে। সে সামনে থেকে নেতৃত্ব দিয়েছে। যেভাকে সে অধিনায়কত্ব করেছে, সাহসের পরিচয় দিয়েছে এবং আগ্রাসী অধিনায়কত্ব করেছে, তা দারুণ। আমি সবসময় আগ্রাসী অধিনায়কদের পছন্দ করি, যারা পরিস্থিতি বিশ্লেষণ করে এভাবে অধিনায়কত্ব করে। আমি একশতে একশ বলব লিটনের নেতৃত্ব। ‘ভারতের বিপক্ষে ঘরের মাঠে টানা দ্বিতীয় ওয়ানডে সিরিজ জয় নিয়ে সুজন বলেন, ‘এক কথায় দারুণ। এই সংস্করণে যে আমরা শক্তিশালী বা জিততে জানি, কিংবা ভারতের বিপক্ষে আগের সিরিজটাও ঘরের মাঠে আমরা জিতেছিলাম ২০১৫ সালে। ওই সুখস্মৃতি তো ছিলই। তবে দুটি ম্যাচেই আমরা যেভাবে জিতলাম, এতে আমাদের ‘ক্যারেকটার’ ফুটে ওঠে। মিরাজ, মাহমুদউল্লাহ, কালকে মুস্তাফিজ ছিল অসাধারণ। প্রথম ম্যাচে শেষ জুটিতে পঞ্চাশের বেশি করে জয়ৃ। ‘সুজন আরও বলেন, ‘কালকে ৬ উইকেট পড়ে যাওয়ার পর আমরা কেউ আশা করিনি বা বাংলাদেশের কেউ হয়তো আশা করেনি যে এত রান করতে পারব। ভেবেছিলাম ২২০-২৩০ করতে পারলেও অনেক ভালো হবে। সেখান থেকে ২৭১ করতে পারা আমাদের দারুণ চরিত্রই ফুটিয়ে তোলে। মিরাজ অনেক পরিণত হয়েছে। আমরা সবসময় মিরাজকে বোলিং অলরাউন্ডার চিন্তা করি, এখন ওকে ব্যাটিং অলরাউন্ডার ভাবতে হবে সত্যি কথা বলতে। ‘