সাম্প্রতিক
তিতাসের ‘সিস্টেম লস’ বছরে ১০ কার্গো এলএনজির সমপরিমাণ গ্যাস হাম ও উপসর্গে আরও ৩ মৃত্যু, প্রাণহানি ছাড়াল ১ হাজার জুলাই জাদুঘরে অশ্রুসজল রাষ্ট্রপতি, বললেন ‘মূল্য দিয়েছি অনেক বেশি’ সালমান শাহর মৃত্যু: ডনের বিরুদ্ধে ‘গুরুত্বপূর্ণ তথ্য’ গোপনের অভিযোগ ইতালীয় গণমাধ্যমে বাঁধনের ওপর হামলার খবর, তদন্তে বিশেষ পুলিশ ‘দিগোস’ মেট্রোরেলের ২৭ বিয়ারিং প্যাড ‘ক্রিটিক্যাল’, ৪৬ পিলারে ফাটল: সংসদে মন্ত্রী আশির দশকে ফিরছে সোশ্যাল মিডিয়া, এআই ছবির ট্রেন্ডে নেটিজেনরা বিএনপি ক্ষমতায় আর বিদ্যুৎ-গ্যাসের সংকট হবে না, দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ন হবে না— সেটা হতে পারে না: রুমিন ফারহানা ডিসেম্বরে হাসিনার দেশে ফেরা নিয়ে যা বললেন হর্ষবর্ধন শ্রিংলা অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের তৈরি শ্বেতপত্রের আলোকেই পদক্ষেপ গ্রহণ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী
Skip to content

ড. ইউনূসের জাপান সফরে ৭ সমঝোতা স্মারক সই

 

অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের জাপান সফরে সাতটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হতে পারে।

আজ সোমবার (২৬ মে) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে এক ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানিয়েছেন পররাষ্ট্র সচিব (ভারপ্রাপ্ত) রুহুল আলম সিদ্দিক।

রুহুল আলম সিদ্দিক বলেন, ‘২৮ থেকে ৩১ মে পর্যন্ত প্রধান উপদেষ্টার সরকারি সফর চলবে। সফরের মূল লক্ষ্য হলো বাজেট সহায়তা। এ সফরে সাতটি সমঝোতা স্মারকে সই হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।’

প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস আগামী ৩০ মে টোকিওতে জাপানের প্রধানমন্ত্রী শিগেরু ইশিবার সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে মিলিত হবেন। এতে বাজেট সহায়তা নিয়ে আলোচনা হতে পারে। কৌশলগত দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক জোরদারের বিষয়েও কথা হবে দুই নেতার মধ্যে। এর আগে জাপানে অধ্যাপক ইউনূসকে গার্ড অব অনারসহ লালগালিচা সংবর্ধনা দেওয়া হবে।

জাপানের কাছে বাজেট সহায়তার জন্য ১০ হাজার কোটি টাকা (১ বিলিয়ন ডলার) চেয়েছে বাংলাদেশ, যা ‘সফট লোন’ আকারে পাওয়া যাবে। দ্বিপাক্ষিক বৈঠকের পর আনুষ্ঠানিকভাবে এ ঘোষণা দেওয়া হবে।

রুহুল আলম সিদ্দিক বলেন, প্রধান উপদেষ্টা ২৭ মে রাতে জাপানের উদ্দেশে ঢাকা ত্যাগ করবেন। তিনি জাপানে ‘নিক্কেই ৩০তম ফিউচার অব এশিয়া’ সম্মেলনে অংশ নেবেন এবং একটি অধিবেশনে মূল বক্তা হিসেবে বক্তব্য রাখবেন।

চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে জাপানের উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইকুইনা আকিকো অধ্যাপক ইউনূসকে ওই সম্মেলনে যোগ দেওয়ার আমন্ত্রণ জানান। ইউনূস ২০০৪ সালে ‘নিক্কেই এশিয়া প্রাইজ’ পেয়েছিলেন।

সফরে কৌশলগত অংশীদারত্বের ভিত্তিতে নিরাপত্তা, অর্থনীতি, বাণিজ্য, বিনিয়োগ, জনগণের মধ্যে যোগাযোগ, সংস্কৃতিগত বিনিময়, জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত মিয়ানমারের নাগরিক (রোহিঙ্গা) ইস্যু এবং আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক প্রসঙ্গ নিয়ে আলোচনা হবে বলে কূটনৈতিক সূত্র জানিয়েছে।