সাম্প্রতিক
তিতাসের ‘সিস্টেম লস’ বছরে ১০ কার্গো এলএনজির সমপরিমাণ গ্যাস হাম ও উপসর্গে আরও ৩ মৃত্যু, প্রাণহানি ছাড়াল ১ হাজার জুলাই জাদুঘরে অশ্রুসজল রাষ্ট্রপতি, বললেন ‘মূল্য দিয়েছি অনেক বেশি’ সালমান শাহর মৃত্যু: ডনের বিরুদ্ধে ‘গুরুত্বপূর্ণ তথ্য’ গোপনের অভিযোগ ইতালীয় গণমাধ্যমে বাঁধনের ওপর হামলার খবর, তদন্তে বিশেষ পুলিশ ‘দিগোস’ মেট্রোরেলের ২৭ বিয়ারিং প্যাড ‘ক্রিটিক্যাল’, ৪৬ পিলারে ফাটল: সংসদে মন্ত্রী আশির দশকে ফিরছে সোশ্যাল মিডিয়া, এআই ছবির ট্রেন্ডে নেটিজেনরা বিএনপি ক্ষমতায় আর বিদ্যুৎ-গ্যাসের সংকট হবে না, দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ন হবে না— সেটা হতে পারে না: রুমিন ফারহানা ডিসেম্বরে হাসিনার দেশে ফেরা নিয়ে যা বললেন হর্ষবর্ধন শ্রিংলা অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের তৈরি শ্বেতপত্রের আলোকেই পদক্ষেপ গ্রহণ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী
Skip to content

পাকিস্তানিরা গ্যাস কিনছে প্লাস্টিকের ব্যাগে

অনলাইন ডেস্ক :

হাতে বেশ কয়েকটি বড় প্লাস্টিকের ব্যাগ নিয়ে রাস্তা দিয়ে দুইজন হাঁটছেন। ব্যাগগুলো তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস বা এলপিজি দিয়ে ভরা। মনে হচ্ছে তারা একটা বড় গ্যাস বেলুন নিয়ে হাঁটছে। পাকিস্তানের উত্তর পূর্বাঞ্চলীয় খাইবার পাখতুনখোয়া প্রদেশে ধারণ করা একটি ভিডিওতে ফুটেজটি ধারণ করা হয়েছে। ইন্ডিয়া টুডের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়। প্রতিবেদনে বলা হয়, পাকিস্তানে চলছে চরম অর্থনৈতিক মন্দা। দেশের সাধারণ মানুষ সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। এলপিজির ঘাটতি দেখা দিয়েছে। গ্যাস সিলিন্ডার সহজে পাওয়া যায় না। এমন দুর্দশার মুখে ওই দুইজনের মতো প্লাস্টিকের ব্যাগে এলপিজি বহন করতে হচ্ছে অনেককেই। গ্যাস সরবরাহকারীদের কাছ থেকে সেসব ব্যাগ ভর্তি করা হচ্ছে। ব্যাগ থেকে গ্যাস বের না হয় তা নিশ্চিত করার জন্য, এর মুখে অগ্রভাগ ও ভালভ স্থাপন করা হয়। পরে সেই গ্যাস চুলায় বা অন্য কাজে ব্যবহার করা হয়। একটি ব্যাগে তিন থেকে চার কেজি গ্যাস ভর্তি করা যায়। গ্যাস ভরতে প্রায় এক ঘণ্টা সময় লাগে। খাইবার পাখতুনখোয়া প্রদেশের ভিডিওটি টুইটারে শেয়ার করা হয়েছে। শিরোনামে লেখা হয়েছে, ‘পাকিস্তানে সিলিন্ডারের বদলে প্লাস্টিকের ব্যাগে গ্যাসের ব্যবহার বেড়েছে। দোকানের ভিতরে ব্যাগ ভর্তি গ্যাস যা গ্যাস পাইপলাইনের সঙ্গে যুক্ত। তখন মানুষ সেই গ্যাস ব্যবহার করছে বাড়ির রান্নাঘরে।’ এ বিষয়ে স্থানীয় এক ব্যক্তি সংবাদ মাধ্যম ডয়চে ভেলেকে বলেন, ‘গ্যাস ভর্তি হলে এসব ব্যাগ ফেটে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। তবে প্রথমেই বলে রাখি আমি এমন কোনো ঘটনার কথা শুনিনি। আর বাস্তবতা হলো, সেই আশঙ্কা যদি সত্যি হয়, তাহলে আমাদের মতো গরীবদের সামনে আর কোনো পথ খোলা নেই। কারণ সিলিন্ডারের দাম অনেক।’