সাম্প্রতিক
তিতাসের ‘সিস্টেম লস’ বছরে ১০ কার্গো এলএনজির সমপরিমাণ গ্যাস হাম ও উপসর্গে আরও ৩ মৃত্যু, প্রাণহানি ছাড়াল ১ হাজার জুলাই জাদুঘরে অশ্রুসজল রাষ্ট্রপতি, বললেন ‘মূল্য দিয়েছি অনেক বেশি’ সালমান শাহর মৃত্যু: ডনের বিরুদ্ধে ‘গুরুত্বপূর্ণ তথ্য’ গোপনের অভিযোগ ইতালীয় গণমাধ্যমে বাঁধনের ওপর হামলার খবর, তদন্তে বিশেষ পুলিশ ‘দিগোস’ মেট্রোরেলের ২৭ বিয়ারিং প্যাড ‘ক্রিটিক্যাল’, ৪৬ পিলারে ফাটল: সংসদে মন্ত্রী আশির দশকে ফিরছে সোশ্যাল মিডিয়া, এআই ছবির ট্রেন্ডে নেটিজেনরা বিএনপি ক্ষমতায় আর বিদ্যুৎ-গ্যাসের সংকট হবে না, দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ন হবে না— সেটা হতে পারে না: রুমিন ফারহানা ডিসেম্বরে হাসিনার দেশে ফেরা নিয়ে যা বললেন হর্ষবর্ধন শ্রিংলা অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের তৈরি শ্বেতপত্রের আলোকেই পদক্ষেপ গ্রহণ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী
Skip to content

ফ্রান্সের নতুন সিদ্ধান্ত, রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দেবে ফিলিস্তিনকে

ছবি সংগৃহীত

রাষ্ট্র হিসেবে প্রতিষ্ঠা পেতে আরেক ধাপ এগিয়ে গেল ফিলিস্তিন। আগামী সেপ্টেম্বরে জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশনে ফিলিস্তিনকে রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দেবে ফ্রান্স।

২৪ জুলাই (বৃহস্পতিবার) ফ্রান্স সময় রাত ৯টা ৩০ মিনিটে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক অফিশিয়াল বিবৃতিতে এই ঐতিহাসিক ঘোষণা দেন তিনি। জানান, এই স্বীকৃতি আগামী সেপ্টেম্বর মাসে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করবেন তিনি।

ফরাসি প্রেসিডেন্ট বলেন, ‘আজকের সবচেয়ে জরুরি প্রয়োজন হলো গাজায় যুদ্ধ থামানো এবং বেসামরিক মানুষের জীবন রক্ষা করা। শান্তি সম্ভব।’

তিনি বলেন, তাৎক্ষণিক অস্ত্রবিরতি, সকল জিম্মির মুক্তি এবং গাজার জনগণের জন্য জরুরি ভিত্তিতে মানবিক সহায়তা পৌঁছে দিতে হবে। একই সঙ্গে হামাসকে নিরস্ত্রীকরণ ও গাজাকে পুনর্গঠন করার আহ্বান জানান তিনি।

বিবৃতিতে তিনি উল্লেখ করেন, এই সংকট থেকে স্থায়ী উত্তরণের জন্য একটি স্বাধীন ও কার্যকর ফিলিস্তিন রাষ্ট্র গঠনের বিকল্প নেই। রাষ্ট্রটি নিরস্ত্রীকরণ মেনে নিয়ে ইসরাইলকে স্বীকৃতি দেবে এবং মধ্যপ্রাচ্যের সার্বিক নিরাপত্তায় অংশ নেবে— এমন কাঠামোই তিনি দেখতে চান।

ফরাসি প্রেসিডেন্ট আরোও জানান, ফিলিস্তিনি প্রেসিডেন্টের কাছ থেকে কিছু গুরুত্বপূর্ণ প্রতিশ্রুতি পাওয়ার পরই তিনি এই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন।

তিনি বলেন, ‘আমি তাকে চিঠি দিয়ে আমার প্রতিশ্রুতি জানিয়েছি। আজ আমাদের দরকার বিশ্বাস, স্বচ্ছতা ও অঙ্গীকার। আমরা শান্তি অর্জন করব।’

তিনি আরও বলেন, ‘ফরাসিরা মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি চায়। আমাদের, ইসরাইলি, ফিলিস্তিনি, ইউরোপীয় এবং আন্তর্জাতিক অংশীদারদের একসঙ্গে প্রমাণ করতে হবে— শান্তি সম্ভব।’

বিশ্ব রাজনীতিতে ফ্রান্সের এই ঘোষণাকে একটি গুরুত্বপূর্ণ কূটনৈতিক মোড় হিসেবে দেখা হচ্ছে। ইউরোপের অন্যতম প্রভাবশালী দেশ ফ্রান্সের এই স্বীকৃতির পর আন্তর্জাতিক পরিসরে ফিলিস্তিন রাষ্ট্র গঠনের দাবির পক্ষে চাপ আরও জোরালো হতে পারে।

বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এই ঘোষণার ফলে পশ্চিমা বিশ্বের অনেক রাষ্ট্রই নিজেদের অবস্থান পুনর্বিবেচনা করতে বাধ্য হতে পারে।