সাম্প্রতিক
তিতাসের ‘সিস্টেম লস’ বছরে ১০ কার্গো এলএনজির সমপরিমাণ গ্যাস হাম ও উপসর্গে আরও ৩ মৃত্যু, প্রাণহানি ছাড়াল ১ হাজার জুলাই জাদুঘরে অশ্রুসজল রাষ্ট্রপতি, বললেন ‘মূল্য দিয়েছি অনেক বেশি’ সালমান শাহর মৃত্যু: ডনের বিরুদ্ধে ‘গুরুত্বপূর্ণ তথ্য’ গোপনের অভিযোগ ইতালীয় গণমাধ্যমে বাঁধনের ওপর হামলার খবর, তদন্তে বিশেষ পুলিশ ‘দিগোস’ মেট্রোরেলের ২৭ বিয়ারিং প্যাড ‘ক্রিটিক্যাল’, ৪৬ পিলারে ফাটল: সংসদে মন্ত্রী আশির দশকে ফিরছে সোশ্যাল মিডিয়া, এআই ছবির ট্রেন্ডে নেটিজেনরা বিএনপি ক্ষমতায় আর বিদ্যুৎ-গ্যাসের সংকট হবে না, দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ন হবে না— সেটা হতে পারে না: রুমিন ফারহানা ডিসেম্বরে হাসিনার দেশে ফেরা নিয়ে যা বললেন হর্ষবর্ধন শ্রিংলা অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের তৈরি শ্বেতপত্রের আলোকেই পদক্ষেপ গ্রহণ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী
Skip to content

পুরোপুরি কাবামুখী না হলে কি নামাজ হবে?

মুসলমান পৃথিবীর যে কোনো প্রান্তে থাকুক, কাবাই তার কিবলা

ইসলাম ডেস্ক

কাবা মুসলমানদের কিবলা। মুসলমান মসজিদুল হারামে কাবার সামনে বা পৃথিবীর যে প্রান্তেই থাকুক, নামাজের সময় কাবার দিকে ফিরে নামাজ আদায় করতে হবে। কোরআনে আল্লাহ তাআলা পৃথিবীর সব জায়গা থেকে কাবার দিকে ফিরে নামাজ আদায়ের নির্দেশ দিয়ে বলেন,

فَوَلِّ وَجۡهَكَ شَطۡرَ الۡمَسۡجِدِ الۡحَرَامِ وَ حَیۡثُ مَا كُنۡتُمۡ فَوَلُّوۡا وُجُوۡهَكُمۡ شَطۡرَهٗ

তোমার চেহারা মাসজিদুল হারামের দিকে ফেরাও, তোমরা যেখানেই থাক, তার দিকেই তোমাদের চেহারা ফেরাও। (সুরা বাকারা: ১৪৪)

তবে যারা কাবার সামনে রয়েছে, কাবাকে সরাসরি দেখছে, তাদের কাবামুখী বা কিবলামুখী হওয়ার পদ্ধতি আর যারা দূরে রয়েছে তাদের কিবলামুখী হওয়ার পদ্ধতি এক রকম নয়।

যারা কাবার সামনে আছে এবং কাবা দেখতে পাচ্ছে তারা তো সরাসরি কাবা বরাবর মুখ করেই নামাজ আদায় করবে। আর যারা দূরে রয়েছে, কাবা দেখছে না, তাদের জন্য পুরোপুরি কাবামুখী হওয়া জরুরি নয়। বরং কাবা যে দিকে অবস্থিত ওই দিকটিই তাদের কিবলা। তারা ওই দিকে ফিরে নামাজ আদায় করলেই নামাজ হয়ে যাবে, চেহারা পুরোপুরি কাবা বরাবর না হলেও।

নামাজে যথাযথভাবে কিবলামুখী হওয়ার চেষ্টা করতে হবে। ইচ্ছাকৃতভাবে ডানে বা বামে ঘোরা যাবে না। এরপরও ভুল করে বা কোনো অসুবিধান কারণে কিবলার দিক থেকে ৪৫ ডিগ্রি পরিমাণ পর্যন্ত ডানে বা বামে সরে গেলেও নামাজ শুদ্ধ হবে। এর চেয়ে বেশি পরিমাণ ঘুরে গেলে নামাজ নষ্ট হয়ে যাবে।

যেমন কোনো এলাকার কিবলার দিক যদি ২৭৭ ডিগ্রিতে হয় তাহলে এর থেকে উত্তরে ২৭৭+৪৫=৩২২ ডিগ্রি পর্যন্ত সিনা ঘুরে গেলেও নামাজ হয়ে যাবে। এর চেয়ে বেশি ঘুরলে নামায শুদ্ধ হবে না। তেমনি এর থেকে দক্ষিণে ২৭৭-৪৫=২৩২ ডিগ্রি পর্যন্ত ঘুরে গেলেও নামাজ শুদ্ধ হয়ে যাবে। এর চেয়ে বেশি দক্ষিণে ঘুরলে নামাজ শুদ্ধ হবে না।

যেমন কোনো এলাকার কিবলার দিক যদি ২৭৭ ডিগ্রিতে হয় তাহলে এর থেকে উত্তরে ২৭৭+৪৫=৩২২ ডিগ্রি পর্যন্ত সিনা ঘুরে গেলেও নামাজ হয়ে যাবে। এর চেয়ে বেশি ঘুরলে নামায শুদ্ধ হবে না। তেমনি এর থেকে দক্ষিণে ২৭৭-৪৫=২৩২ ডিগ্রি পর্যন্ত ঘুরে গেলেও নামাজ শুদ্ধ হয়ে যাবে। এর চেয়ে বেশি দক্ষিণে ঘুরলে নামাজ শুদ্ধ হবে না।