সাম্প্রতিক
রূপপুরের ইউরেনিয়ামবাহী বিমানকে আটকে দেওয়ার কারণ জানাল পাকিস্তান হাসিনাকে ফেরানোর বিষয়টি বাংলাদেশ-ভারতের, তৃতীয় দেশের প্রয়োজন নেই: তথ্য উপদেষ্টা ডেঙ্গুর হটস্পট ঢাকার ৩৫ এলাকা, অক্টোবরে বাড়তে পারে ভয়াবহতা শেখ হাসিনার সাবেক সামরিক উপদেষ্টা তারিক সিদ্দিককে দুদকে তলব মধ্যপ্রাচ্য ছাড়তে হবে যুক্তরাষ্ট্রকে, হুঁশিয়ারি মোজতবা খামেনির আদালত থেকে বেরিয়ে তানজিন তিশা— ‘দরকার হলে আরও পাঁচবার আসব, ন্যায়বিচার নিয়ে বের হব’ আদাবরে চাপাতি নিয়ে বাড়িতে হামলা: পুলিশের অভিযানে গুলিবিদ্ধ ২, গ্রেপ্তার ১০ দলাদলি বন্ধ করুন, নইলে শিক্ষকতা ছেড়ে দিন: জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি ২২ অক্টোবর নির্বাহী আদেশে ছুটি ঘোষণা তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠনের প্রক্রিয়া এখনো চূড়ান্ত হয়নি: সংবিধান কমিটির সভাপতি
Skip to content

গোলাগুলির মধ্যেই পালিয়ে গেল পুরো শহরের বাসিন্দা

ফাইল ছবি

অনলাইন ডেস্ক :

মিয়ানমারে সামরিক অভ্যুত্থানের পর শান্তিতে নেই দেশটির সাধারণ মানুষ। প্রতিদিনই সামরিক বাহিনীর মধ্যে বিদ্রোহ ও মিলিশিয়া বাহিনীর লড়াই চলছে। এই লড়াই চলার মধ্যেই দেশটির একটি শহর থেকে প্রায় ৮ হাজার বাসিন্দা পালিয়ে গেছে। পালিয়ে যাওয়া এসব বাসিন্দারের বাড়িতে কামান দিয়ে আগুন লাগিয়ে সব কিছু পুড়িয়ে ফেলা হচ্ছে। ধারণা করা হচ্ছে এসব বাসিন্দা মিয়ানমার থেকে সীমান্ত অতিক্রম করে ভারতে পালিয়ে গেছে। চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে সামরিক অভ্যুত্থানের মাধ্যমে ক্ষমতা দখল করে নেয় মিয়ানমারের সেনাবাহিনী। তাদের রুখতে হাজার হাজার মানুষ রাস্তায় নেমে পড়ে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত তাদের রুখে দেওয়া সম্ভব হয়নি। ফলে দেশটিতে সেনাবাহিনীর সঙ্গে প্রতিরোধ বাহিনীর প্রতিদিনই সংঘর্ষ চলছে। এদিকে বার্তা সংস্থা রয়টার্সের বরাতে বিবিসি জানিয়েছে, মিয়ানমারের ওই শহটিতে প্রায় ২০টি ঘরে আগুন দেওয়া হয়েছে। একটি আগুন লাগা ভবন থেকে অগ্নিদগ্ধদের বের করতে গিয়ে সেনাদের গুলিতে নিহত হয়েছেন খ্রিস্টান এক ধর্মযাজক। একজন বাসিন্দা মিয়ানমার নাউকে জানিয়েছে, শহর থেকে ১০০ শতাংশ মানুষ পালিয়ে গেছে। তবে যারা সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে আন্দোলন করেনি তারাই এখানে বাস করছে। ভারতের মিজোরাম জেলার একটি সিভিল সোসাইটির প্রধান রয়টার্সকে জানিয়েছেন, গত সপ্তাহে মিয়ানমার থেকে প্রায় ৫ হাজার ৫০০ পালিয়ে এসে এখানে আশ্রয় নিয়েছে। এদিকে জাতিসংঘের বিশেষ প্রতিনিধি থমাস অ্যানড্রুজ জানিয়েছেন, মিয়ানমারের থ্যাংল্যাং শহর এখন জীবন্ত নরকে পরিণত হয়েছে। এখানে প্রতিনিয়ত সেনাবাহিনীর হাতে সাধারণ মানুষ নির্যাতন হচ্ছে।
দেশটিতে ফেব্রুয়ারিতে সামরিক অভ্যুত্থানের পর হাজার হাজার মানুষ তাদের বিরুদ্ধে বিক্ষোভে নামে। বিক্ষোভে গুলি চালিয়ে এক হাজার মানুষকে হত্যা করে মিয়ানমার সেনাবাহিনী। এ ছাড়া ৬ হাজার মানুষকে আটক করে।