সাম্প্রতিক
বাংলাদেশ-ভারতের সম্পর্ক নতুন করে তৈরি হবে: প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মার্কিন ভিসা নিয়ে দুঃসংবাদ, পৌনে ২ লাখ ভিসা বাতিল করল যুক্তরাষ্ট্র ইরানের ভয়ে তুরস্ক ছাড়ার সময় বিমান বদলেছিলেন ট্রাম্প একাত্তর টিভির চেয়ারম্যান-সিওওসহ ৪ জনের বিরুদ্ধে সমন সপ্তাহে একদিন শিক্ষার্থীদের জন্য ফ্রি থাকবে জুলাই জাদুঘর গাজী নজরুলের এমপি পদ নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত, নির্বাচন কমিশনে যাচ্ছে সংসদ সচিবালয়ের চিঠি সৌরভ ও ডোনাকে হত্যার হুমকি, কলকাতা পুলিশের তদন্ত শুরু বাংলাদেশি কৃষককে ধরে নিয়ে গেল বিএসএফ, পাল্টা দুই ভারতীয় কৃষককে আটক গ্রামবাসীর বেসরকারি খাতকে জ্বালানি তেল আমদানির সুযোগ দেবে সরকার
Skip to content

দাপুটে গরম কলকাতায়

অনলাইন ডেস্ক :

ভারতের পশ্চিমবঙ্গের কলকাতায় চৈত্রের শেষ লগ্নেই দাপট দেখাতে শুরু করেছে গ্রীষ্মকাল। ক্যালেন্ডার অনুযায়ী এখনও বৈশাখ মাস পড়েনি। তার আগেই হাঁসফাঁস অবস্থা। কলকাতাসহ দক্ষিণবঙ্গের সব জেলায় আগামী পাঁচ দিন তাপপ্রবাহের পূর্বাভাস জারি করেছে আবহাওয়া অফিস। রোদের তেজে পুড়বে দক্ষিণবঙ্গের সাতটি জেলা। গরমে সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে রাজ্যবাসীকে। আলিপুর আবহাওয়া দপ্তরের পূর্বাভাস বলছে, আজ বৃহস্পতিবার থেকেই দক্ষিণবঙ্গের কিছুকিছু এলাকায় তাপপ্রবাহ শুরু হয়ে যেতে পারে। উত্তর এবং দক্ষিণ ২৪ পরগনা এবং পূর্ব মেদিনীপুরে বৃহস্পতিবার তাপপ্রবাহের পরিস্থিতি তৈরি হবে। কলকাতাসহ অন্য জেলাগুলোতে তাপপ্রবাহ হতে পারে শুক্রবার থেকে। আনন্দবাজারের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শুক্রবার তাপপ্রবাহের পরিস্থিতি তৈরি হবে কলকাতা, হুগলি, হাওড়া এবং পূর্ব বর্ধমানের কিছু এলাকায়। শনিবার অর্থাৎ পহেলা বৈশাখের দিন থেকে দক্ষিণের বাকি জেলাগুলোতেও তাপপ্রবাহ শুরু হবে। রোদের তাপে পুড়বে পুরুলিয়া, ঝাড়গ্রাম, পশ্চিম মেদিনীপুর, পশ্চিম বর্ধমান, বীরভূম, মুর্শিদাবাদ এবং নদিয়া। প্রতি ক্ষেত্রেই তাপপ্রবাহ চলবে আগামী ১৭ এপ্রিল সোমবার পর্যন্ত। আলিপুর আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, এই জেলাগুলোতে তাপপ্রবাহের সময় তাপমাত্রা স্বাভাবিকের চেয়ে ৪ থেকে ৫ ডিগ্রি বেশি থাকবে। গরম আরও বাড়বে দক্ষিণবঙ্গে। আপাতত কোথাও বৃষ্টির কোনো সম্ভাবনা দেখছেন না আবহবিদেরা। গরম থেকে বাঁচতে কী কী করতে হবে, কী কী করা চলবে না, সেই সংক্রান্ত একটি নির্দেশিকাও বুধবার (১২ এপ্রিল) জারি করেছে নবান্ন। প্রবল রোদ থেকে বাঁচতে দিনের বেলায় সঙ্গে ছাতা ব্যবহারের পরামর্শ দেয়া হয়েছে। যারা বাইরে কাজ করেন, তাদের দুপুরের মধ্যেই কাজ শেষ করতে বলা হয়েছে।