সাম্প্রতিক
তেল-চিনি ও ডিমের বাড়তি দামে নাজেহাল ক্রেতা শাহজালালের বিমানবন্দরের ইডিকে হুমকি: জামায়াতের আখতারুজ্জামান গ্রেপ্তার ভারতে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগের দাবিতে বিক্ষোভ, আটক ৭০০ ১০ কোটি ব্যারেল তেল-ডিজেল ছাড়ার সিদ্ধান্ত জি-৭ দেশগুলোর অনলাইন ও ডিজিটাল সাংবাদিকতার ‘পথিকৃৎ’ হারালাম, তৌফিক ইমরোজ খালিদীর মৃত্যুতে রাষ্ট্রপতি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সম্পদের উৎস কী, ফেসবুক পোস্টে প্রশ্ন হাসনাতের অর্থবছরের প্রথম প্রান্তিকে রপ্তানি বেড়েছে ৬ শতাংশের বেশি ডেঙ্গুতে ৯ মাসে প্রাণ গেল ২৫০ জনের মধ্যপ্রাচ্যের পথে নতুন রণতরী, ১০ হাজার মার্কিন সেনা: ইরান যুদ্ধ কি আরও তীব্র হচ্ছে? অক্টোবরে বৃষ্টি কমবে, কমবে তাপমাত্রাও; তবে ঘূর্ণিঝড়ের সম্ভাবনা
Skip to content

সাবরিনাসহ আটজনের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য ৬ সেপ্টেম্বর

নিজস্ব প্রতিবেদক :

করোনার ভুয়া রিপোর্ট দেয়ার অভিযোগে প্রতারণার মামলায় জেকেজি হেলথকেয়ারের চেয়ারম্যান ডা. সাবরিনা চৌধুরীসহ আটজনের বিরুদ্ধে সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য ৬ সেপ্টেম্বর দিন ধার্য করেছেন আদালত। ঢাকার মহানগর হাকিম সাদবীর ইয়াসির আহসান এ দিন ধার্য করেন। সোমবার (২৩ আগষ্ট) আদালত সূত্র থেকে এ তথ্য জানা যায়। মামলাটি সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য ধার্য রয়েছে। করোনা ভাইরাসের প্রার্দুভাবের কারণে আদালতের সাক্ষ্যগ্রহণের কার্যক্রম বন্ধ থাকায় সাক্ষ্য হয়নি। আদালতের কার্যক্রম স্বাভাবিক হওয়ায় সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য নতুন দিন ধার্য করেন বিচারক। মামলা সূত্রে জানা যায়, ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন জায়গায় করোনা শনাক্তের জন্য নমুনা সংগ্রহ করে তা পরীক্ষা না করেই জেকেজি হেলথকেয়ার ২৭ হাজার মানুষকে রিপোর্ট দেয়। এর বেশিরভাগই ভুয়া বলে ধরা পড়ে। এ অভিযোগে গত ২০২০ সালের ২৩ জুন অভিযান চালিয়ে প্রতিষ্ঠানটি সিলগালা করে দেয়া হয়। পরে তাদের বিরুদ্ধে তেজগাঁও থানায় মামলা দায়ের করা হয় এবং দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। ২০২০ সালের ৫ আগস্ট ঢাকা মহানগর হাকিম আদালতে দুপুরে সাবরিনা ও আরিফসহ আটজনের বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল করেন ডিবি পুলিশের পরিদর্শক লিয়াকত আলী। চার্জশিটভুক্ত অন্য আসামিরা হলেন-আবু সাঈদ চৌধুরী, হুমায়ূন কবির হিমু, তানজিলা পাটোয়ারী, বিপ্লব দাস, শফিকুল ইসলাম রোমিও ও জেবুন্নেসা। চার্জশিটে সাবরিনা ও আরিফকে প্রতারণার মূল হোতা বলে উল্লেখ করা হয়েছে। বাকিরা প্রতারণা ও জালিয়াতি করতে তাদের সহযোগিতা করেছেন। একই বছরের ২০ আগস্ট ঢাকা মহানগর হাকিম সরাফুজ্জামান আনছারী আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন। এ সময় তারা নিজেদের নির্দোষ দাবি করে ন্যায়বিচার প্রত্যাশা করেন।