সাম্প্রতিক
জ্বালানি তেলের দাম বাড়তেই চড়া নিত্যপণ্যের বাজার পাকিস্তান সফর কবে যাবেন, সাংবাদিকদের প্রশ্নে যা বললেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীকে জিজ্ঞাসাবাদ করা উচিত: পুলিশ সৌদি-হুতি সংঘাত: রিয়াদে যাচ্ছেন পাকিস্তান-তুরস্কের সেনাপ্রধান, যুদ্ধের প্রস্তুতি? চুয়েটে নতুন ভিসিকে ‘প্রত্যাখ্যান’, রোববার থেকে শিক্ষকদের সর্বাত্মক কর্মবিরতি সেপ্টেম্বরের ২৫ দিনেই ডেঙ্গুতে ১১৪ মৃত্যু অপ্রতিম হত্যা মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পরিবর্তন জাতিসংঘে জাইমা রহমানের নিয়োগ: লিগ্যাল অফিসার পদটির কাজ কী? চীনের প্রেসিডেন্টকে নৈশভোজে কী খাওয়ালেন ট্রাম্প, অতিথি ছিলেন প্রযুক্তি দুনিয়ার মহারথীরা হরমুজ প্রণালি খুলে দিতে ইরানের ৭ দিনের পরিকল্পনায় কী আছে
Skip to content

লিবিয়ায় অভিবাসীদের নৌকা ডুবে ৬০ জনের বেশি মৃত্যুর শঙ্কা

ফাইল ছবি

অনলাইন ডেস্ক :

ইন্টারন্যাশনাল অর্গানাইজেশন ফর মাইগ্রেশন (আইওএম) জানিয়েছে, লিবিয়ার উপকূলে নৌকাডুবির ঘটনায় ৬০ জনের বেশি অভিবাসীর মৃত্যু হয়েছে বলে শঙ্কা করা হচ্ছে। খবর বিবিসির। ঘটনায় বেঁচে যাওয়াদের বরাত দিয়ে জাতিসংঘের সংস্থাটি শনিবার বলেছে, নৌকাটি প্রায় ৮৬ জন আরোহী নিয়ে জুওয়ারা শহর থেকে যাত্রা করেছিল। উঁচু ঢেউয়ে নৌকাটি ডুবে যায়। এতে শিশুসহ ৬১ জন অভিবাসী নিখোঁজ হয়। সকলেই মারা গেছেন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। যে সকল অভিবাসী ভূমধ্যসাগর পাড়ি দিয়ে ইউরোপে যাওয়ার চেষ্টা করে তাদের জন্য লিবিয়া অন্যতম প্রধান পয়েন্ট। আইওএমের ধারণা মতে, শুধু এই বছর সাগর পাড়ি দিতে গিয়ে ২ হাজার ২০০ জনের বেশি মানুষ ডুবে গেছে।

এই রুটটি বিশ্বের সবচেয়ে বিপজ্জনক অভিবাসন রুটে পরিণত হয়েছে। সংস্থাটি বলেছে, সর্বশেষ ঘটনার ভুক্তভোগীদের বেশিরভাগই নাইজেরিয়া, গাম্বিয়া ও অন্যান্য আফ্রিকান দেশের বাসিন্দা। জীবিত ২৫ ব্যক্তিকে লিবিয়ার একটি আটক কেন্দ্রে স্থানান্তরিত করা হয়েছে। তাদের বর্তমানে চিকিৎসা সহায়তা দেওয়া হচ্ছে। জুন মাসে দক্ষিণ গ্রিসের কাছে একটি মাছ ধরার নৌকা ডুবে কমপক্ষে ৭৮ জন মারা গিয়েছিল।

জীবিত উদ্ধার করা হয়েছিল ১০০ জনকে। জাতিসংঘের শরণার্থী সংস্থার মতে, তিউনিসিয়া ও লিবিয়া থেকে এ বছর ১ লাখ ৫৩ হাজারের বেশি অভিবাসী ইতালিতে এসেছে। গত শনিবার যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী ঋষি সুনাক তার ইতালীয় সমকক্ষ জর্জিয়া মেলোনি ও আলবেনিয়ার প্রধানমন্ত্রী এডি রামার সঙ্গে ইউরোপে অবৈধ অভিবাসন হ্রাস করার উপায় নিয়ে রোমে আলোচনা করেছেন।